Header Ads

imran

অমুসলিমদের বিবাহ

অমুসলিমদের বিবাহ!
আজ আমাদের আলোচ্য বিষয় অমুসলিমদের বিবাহ , 
বিষয়টিতে দুইটি অংশ রয়েছে, একঃঅমুসলিম ,দুইঃবিবাহ,
আর বিষয় দুটির মধ্যে কানেক্ট করা সম্ভব কী না।
বিবাহ শব্দটি পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীন আর গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। প্রাচীন এ জন্যে যে সম্পর্কটি স্থাপন হয়েছিল পৃথিবীতে মানব সভ্যতা আসার পূর্বেই জান্নাতের মধ্যে,আদম ও হাওয়া (আঃ) এর মাঝে , আর সম্পর্কটি স্থাপন করে দিয়েছিলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তারা আল্লার ইচ্ছায় পৃথিবীতে আসলেন,আর ইচ্ছাটি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ব্যক্ত করেছিলেন ,ফেরেস্তাদের মধ্যে; অইজ কবলা রাব্বুকা লিল মালাইকাতি ইন্নি জায়িলুং ফিল আরদি খলিফা। অর্থাৎ আমি পৃথিবীতে আমার প্রথিনিধি পাঠাতে চাই। আর আদম ও হাওয়া (আঃ) পৃথিবীতে আসলেন আল্লার ইচ্ছায়। তারা পৃথিবীতে আসলেন তিনটি দায়িত্ব নিয়ে.১) মানব সভ্যতার বিকাশ, ২) পৃথিবিকে মানুষের জন্যে বসবাস উপযোগী রুপে গড়ে তোলা ,৩)এবং পৃথিবীর সকল মানুষ যেন তাদের স্রষ্টার ইবাদাত করে এ ব্যাপারে দায়িত্ব পালন করা।
আমরাও একই দায়িক্তানুভুতি বহন করি।পৃথিবীতে মানব সভ্যতার বিকাসের প্রথম ধাপ হলো বিবাহ।আর এ ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রি নির্বাচনের ব্যাপারে রয়েছে ইস্লামের সুস্পষ্ট নির্দেশনা। পাত্র বা পাত্রিকে হতে হবে সৎ ,তাকবয়া বান,নিষ্কলুষ চরিত্র , এরকম অনেক গুনাবলী, তবে আমাদের আজগের আলোচ্য বিষয় , অমুসলিমদের বিবাহ। 
আর এ ব্যাপারে নির্দেশনা এসেছে মহাগ্রন্থ আল-কুরানে, সুরা আল-মায়েদা ৫ নং আয়াত,ওয়াল মুহসানাতু মিনাল মু'মিনাত ,ওয়াল মুহসানাতু মিনাল লাযিনা উতুল কিতাবা মিংকাবলি কুম ইজা আতাইতুমুহুন্না উজুরা হুন্না মুহসিনিনা গাইরা মুসাফিহিনা,ওয়ালা মুত্তাখিজিনা আখদান।
অর্থাৎ তোমরা যদি মুসলিমদের মধ্য থেকে পাত্রি নির্বাচন করতে চাও তাহলে সৎ ও নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারি পাত্রি নির্বাচন করবে।আর যদি অমুসলিমদের মধ্য হতে পাত্রি নির্বাচন করতে চাও তবে তারাও হতে হবে সৎ ও নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারি ,হতে হবে আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে। আর এ ক্ষেত্রে সর্ত হলো তোমরা তাদেরকে মহরানা প্রদান করবে,বিবাহ হতে হবে  সৎ উদ্যেশ্যে,খারাপ আর জৈবিক চাহিদা পুরনের উদ্দেশ্যে হবেনা।এ ক্ষেত্রে বিবাহ পূর্ববর্তী সময়ে গোপন সম্পর্ক ও থাকতে পারবেনা।
আয়াততির ব্যাখায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রঃ) বলেন,উক্ত অমুসলিম মহিলা মুসলিম রাস্ট্রের প্রজা হতে হবে।দারুল হারব বা কুফরি রাষ্ট্রর প্রজা হবেনা ।
আর ইমাম শাফেয়ী (রঃ) বলেন,তারা কার দাসী হবেনা ।
আর ইমাম আবুহানিফা (রঃ) বলেন,তারা ইসলামী রাষ্ট্রের প্রজা হতে হবে,কন কুফরি রাষ্ট্রের মুহসিন মহিলাকে বিবাহ করা মাক্রুহ ।
আর হযরত ওমর (রাঃ) বলেন,এখানে মুহসিনা বলতে,সৎ ও নিষ্কলুষ চরিত্রের ওধিকারিকে বঝানো হয়েছে। উল্লেখ্য কোন মুসলিম মহিলাকে কোন অবস্থায় অমুসলিম পুরুষের সাথে বিবাহ দেওয়া যাবেনা , শুধুমাত্র  মুসলিম পুরুষের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য।
আর ইহুদি ও খ্রিস্টান ছাড়া অন্যান্য জাতি যারা মুশরিক, যেমন, হিন্দু, বৈধ্য, জৈন  এ দের সাথে বিবাহ সম্পর্ক নিষিদ্ধ।
এ ব্যাপারে নির্দেশ এসেছে,সুরা আল-বাকারা ২২১ নং আয়াত, আল্লাহ তায়ালা বলেন , ওয়ালা তাংকিহুল মুশরিকাত হাত্তা ইউমিন্না ওলাআমাতুম ম'মিনাতুন খায়রুম মিম মুশরিকাতিন ওলাও আজাবাতকুম।ওলাতাংকিহুল মুশরিকিন হাত্তা ইউমিনু ওলা আব্দুম ম'মিনুন খায়রুম মিম মুশরিকিন ওলাও আজাবাত কুম।
কোন মুমিন পুরুশ কোন  মুশরিক মহিলাকে বিবাহ করবেনা যতখন না সে ঈমান আনে, যদিও তাদের  সৌন্দ্রয , সম্পদ আর সম্মান তোমাদেরকে আকর্ষণ করে।তবুও এক জন মুসলিম দাসি তোমাদের জন্য উত্তম।
ওনুরুপ ভাবে কোন মুসলিম মহিলা কোন মুশরিক পুরুশ কে বিবাহ কোরবে না যতখন না সে ঈমান আনে, যদিও তাদের সৌন্দর্য ,সম্পদ আর সম্মান তোমাদের আকর্ষণ করে , তবুও একজন মুসলিম দাস তোমাদের জন্যে উত্তম। তবে উভয়  ক্ষেত্রেই শর্ত হলো, পাত্র বা পাত্রি সৎ আর নিষ্কলুষ চরিত্রের ওধিকারি হোতে হবে।
কিন্তু সমস্যা হলো একজন মানুস সৎ আর নিষ্কলুষ চরিত্রের ওধিকারি কী না তা আমি কী ভাবে বুঝব?
এ ব্যাপারে ইসলামিক কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে ,এ ছাড়াও মুসলিম বিশেষজ্ঞ গনও কিছু মতা মত দিয়েছে। তার পারিবারিক খোজ খবর নেয়ার ব্যাপারে সময় নেয়া , তাদের পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ব্যাপারে খোজ খবর নেয়া ,বিশেষ করে পাত্র বা পাত্রির জীবন বৃত্তান্ত বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা। তবে পূর্ব থেকেই জানা সুনা থাকলে ভাল হয়।
তবে যেকোন জিনিষ যাচাই বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা দুটি পদ্ধতি ব্যাবহার করতে পারি।
 1)conformity system  2) negative system

কোন মন্তব্য নেই