Header Ads

imran

গানের সমারহ

 

 

. আল্লার ভালোবাসা

কথা: শহীদুল্লাহ্ হীল গালিব
সুর: মশিউর রহমান

আল্লাহর ভালোবাসা যদি তুমি পেতে চাও
রাসুলের অনুসরণ পদে পদে করে নাও।।

তাক্ওয়ার শর্ত তো জ্ঞান অর্জন
তবেই তো ভয় আসে পাবে মার্জন,
কুরআনের বাণী গুলি
বেশি বেশি পড়ে নাও।

নাজাতের ভাবনাটা সামনে এনে
তওবার পদ্ধতি মেনে মেনে।

মালিকের কাছে তুমি ক্ষমা চেয়ে নাও
অনুতাপে বারে বারে অশ্রু ঝরাও
গভির নিশিতে যেগে
একা একা কেঁদে নাও।

 

. গান: মানুষ হবো সবার সেরা | Manush Hobo Sobar Sera
কথা ও সুর:- রাআদ ইজামা

করবো না পাপ কোনো মতে
জীবন হবে আলোয় ঘেরা
থাকবো মুস্তাকিমের পথে!
মানুষ হবো সবার সেরা
.
প্রতি ক্ষণে আল্লাহ তায়ালার
স্বরণ রাখবো আমার মনে,
আযাযীলের প্ররোচনা
ঠাই দেবো না মনের কোণে
ছড়িয়ে দেবো দ্বীনের আলো
সেই আলোতে হাসবে ধরা
.
ধারণ করবো মনের মাঝে
আল কোরানের অপার আলো
আলোর পথের পথিক হবো
যে পথে নেই আঁধার কালো
মন্দ কাজকে পায়ে পিষে
গড়বো ভালোর বসুন্ধরা

 

 

  . গান: সূর্য উঠার পরে যদি । ‍Surjo Uthar pore Jodi
কথা ও সুর:- শুয়াইব বিন হাবিব

সূর্য উঠার পরে যদি ভাঙে তোমার ঘুম
ছুবহে সাদিক ভোরের পাখির পাবে না তো চুম
মুয়াযযিনের মধুর সুরে না দাও যদি সারা
দেখবে না তো নিত্য নতুন দৃশ্য নজর কাড়া
জাগুক পাখি ভাঙুক তোমার শিতল হাওয়ার ঘুম
আসসালাতু খইরুম মিনান্নাউম

রাত্রি জেগে জেগে তুমি ঘুম কেড়ো না চোখের
তাইলে রোগে ভুগতে হবে আসবে রে দিন দুখের
মনে রেখো ঘুমের জন্য রাত দিয়েছেন আল্লাহ
শান্তি পাবে হালকা হবে মনের বোঝার পাল্লা
যাওরে শুয়ে তাড়াতাড়ি জাগতে ভোরে বিছান ছাড়ি
তবেই পাবে খোদা তায়ালার নিয়ামাতের ধুম

শেষ রাত্রে যেগে উঠো থেকো না আর শুয়ে
পাক পবিত্র হয়ে পড়ো খোদার কাছে নুয়ে

রাতের শেষে খোদার পানে দাড়াও জায়নামাজে
খালেস দিলের সকল চাওয়া আসবে তোমার কাজে
কমল হৃদে মধুর সুরে পড়ো রে পাক কুরআন
জান্নাতেরই সুঘ্রাণ পাবে তৃষ্ণিত এই পরান
গভীর রাতের ইবাদাতে সয়ং খোদা থাকেন সাথে
এই রহমত পাওয়া থেকে হইয়ো না মাহরুম

 

. গান: রিমঝিম ঝিম বর্ষা Rim Jhim Jhim Borsha
কথা ও সুর:- সাইফুল আরেফিন লেলিন

রিমঝিম ঝিম বর্ষাতে
উঠোন বাড়ি স্যাতসেতে
পুকুর ডোবায় ব্যাঙের ডাক
মদন ঘুমায় ডাকিয়ে নাক।।

