সবকিছুর দামই বাড়ছে , কোনটার কথা রেখে কোনটার কথা বলি , খেটে খাওয়া মানুষের সাধ্যের বাইরে চলেছে খাবারের দাম, চিন্তার জগত ঝাপসা হয়ে আসছে , অসহায় মানুষের সংখ্যা বাড়ছে , জীবিকার সন্ধানে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে অসৎ উপায় বেছে নিচ্ছে , অবিশ্বাস বাড়ছে আর মনুষ্যত্ব কমছে, মানুষে মানুষে সম্পর্কের সেই চির চেনা রুপ ফিকে হয়ে যাচ্ছে, পুরুষের দায়িত্ব নেয়ার ক্ষমতা কমছে , তাই পরিবারে অশান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে, এগুলো সবই পরিকল্পিত, মোনে আছে ছোট বেলার কথা ? আমরা ছোট পরিবারের গুরুত্ব , উপকারিতা স্বাদ , মজা, চাহিদা, প্রয়োজন কত কিছু পড়েছি , আজ সেই ছোট পরিবার ছোট হতে হতে এত ছোট হবে তা কল্পনা করতে পারিনাই , কেউ এখন আর পিতা- মাতার দায়িত্ব নিতে চাছেনা। এটা এখন খুবই সাভাবিক, সেটা এখন পরমানুর নিউক্লিয়াছে সংক্রমন ধরিয়েছে , তাই অহ রহ সংসার ভাঙ্গা শুরু হয়েছে। তবে মুসলিম পারিবারিক আইনের বাইরে যেতে নাপারার কারনে এখন বিবাহ বন্ধন টিকে আছে। তবে তাও ইলিশের স্বাদের মত ছাপ্সা হয়ে আসছে , নারী ও পুরুষের মাঝে বিবাহের আকর্ষণ কমে যাছে , এটা অবশ্য জোর করে করান হছে , ১৮ আগে বিয়ে করার উপায় নেই , আইনে এটা অপরাধ!!!! আর ছেলে মেয়ে ১৮ পেরিয়ে ৩০ ,৩৫ হলেও বিয়ে করার ক্ষমতা হারাছে কারন তখন তার বিবাহের দায়িত্ব পিতা মাতা নিতে পারছে না করন ততদিনে তারা বারধক্যে সহস ও ক্ষমতা হারাছে, ছেলেকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নেজের পছন্দে বিয়ে করতে হছে , স্ত্রি স্বামীকে সব প্রয়োজনের পুরন কারি হিসেবে পেয়ে শ্বশুর শাশুড়ির প্রোয়োজনিয়তা বুঝতেই পারছেনা। শহরে একক পরিবারে মনমালিন্যের মধ্যস্তকারী না থাকায় এক দিনের সামান্য দ্বন্দ্ব দুই তিন দিন গড়িয়ে মহিরুহে পরিনত হছে, কে কাকে বোঝাবে ! আবার যারা ধৈর্যধরে সংসার করছে , তাদের অন্য বিপদ আছে , স্বামী -ইস্ত্রির একটি মাত্র সন্তান অতি আদরে লালন করছে , তার দুষ্টুমিতে ও আনন্দ পাছে , বুঝতে পারছেনা , এই ছোট শিশুর দুস্টুমি ধীরে ধীরে বড় হবে।এক সময় এঈশিশু আর হাসবেনা , তাদের থেকে বিছিন্ন হয়ে স্ত্রি নিয়ে একক সংসার করবে, তারও হয়ে পড়বে তাদের পিতা মাতার মত অসহায়। এভাবে পারি বারিক বিছিন্নতা সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় পরিনত হচ্ছে, কেউ কার মায়া বুচ্ছেনা , তাই ওই শিশু পিতা মাতার মায়া হারিয়ে মায়াহীন এক পাথুরে স্বামীতে পরিনত হচ্ছে । যার কাছে ভালো বাসার চেয়ে অর্থের গুরুত্ব বেশী হয়েযাচ্ছে। তাই সংসার তার কাছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী কিছুই ন্য। তাই চাহিদার কাছে সংসারের প্রয়োজনীয়তা কমে যাচ্ছে। এভাবে যদি সংসারের প্রয়োজনীয়তা কমা শুরু করে তাহলে আমাদের সংসার অচিরেই পশ্চিমা দের মত হয়ে যাবে । এ আওয়াজ শুরু হয়েছে বাংলাদেশের প্রশাসন বলা শুরুকরেছে একজন মেয়ে ও একজন ছেলে ১৮ আগে বিয়ে করতে পারবেনা ঠিকই কিন্তু তারা দুজন সম্মত হলে শারীরিক সম্পর্ক করতে পারবে। আমাদের পাশের দেশ ভারত তো আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেছে , এক জনের বঊ বা স্বামী অন্য একজনের স্ত্রি