ফুটবল !
ফুটবল !
ফুটবল এমন একটা বল যা
হাতের স্পর্শ পেলে খেলার মাঠে মারাত্মক অপরাধ! কিন্তু অন্য সময় এটা হাতে অথবা কোলে
থাকে। তাই অন্য সময় হাতে অথবা কোলে দেখে
মনে করা উচিৎ নয় খেলয়াড় তাকে আদর করছে। বরং যথা সময়ে খেলা শুরু করতে যাতে দেরি না
হয় তাই সে এখন কোলে অথবা হাতে। তাই অধিকাংশ সময় খেলোয়াড়কে বল হাতে নিয়ে মাঠে আসতে
দেখা যায়। কিন্তু কখন কখন খেলোয়াড়কে আগে আসতে দেখা যায়। এটা আসলে খেলার
পূর্বপ্রস্তুতি সরূপ খেলয়াড়রা ব্যাম করতে আসে। তখন বুঝতে হবে, আসল খেলা একটু পরে।
তাই চীন যখন সদলবলে মাঠে নামল তখন সবাই ভেবে ছিল আমেরিকান খেলয়াড়দের যদি মাঠে না
দেখা যায় তাহলেতো খেলা হবেনা ;কারণ এক দলেত আর খেলা হয়না । তাছাড়া চীনের হাতে বলও
নেই যে সে কাউকে ডেকে খেলা শুরু করবে। কিছু সময় পরই দ্বিতীয় দল আমেরিকা মাঠে
উপস্থিত , খেলার মাঠ দক্ষিণ চীন সাগর ! সবাই খেলা দেখতে প্রস্তুত; কিন্তু আমেরিকা
বল আনেনি। তারা ভেবেছিল চীনের বল দিয়ে খেলবে । কিন্তু চীন তার নিজের বল দিতে রাজি
হলোনা। তখন আমেরিকা খেলার মাঠে ঘুরছে । আর ভাবছে যদিও সে বল আনেনি তবু এ অঞ্চলে
তার দুটি বল আছে যা দিয়ে আপাতত একটা ভাল খেলা হবে । কিন্তু দীর্ঘদিন ঘোরা ফেরা করে
কোন বল যোগাড় করতে পারল না। তখন সে ভারোতের কাছে বল চাইল । ভারত দেখল বলতো আমার
কাছে আছে । কিন্তু সেটাতো আমার খেলার জন্যে। এখানেতো অন্য কাউকে ডাকা যাবে না কারণ
বলও আমার মাঠও আমার এ ভাবেতো খেলা হয়না । খেলার জন্যে নিরপেক্ষ ভেনু ও বল দরকার ।
কিন্তু ভারত আমেরিকান টিমকে আশ্বস্ত করে
বললো সে বল ও নিরপেক্ষ ভেনুর ব্যাবস্তা করতে পারবে। কিন্তু বল থাকলেও সে বল
নিরপেক্ষ ভেনুতে আনতে হবে। ঊভয়ে পরামর্শ করে দেখল নিরপেক্ষ ভেনু হিসেবে আপাতত
বাংলাদেশ, কিন্তু সমস্যা হল এটি আসলে কিন্তু ফুটবল খেলা নয়। এ খেলায় রেফারিকেই
প্রথমে বল স্যুট করতে হয়। আর খেলা শুরু হওয়ার পর রেফারিকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়।
কিছুটা রেসলিং খেলার মত , রেসলিং খেলায় রেফারিকে মারার বিধান না থাকলেও অনেক সময়
মার খেতে দেখা যায়। এ খেলার আলাদা দুইটি বৈশিষ্ট্য হল ১) খেলা শুরু হয়ার পর রেফারি
মাঠে থাকলে। বলের সাথে রেফারিকেও তুল ধুনা করা হয়। ২)খেলায় একটি দল আগে নেমে
অন্যটিকে নামতে বাধ্য করে। (এ খেলায় দ্বিতীয় দল টি ইচ্ছেকরে নামে না)
তাই খেলায় যেহেতু
রেফারিরও বিপদ থাকে তাই রেফারিকেও বাধ্য
করতে হয় বল স্যুট করতে। এখন চিন্তার বিষয় কীপদ্ধতিতে রেফারিকে বল স্যুট করতে বাধ্য
করা যায়। পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হল , আমরা উভয়ে মিলে কয়েকটি বল বানাব যা
দেখতে আসল বলের মতই হবে। বলগুলোকে টাকা নামক কৃত্তিম মেশিন দিয়ে স্যুট করবো রেফারির গায়ে, আর রেফারি রেগে গিয়ে স্যুট করবে বলের গায়ে। আর তখনই খেলা শুরু হয়ে যাবে।
তবে এবারের খেলায় স্ট্রাইকার হবে ভারত আর আমেরিকাকে থাকতে হবে গোল কিপারে। তবে
একটা কথা মনে রাখা আবস্যক খেলায় খেলোয়াড়রা মজা পেলেও বল আর ভেনুর অবস্থা কিন্তু
খারাপ হয়ে যায়। তাই ভেনুর ইজারাদার ভেনুর মুল মালিকের ভয়ে ভেনু দিতে রাজি হয়না।
তাই ইজারাদারকে এই বলে আশ্বস্ত করাহয়, চিন্তা করনা খেলা শেষে ভেনুর এমন দশা হবে যে
মুল মালিকের উপযগী থাকবেনা ,এটা তোমারই হয়ে যাবে। কিন্তু খেলা শেষে ইজারাদার ভেনুর
মালিক হবে এ আসাই অনেক খেলা হলেও ,খেলা শেষে দেখাযায় ভেনুর মালিক হয় বিজয়ী দল!!!
বা অন্য কাউকে এ নে মাকিকানা দেওয়া হয়।
এরকম একটি খেলা হয়ে
ছিল.১৭৫৭ সালে, যখন ভেনুর মুল মালিকানা ইজারাদারকে দেওয়া হলেও শেষমেশ বিজয়ী দলই ভেনুর মালিক হয়ে যায়। আর একটি খেলা
হয়ে ছিল ১৯১৭ সালের দিকে, যখন অন্য একটি খেলয়াড়কে বিজয়ী দল ভেনুর মালিকানা দিয়ে দয়ে । আজও যে খেলা চলছে ফিলিস্তিন নামক ভুখন্ডে। তাই আমাদের এই সবুজ স্যামল মাঠে
এখনই খেলা বন্দ করতে না পারলে , মাঠ একবার কর্দমাক্ত হয়ে গেলে , ঘাস জন্মাতে
কতদিন লাগবে আল্লাই ভাল জানেন!!!

Post a Comment