Header Ads

imran

তুমিকী চাষি ?














আমরা প্রতিদিন যা খাই তা আমরা উতপাদনও করি , কোনটিই বিদেশ থেকে আসেনা , সীমিত পরিসরে কিছু আসলেও তার দাম আমাদের উতপাদিত পন্যের চেয়া তুলনামুলক  কমথাকে। তাতে আবার ট্যাক্স বসিয়ে, দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আবার আমরা যা উতপাদন করি তা আবার বাজারে যেতে যেতে দাম দিগুন হয়ে যায় এ ভাবে কখন রাষ্ট্র আবার কখন সিন্ডিকেট ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে অবস্থান করে আমাদের কম দামে বিক্রয় করতে বাধ্য করে আবার এই আমিই যখন আমার পিতার বিক্রিত সবজি শহরের মেচে বা বাসাবাড়িতে ক্রয় করে আনি তখন অধিক দামে আনি। মাঝখানে মধ্যোসত্তভুগিরাই আমাদেরকে নিঃশেষ করে । এ থেকে আমাদের বাচার উপায় কী ? এই মধ্যোসত্তভুগিদের লাভের পরিমান কমিয়ে আনাই রাষ্ট্রের কাজ । এরা সিন্ডিকেট করে আমাদের উৎপাদিত পন্যের দামা কমায় আবার আমরা যখন কিনে আনি তখন মজুদদারির মাধ্যমে যিনিসের ঘাটতি তৈরি করে দামা বাড়িয়ে দেয়। তাই রাষ্ট্র , পুলিশ , প্রশাসনে আমরা ভালো লোক পাঠাতে পারলে আমরা শান্তিতে থাকতে পারব। কিন্তু এখানেও চালাকি যারা রাষ্ট্র চালায় তারা আমাদেরই কাউকে কাউকে চাকরি দেয়, তাই দেখা যায় তাকে দুরনীতি করার সুযোগও দেয় ফলে আমাদের সমাজের কয়েকশ পারিবারে মধ্যে একজনের সম্পদের দাপটে আমরা অসহায় আর ভাবি আমার ছেলেটা চাকরি পেলে মনেহয় আমার বিপদ কেটে যাবে। কোন একদিন হয়ত আমার বিপদ কাটে কিন্তু আর ৯৯ জন আমার মত ভাবতে ভাবতে এহজীবন পার করে পরপারে পাড়ি জমায়, এভাবে আমাদের সমাজকে বিভেদের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা আমাদের শাসন করে যাচ্ছে , আর আমরা আসায় আসায় দিন গুনছি,  বইসম্মের   দিন আর শেষ হয়না।আসুন আমরা সৎ হই আর অন্যকে সৎ হতে বলি তাহলেই আমরা কারও সাহায্য ছাড়া ভাল থাকতে পারব। তবে এই সমাজ আপনা আপনি পরি বর্তন হবার নয়। তাই শুধু চাষ করলে হবেনা, এই সমাজ , এই রাষ্ট্র গঠনের জন্যেও আমাদের ভুমিকা রাখতে হবে , প্রতিটা অন্যায়ের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হব। ছেলে মেয়েদের আদর্শবান  বানাতে হবে। সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে থাকা দূর নীতি  বাজ দের  সামাজিক বয়কটের মাধ্যমে অন্যায়কারী  হিসেবে চিন্নিত করতে হবে।  তাদের সামাজিক নেত্রিত্ত অমান্য করতে হবে। কন প্রয়জনে তাদের সাহায্য নেয়া যাবেনা। এ পদক্ষেপ  খুবি ধীর  মনে হলেও খুবি কারজ কর হবে তখনি যখন আমরা নিজেরা নিজেদের সমস্যা সমাদজান করব। আর অনেক কিছু-------_-




কোন মন্তব্য নেই