বা স্বামীর সাথে পরকীয়া সম্পর্ক করলে ভারতীয় আইনে এটা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না । প্রতি বেশী এই বন্ধু রাষ্ট্রের কুসভাব অচিরেই আমার দেশে দেশি আমদানি হবে। অসংখ্য পুরুষ আজ বাড়িতে বউ রেখে বিদেশে পাড়ি জমিয়ে সে পরিবেশ আবশ্যক করে তুলছে। নারীকে স্বাবলম্বিতার নামে অন্য পুরুষের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে। যার চিত্র বাংলাদেশে খুবই সাভাবিক, সম্প্রতি থানায় নারী ও পুরুষ পুলিশের কান্ড সবারই জানা। মি টু আন্দোলনের সুবাদে আমরা জেনেছি বিশ্বের সব রাস্ট্রেরই একই অবস্থা। এমনকি জানি সঙ্ঘের নারী কর্মকর্তা রাও একই দাবি করেছে। এভাবে নারীকে পুরুষের জন্যে সহজ লভ্য করা হচ্ছে । নারীর অসহায়ত্ব আর নিরমম হচ্ছে। কী করবে সে তার গর্ভের সন্তানের দায়িত্ব কে নিবে? আধুনিক প্রযুক্তির সহযগিতায় এর থেকে নারী মুক্তি পেলেও পৃথিবীর আলো বাতাস দেখার অপেক্ষায় থাকা মানব সন্তান গর্ভ থেকেই পরপারে পাড়ি জমাচ্ছে। এভাবে নির্মমতার দুর্গন্ধ সমাজকে এক বিষাক্ত পরিবেশ উপহার দিচ্ছে, তাই মানুষ বাচাবার বিভিন্ন প্রযুক্তি আবিস্কার হলেও মানুষ মারার প্রযুক্তি বেশী এগিয়ে । মানবতার প্রতি মনুষ্যত্বের দায়িত্ব হারিয়ে আবিস্কার হচ্ছে পারমানবিক বোমা, হাজার হাজার কি.মি. পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র । মানুষ মারার যন্ত্র, এটা আজ গর্ভের বিষয় , এটা আজ ক্ষমতার নিদর্শন । বুদ্ধিমত্তার পরিচয়, শাসন খমতার উৎস , সমস্যা জালের মত ছেয়ে গেছে দেশে দেশে, কেউ এই ব্যাবস্থা থেকে বাচার উপায় যানেনা । কিন্তু এই মহা বিশ্বের স্রষ্টা কী বলে ? সেখানেঊ আমরা দিশাহারা , তার পাঠান ধর্মের রয়েছে নানা ব্যাখ্যা নানা জাত , উপজাত্ এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের যুদ্ধ , একই ধর্মের নানা মত কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল কে বলবে ? তাই মাঝখানে এসে হাজির ধর্ম নিরপেক্ষতা বাদ, শ্রস্টার সাথে বিদ্রহ কারি বান্দারা দেশে দেশে গড়ে তুলেছে এক অশান্তির বিশ্ব , যে তার সৃষ্টির উৎস কে স্বীকার করেনা সে কী নিজেকে বিশ্বাস করে ? যে তার নিজেকে বিশ্বাস করেনা সে কীভাবে অন্যকে বিশ্বাস করবে ? বা অন্যরা কেন তাকে বিশ্বাস করবে ? এই অবিশ্বাসের মহাদুরবিক্ষকে বিদায় করতে না পারলে মানুষের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে না । মানুষ একে অপরের প্রতি দায়িত্ববান হবেনা। নিজে না খেয়ে অন্যকে খাবার দিবেনা। নিজের সন্তান কে ভালো বাসলেই না অন্যে সন্তান দেখলে মায়া হবে । শিশুর প্রতি ভালো বাসা থেকেই জন্মনিবে ভালো বাসার প্রিথিবী , এশিশুই পারে স্বামী - স্ত্রীর মাঝের বন্ধন টিকাতে , অফুরন্ত ভালো বাসায় গড়েওঠা শিশুই পাব্রে পিতা-মাতাকে ভালবাসতে ।আগে আমাকে ভালো বাসতে হবে আমার স্রষ্টাকে , তাহলেই আমার থেকে সৃস্ট আমাকে ভালো বাসবে, । এভাবেই ভালো বাসতে শিখবে তার থেকে সৃস্টকে। এভাবেই সৃস্টি করতে পারি স্রস্টা ও সৃস্টির মাঝে দায়িত্ব বোধের এক অপার্থিব বন্ধন। তারই রহমে গড়ে উঠবে ভালোবাসার পৃথিবী। আমরা এখানে শুধুই গবেষক ,শুধু তার গোলামী করাই আমাদের কাজ। মানবতার সেবা তারই নির্দেশ ।
Post a Comment