ইলিশ ভাজির সুগন্ধে
লাল পড়ে যায় অজান্তে
যদি হয় ব্যাড হেডেক
বাতাবি লেবু খান দুয়েক।।

সৃষ্টি ছাড়া বৃষ্টিতে
যদি পড়েন সর্দিতে
কিংবা জ্বর ও কাশিতে
মুক্তি পাবে নিশ্চিতে
সরষে তেলের সোহবতে।।

ড্রেসাপ রেডি ফুলভাই সাব
একগাদা ব্যস্ততা বাপরে বাপ
যেইনা নামে ঝুপ ঝুপ ঝাপ
ব্যস্ততা সব থাক পড়ে থাক।।

 

. গান: এন্ড্রোয়েড ফোন । Android Phone
কথা ও সুর:- শফিক আদনান

সবার মুখেই শুনি
ডাক্তার নাকি ইঞ্জিনিয়ার
কোনটা হবে তুমি
কি হবে ভাই বড় হলে
মা বাবার আদর না পেলে
যাকে পেলে আব্বু আম্মু
থাকে হাসি খুশি
সেই এন্ড্রোয়েড ফোন হয়ে
থাকবো পাশাপাশি
.
আমার যখন খুধা পায়
আম্মু থাকে ব্যস্ত
চার্জ ফুরালেই এন্ড্রয়েডের
চার্জ দিতে অভ্যস্ত
আমার চেয়ে অনেক প্রিয়
হয় যদি তা বেশি-
.
অনেক কাজের মাঝেও বাবার
হাতে থাকে ফোন
আমার কথা দিব্বি সে
ভুলে যায় এখন
আমার জায়গা নিয়েছে
এন্ড্রয়েড সর্বনাশী
.
আমার যখন কান্না পায়
আম্মু দেয় ঝাড়ি
এন্ড্রয়েডে রিং বাজলে
দৌড়ায় তাড়াতাড়ি
আদর সোহাগ ভালোবাসা
পায় সে দিবানিশি

 

. গান: হাসি মুখের সদকা Hasi mukhe sadka
কথা:- মল্লিক মাহমুদ
সুর:- আবু রায়হান

হাসি মুখে বললে কথা
সদকা আদায় হয়,
হৃদয় জুড়ে ফেরদাউসের
হিমেল হাওয়া বয়।।

ফুলের মতো সুবাসিত
হলে আচরণ
খুব সহজে জয় করা যায়
সব মানুষের মন।
স্বপ্ন নদীর স্রোতধারা
থাকে গতিময়।।

সারাদিনের কাজগুলো ভাই
হয় যে পরিপাটি
আমলিয়াত শুদ্ধ থাকে
ঈমানটা হয় খাঁটি
দুচোখ জুড়ে ভাসতে থাকে
হেরার পথের নূর
সেই নূরেরই পরশ পেয়ে
কষ্ট যে হয় দূর।
অশেষ অপার রহমধারা
ঢালেন দয়াময়

 

.গান: বুলবুলি । Bulbuli
কথা:- আনোয়ারুল ইসলাম
সুর:- গোলাম মাওলা

বুলবুলি তুই কোথায় পেলি
মন মাতানো এমন সুর
আকুল হৃদয় ব্যকুল করিস
কার সে নামে দিন দুপুর ।।

কার আদেশে মিষ্টি গানে
জাগাস দোলা রিক্ত প্রাণে
তাই বুঝি তুই সে নাম জপে
মনের আধার করিস দুর ।।

আল্লাহ তুমি মাখলুকাতের স্রষ্টা
মরণ কালে আহসান দিও
ক্ষমা করে কাছে নিও
ওগো মহান দ্রষ্টা ।।

সাজ সকালে বারে বারে
ঝড় তুলে যাস সুর বাহারে
ঐ নামে তে উথলে ওঠে
পরান নদী সমুদ্দূর।।

 

 

. গান: মোহাম্মদের দল Mohammader Dol
কথা: নূরুজ্জামান শাহ্
সুর: রবিউল ইসলাম ফয়সাল

