Header Ads

imran

রাষ্ট্র ব্যাবস্থায় আল্লাহর আইন চালু করাকী ফরজে কেফায়া? বা সুন্নাত ! না নফল ? না অনাবশ্যক ?

রাষ্ট্র ব্যাবস্থায় আল্লাহর আইন চালু করাকী ফরজে কেফায়া? বা সুন্নাত ! না নফল ? না অনাবশ্যক ?

যারা শয়তানের অনুসারি তারা অত শত ব্যাখ্যা বুঝেনা, তার চায় ক্ষমতা ,কারন তারা জানে এখানে আছে আফুরন্ত সুজগ ,  মানুষের  প্রভু হওয়ার এক অনাবিল শান্তি, বসে বসে টাকা  , যারা সারাটা দিন পরিশ্রম করে টাকা কামায়, তাদের ইনকামের উপর ট্যাক্স বসিয়ে শান্তির জীবন, কিন্তু আল্লাহ যাদের নবীর  ওয়ারিশ বা নিজের খলিফা বানালেন জন সাধারন কে এই যুলুম থেকে বাচানর জন্যে তারা বলছে , না  এটা আমার কাজ নয়, আমি রাজনিতি মুক্ত এক নির্ভেজাল সাদা মনের মানুষ , আমার কাজ সারা রাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করে , আল্লার প্রিয় বান্দা হওয়া ,দুনিয়ার এই রাষ্ট্র , রাজা , রাজনীতি , এটা আমার কাজ নয়।তাই আজ দেশে দেশে শয়তানের খেলাফত  প্রতিষ্ঠিত , কোথাও নেই আল্লাহর খলিফা, যা আছে  এই সব শয়তানের খলিফার গোলাম, তারা শয়তানের খলিফার গোলামি করে রিজিকের ব্যাবস্থা করে থাকে । যেহেতু আল্লার দেয়া রিজিক শয়তানের খলিফার হাত দিয়ে তাদের হাতে আসে তাই এই গোলামেরা আল্লার বাণী প্রচারের সেটুকুই অনুমতি পায় যেটুকু শয়তানের খলিফারা অনুমতি দেয়, আর তারা সেটুকুই অনুমতি দেয় , যেটুকু তাদের খেলাফতে জন্যে হুমকি নয়।

তাই হাশরের মাঠে আমরা কী বলতে পারব ? আল্লাহ  , আমি তোমার গোলাম , তোমার গোলামি করেছি ! তোমার পৃথিবীতে কোথাও শয়তানের   রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হতে দেইনি ,  কোথাও জুলুম , নির্যাতন , নিষ্পেষণ দেখলেই ছুটে গিয়েছি , তোমার জমিনে কোথাও দাড়াতে দেইনি শয়তানকে , সমাজে কোন শয়তানকে মাতুব্বরি করতে দেইনি, রাষ্ট্রে কোন শয়তানকে মাতুব্বরি করতে দেইনি  ! সব জাগায়ত আজ শয়তানের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত , আমরা কী পারি এই সমাজ  ও রাষ্ট্রের কোন আইন অবজ্ঞা করতে ? আমরা কার গোলামি করছি ? শয়তানের না আল্লার ?

আল্লার গোলামি করা মানেকি শুধু নামাজ ? আজ রাস্ট্র ব্যাবস্থায় সুদ প্রতিষ্ঠিত থাকায় কত মানুষ নামাজ পড়ে কিন্তু তার ইনকাম সুদের মাধ্যমে আসে , কী কাজে আসবে তার এই নামায !!!  আমরা যারা একটু প্রতিষ্ঠিত আমরা আমাদের ইনকামের একটা অংশ এই রাষ্ট্রকে সরাসরি ইনকামট্যাক্স হিসেবে দিয়ে রাষ্ট্রের প্রশাসনের রক্ত ,মাংশ, হাড়, মাথা , চিন্তা, বুদ্ধি  গঠন করে দিচ্ছি , আমাদের শাসন করার জন্যে, আর সেবা  নিছি ঘুসের মাধ্যমে !  আমি কি বলতে পারব , আল্লাহ আমি অসহায় ছিলাম তাই  শয়তানের খলিফার সাথে লড়তে পারি নাই কিন্তু  কখনো  আমি তাদের সহজগীতা করিনি ?