মোহাম্মদের দল ঢুকেছে বুড়ির মনে ভয়
মক্কা ছেড়ে পালায় বুড়ি কখন কি যে হয়।।

যুবক বলে ও বুড়ি মা
কোথায় তুমি যাও
তোমার কাঁধের বোঝাটুকু
আমার কাঁধে দাও
ভালোই হলো বুড়ি এবার
শক্তি পেলো পায়
জীবন বাঁচার তাগিদে সে
রুদ্ধশ্বাসে ধায়
চলো বাবা জলদি চলো
জেরার সময় নয়।।

যুবক যে সেই মরুর দুলাল
বুড়ি কী আর জানে
যার ভয়ে সে পালিয়ে যায়
সেই বোঝা তার টানে!

পৌঁছে দিয়ে যুবক বলে
এবার আমি যাই
বুড়ি বলে তুমি কে বাপ
জানতে শুধু চাই
মোহাম্মদের নাম শুনেছো
আমি হলাম সেই
আজকে আমার কারোর প্রতি
কোনোই বিরাগ নেই
কথা শুনে ভাঙলো
বুড়ির সন্দেহ সংশয়।

 

 

. গান: রাজার প্রজা । Rajar Proja
কথা ও সুর: রাআদ ইজামা

আমি রাজার প্রজা, থাকি সরল সোজা
অন্তরে আছে মোর সে রাজার ভয়
তার গোলামীতে হোক এ জীবন ক্ষয়

আমি মুক্ত থেকেও তারে ডাকতে পারি
দুখের বোঝা তাতে হয়না ভারী
এই বুকের ভিতর, এক স্নেহের চাঁদর
এ চাঁদর জড়িয়েছে সেই মহোদয়

আমি রাজার আদেশ মেনে চলতে থাকি
কোনো কাজে কভু/তাঁর দেই না ফাঁকি
তাই চাই যে আমি, রাজা দিবসযামী
আমার উপরে যেন খুব খুশি রয়

আমি ভুল করলেও ক্ষমা করে সে আমায়
এমন রাজা বলো কোথা পাওয়া যায়
এই চিন্তা করে, আমি হৃদয় ভরে
তার গুনগানে করি সুখ সঞ্চয়

 

 

১০. গান: হরেক রকম সৃষ্টি Horek Rokom Sristi
কথা ও সুর: মিজান আর রায়হান

হরেকরকম সৃষ্টি দেখে
মন ভরে যায় প্রভু
তোমার দেয়া নেয়ামতের
(
আমি) হিসেব করিনি কভু।

লাঠিতে ভর করে হেঁটে চলা ঐ লোক
একটি পা নাই তার
আমার আছে দুটি চলতে লাগেনা খুঁটি
সেও তো রহম তোমার।
তবুও অবুঝ মন ভাবেনা অনুক্ষণ
পথ ভুলে চলি শুধু।

পাখির কুহুতান জীবনের এই গান
কিছুই শুনেনা বধির
বোবার মনের ব্যথা বলতে না পারে কথা
শুনে সব হয়ে সে অধীর।

লাঠির ঈশারাতে চলে পথে ঘাটে
একটিও চোখ নাই তার
আমার আছে দুটি সুখেই চলি হাঁটি
সেও তো রহম তোমার।
তবুও অবুঝ মন ভাবেনা কিছুক্ষণ
পথ ভুলে থাকি শুধু।

 

১১. গান: ষড় ঋতুর দেশ
কথা: রফিক উজ্জামান
সুর: খন্দকার নুরুল আলম

গ্রীষ্ম বর্ষা
শরৎ হেমন্
শীত বসন্ত
ছয়টিপাখি ছয়টি রূপে এসে বাংলাদেশ
ছয়টি রূপে এসে বাংলাদেশে
ছয়টি সুরে করে ডাকাডাকি

রোদে পুড়িয়ে হাওয়ায় উড়িয়ে
গ্রীষ্ম এসে কয়
নতুন পথে চলতে হবে
ভাঙিয়ে দিলাম ভয়
বৃষ্টি নুপুর পরে বর্ষা এসে
মেঘের কাজল দিয়ে সাজাই আঁখি।

নদীর দুটি কুল সাদা সাদা ফুল
দুলিয়ে কাশের বন
শরৎ পাখি ঘরে আসা
জানাই নিমন্ত্রণ
ধানের ক্ষেতে সোনার ফসল দোলে
পড়ায় হেমন্তকে সোনার রাখি।

গুড়ি গুড়ি বায় হিমের কাঁথা গায়
দাঁড়িয়ে কুয়াশায়
পাতাঝরা শীতের ছোঁয়া
কাঁপিয়ে দিয়ে যায়
ফুলের মেলায় এসে বসন্তরাজ,
রঙে রূপে করে মাখামাখি।

 

১২. গান: রক্ত মাখা বর্ণমালা
কথা: হেলাল আনওয়ার
সুর: গোলাম মাওলা

আমার দেশে
ফাগুন আসে রক্ত রাঙা
ফুলের বেশে
সেই ফাগুনের আগুন বুকে
কাঁদে আমার মা
রক্ত মাখা বর্ণমালা
ভুলতে পারে না।।

এই ফাগুনে ফোটে যখন শাখাভরা ফুল
মায়ের ভাষায় স্বপ্ন আশায় খুশিতে মশগুল
আমি তখন চেয়ে দেখি
জলে ভরা মায়ের আঁখি
শিমুল জবা রক্ত চূড়া
কি সব ছলনা।।

কোমল হাতে শীতল প্রাতে তুলি দুটি হাত
বর্ণমালা আনলো যারা দাও প্রভূ নাজাত।
যারা দিলো মুখের ভাষা
দিলো প্রাণে স্বপ্ন আশা
রাখো সুখে ঐ পারেতে
করি কামনা।।

 

 

 

 

১৩. গান: মুচকি হাসির হাসনাহেনা
কথা: বিলাল হোসাইন নূরী
সুর: লিটন হাফিজ চৌধুরী

মুচকি হাসির হাসনাহেনা
ফোটাও তোমার মুখে
তার সুবাসে জীবন তোমার
ভরবে অথৈ সুখে

মুচকি হাসির ঘ্রাণে-
খুশির খবর যায় ছড়িয়ে
হাজার কোটি প্রাণে
ভালোবাসার রঙিন সুতোয়
যে হাসিটা দোলে
সে হাসিটা দিতেও পারে
অনেক বিপদ রুখে।

মুচকি হাসি অসীম অপার
সদকা হয়ে যায়
শুভ্র মেঘের ভেলার মতো
সোহাগ বয়ে যায়।

মুচকি হাসির প্রেমে-
আকাশ থেকে জোছনা মুখি
চাঁদও আসে নেমে
মনের মোহন মায়ার চিঠি
যে হাসিটা খোলে
সে হাসিটা সাহস যোগায়
দুকূল ভাঙা দু:খে।

 

 

 

১৪. গান: লাল সবুজের দেশ
কথা: জাকারিয়া আল হোসাইন
সুর: গোলাম মাওলা

কোথায় পাবে বলো এমন
লাল সবুজের দেশ
মন মাতানো পরিপাটি
শ্যামল বরণ কেশ।
রবের দেয়া সে যে আমার
প্রাণের বাংলাদেশ।

আজান শুনে হয় যেখানে
রোজ সকালের ভোর
পাখপাখালির কলতানে
খোলে সবাই দোর।।
শিশির ভেজা দূর্বাঘাসও
দারুণ পরিবেশ।

নদী নালা খাল বিলেতে
নানান স্বাদের মাছ
প্রাণ জুড়ে যায় পাহাড় দেখে
হরেক রকম সাজ।।

শাপলা বেলী জুঁই-চামেলি
সুবাস ভরা ফুল
রূপ লাবণ্য ভালো লাগায়
নেই যেন তাঁর তুল
সকল দেশের রানী সে যে
জানে দেশ-বিদেশ।

 