আমরা যারা নামায পড়ি তারা সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে  অংশ না নিলেও আল্লাহর এ জমিনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কেউ বা কেউ নিবে , কিন্তু তার মাথায় কোরানের জ্ঞান না থাকায়  কখন কখন  সীমিত পরিসরে ইনসাফ   প্রতিষ্ঠা হলেও   আল্লার হুকুমত আসবেনা, আমাদের অনেক ভাইয়েরা নিজেকা  ইসলামের দায়ী মনে করেন ,  কি ভাবে ? এ সমাজের ঘুস , সুদ, চাদাবাজির যে টাকা আপনার হাতে আসে তাকী পবিত্র ? একটু খেয়াল করে দেখুন সমাজের বিত্তশালী যারা দান করতে সক্ষম তাদের অধিকাংশই হয় সুদ না হয় ঘুসের সাথে জড়িত ,  যে টাকা কালেকশন করে আপনি মসজিদের প্রাসাদ তৈরি করেছেন তাকি পবিত্র !!!!! কী ভাবে আপনি দায়ী  ? আপনি যদি দায়ী হন  তা হলে  অবস্যই দায়ি , প্রকাশ্য অপ্রাধে জড়িত থাকা অপরাধির কাছথেকে হাত পেতে টাকা কালেকশন করে তাকে আর অপরাধে উৎসাহিত করার জন্যে   দায়ি , শয়তানের খেলাফত প্রতিষ্ঠার  সুযোগ দেয়ার কারনে আপনি দায়ি !!!!! এট আজ কোন গোপন বা অপ্রকাশ্য বিষয় নয় যা বুঝতে না পারার মত কোন অজুহাত আছে।

 

এটাই রাষ্ট্র বিজ্ঞান,  এটাই দর্শন  ,  ‘’ কিসে তোমাকে বিভ্রান্ত করল ? মহান রবের সরন থেকে !! “   শয়তানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করাই ইসলামের প্রথম দর্শন , প্রথমে গোপনে তার পর প্রকাশ্যে। আপনি কিসের দাওয়াত দিচ্ছেন, যাকে ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছেন তার কাছথেকে বেতন নিচ্ছেন। আহ ! বেচারা তোকে তো এজন্যেই বাচিয়ে রেখেছে যে, তুই দোয়া কোরে তার পরকাল ঠিক করে দিবি। দুনিয়া তার আর পরকাল তোর , তার কাছথেকে রিজিক নেয়ার কারনে অবশ্যই তোকে দোয়া করতে হবে , তাদের কেউ মারা গেলে আমরা তাই করি !!! তার চৌদ্দগোস্টিকে জান্নাতে দিয়ে তার পর ১০০০ তাকার একটা নোট নিয়ে তার পর বাড়ি আসি , এর পর মনে মনে কী ভাবি , যানি না কে কি ভাবে তখন , তবে অবশ্যই আল্লাহ তা জানে , আফসোস !!! এটা কী ভাবে হালাল ? এটাকি পারিশ্রমিক ? ইসলামকে এভাবে বিক্রি করার দায়ে অবশ্যই তুমি দায়ি।

এখানেই শেষ নয় !!! তারপর এক সপ্তাহ আবার তার বাড়িতে গিয়ে পেট পুরে গরুর গোস ,দই ,ইত্যাদি খাই, আবার হাদিয়া !!! আহ , আল্লাহ কেন তুমি ওকে জান্নাতে দিবানা ? তোমার এই অসহায় বান্দাকে তো ওরাই বাচিয়ে রাখে !!!!

এখানেই শেষ নয়  , শুরুটাইত হয়নি , আমি যখন মাদ্রাসায় পড়েছি বিড়াট লিল্লাহ বোর্ডিং , এত মানুষের  খাবার ওরাইত দিল  , সেই থেকে শুরু আজ ও ওদেরই খাই ওদেরই পরি, ওরাছাড়া আমিতো অসহায় ভানিনা !! তোমাকেই আমি রিজিক দাতা মনে করি ,কিন্তু এদের সাথে সম্পর্ক না রাখলে আমিকি ইলেম শিখতে পারতাম , আমার পেশাত ওরাই ঠিক করে , মাবুদ ওদেরকে তুমি জান্নার দিবানাত কাকে দিবা ???

আহ !!!!! এভাবেইত টিকে আছে শয়তানের খেলাফত।

কোন মন্তব্য নেই