১৫ গান: বাবা মানে হাজার বিকেল
কথা ও সুর: তাসনীম সাদিয়া

বাবা মানে হাজার বিকেল
আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে
পুতুল পুতুল খেলা
বাবা মানে কাটছে ভালো
যাচ্ছে ভালো দিন
বাবা মানে জমিয়ে রাখা
আমার অনেক ঋণ

আমি যতই এলোমেলো ভুলের অভিধান
বাবা তুমি সময় মত সহজ সমাধান
জীবনের টানাপোড়েন কিছুই না জানি
আমার গানের স্বরলিপি তোমার মাঝেই খুঁজি
বাবার কাছে হইনা কাল আমি কোনদিনই
বাবা ডাকে আদর করে আমায় সোনামণি

বাবা মানে অনেক চাওয়া বাবা মানে অনেক পাওয়া
বাবা মানে ছোট্ট শূন্যতা বাবা মানে অনেক পূর্ণতা

ছেলেবেলা হাতছানি দেয় আজও সকাল সাঝে
আমি বড় হইনি আজ বাবা তোমার কাছে
চিরদিন থাকবে বলো তুমি আমার সাথে
মা বলে ডাকবে বল সারা জীবন ধরে
বেলা শেষে তুমি আজও অনেক অভিমানে
কেউ না জানুক আমি জানি তোমার সোনামণি

 

 

 

১৬. গান: খাদিজার মতো যদি জীবন গড়ো
কথা ও সুর: আব্দুস সালাম

খাদিজার মতো যদি জীবন গড়ো
মা ফাতেমার মতো পাবে সন্তান
তোমার জীবন হবে আনন্দময়
আয়েশার মতো হও চরিত্রবান।।

বেদ্বীনের রঙে রাঙিও না জীবন
কোরআন হাদিস করো তোমার আপন
তোমার নিজেকে সঁপো দ্বীনের তরে
তোমার আপন হবে আল্লাহ মহান।।

লালোসার পানে কভূ বাড়িও না হাত
রাবেয়ার মতো তুমি কর ইবাদাত
গাজালির মতো যদি জীবনটা হয়
দোজাহানে পাবে তুমি পাবে সম্মান।

 

১৭. গান: মাছরাঙ্গা
কথা ও সুর: আব্দুস শাকুর তুহিন

মাছরাঙ্গা দেখেছো কি রঙ্গিন ডানা ?
উড়ে উড়ে রঙ্গিন ডানা মেলে।
কিছুক্ষণ তাক করে
পড়ে জলে ঝপ করে
একটি করে মাছ ধরে ফেলে।

তুমিও ঠিক তেমনি করে
একটি করে পাপ ধরে ধরে
ছুঁড়ে ফেলো অনেক দূরে
পাপের বোঝা ভারী হয়ে গেলে।

মনের কোনে যদি শয়তানী সুর
রিনিঝিনি রিনিঝিনি বাজায় নুপুর,
বাবুই পাখির মতো জোনাকী ধরো
দেখবে আলোয় ভোরে গেছে মনপুর।

কাকের মতো করে ময়লা কুড়াও
জীবন থেকে সেসব উড়াও উড়াও।
সজীব সতেজ হবে মনের যমিন
ঐশী বাতি যদি দাওগো জ্বেলে।

 

 

১৮. গান: এই ধরণীর স্রষ্টা যিনি
কথা- তৌহিদুজ্জামান
সুর এস এম মঈন

এই ধরণীর স্রষ্টা যিনি
মহান প্রভু আল্লাহ
প্রথমে তার শোকর যপি
আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ

কোন কাজ করতে শুরু
বলি বিসমিল্লাহ
প্রতিশ্রুতি থাকলে কাজের
বলবো ইনশাআল্লাহ
খুশির খবর শুনতে পেলে
বলো সুবহানাল্লাহ

কারো জন্য করতে দোয়া
ফি আমানিল্লাহ
কৃতজ্ঞতা করতে জ্ঞাপন
বলি জাযাকাল্লাহ
দু:খের খবর শুনতে পেলে
বলো ইন্না-লিল্লাহ

থাকলে খুশি কারো কাজে
বলো মাশআল্লাহ
কারো কথায় কষ্ট পেলে
মুখে নাউজুবিল্লাহ
সকল ভুলে তাওবা করি
আস্তাগফিরুল্লাহ

 

 

১৯. গান: একটি করে সুন্নাহ মানো
কথা: নাজমুল হক
সুর: মশিউর রহমান

একটি করে সুন্নাহ মানো জীবন চলার পথে
জীবন সাজাও ফুলের মতো আল্লাহ রাসুল মতে

সকল কাজের শুরুতে পড় বিসমিল্লাহ
খুশির খবর এলেই পড় আলহামদুলিল্লাহ
দরুদ পড় সব সময়ই
খোদার রহম পেতে।।

ধৈর্য্য ধরো বিপদ আসে যতো
ইন্নালিল্লাহ পড় সদায়
হয়ো নাকো নতো।।

ভালো কাজের উৎসাহে বলো মাশাল্লা
ভুল পথে পা বাড়ালে আস্তাগফিরুল্লাহ
তাওবা কর খোদার কাছে
পাপ মুছিয়ে নিতে।।

 

 

20 . গান: মুনাফিক
কথা: গাজী নয়ন ইসলাম
সুর: মশিউর রহমান

ওয়াদা দিয়ে কাজ করেনা
কথা রাখার ধার ধারে না
মিথ্যা যার কাছে যেন অতি স্বাভাবিক
সেইতো মুনাফিক, শোন সেইতো মুনাফিক ।

কেউ কখনো যতন করে রাখলে আমানত
খুব সাধারন তারই কাছে করে খেয়ানত
মিথ্যা ঘিরে থাকে যাহার কথার চতুর্দিক ।

কথার খেলাপ হয় যে তাহার কেবল বারে বারে
মিথ্যা এবং বরখেলাপি নিত্য ব্যবহারে

ওয়াদা করে ভঙ্গ করা স্বভাব বড়ই তার
কাজের সাথে মিল থাকেনা মুখের ব্যবহার
কথা রাখার ব্যাপারে যে নয়কো আন্তরিক ।

 

 

21. বর্ণমালার গান
কথা ও সুর: খান আতাউর রহমান

ক- এ কলা খ- এ খাই
এত বেশি খেতে নাই
গ- এ গরু ঘ- এ ঘাস
কত ঘাস খেতে চাস?
ঙ বলে কোলাব্যঙ সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ
22. ক খ গ ঘ ঙ ।।

চ- এ চোখ ছ- এ ছল
চোখ দুটো ছলছল
জ- এ জল ঝ- এ ঝিল
কত জল ঝিলমিল
ঞ বলে মিঞা ভাই ভয় নাই ভয় নাই
চ ছ জ ঝ ঞ ।।

ট- এ টুপি ঠ- এ ঠিক
হেরে গেলি ঠিকঠিক
ড- এ ডাল ঢ- এ ঢোল
ডাকে ঢোলে সোরগোল
তালু আর জিভে মিলে হল মূধণ্য ণ ।
ট ঠ ড ঢ ণ ।।

ত- এ তুমি থ- এ থামি
থামব নাকি আমি
দ- এ দাঁত ধ- এ ধার
কার দাঁতে কত ধার?
দাঁতে আর জিভে মিলে হল দন্তন্য ন ।
ত থ দ ধ ন ।।

প- এ পাপ ফ- এ ফল
রাজা গেল রসাতল
ব- এ বোন ভ- এ ভাই
কত বোন কত ভাই
ম- এ মাটি ম- এ মা
মাটি আমার মা
প ফ ব ভ ম ।।
য- এ যাবে র- এ রথ
রথ যাবে ছাড়ো পথ
ল- লাল ব- বাতি
জ্বলছেরে লালবাতি
তালব্য শ- এ বলে বেশি বেশি কেন নেবে ।
য র ল ব শ ।।

তালু আর জিভে মিলে
মুর্ধ্যণ-ষ
দাঁতে আর জিভে মিলে
হ্য় দন্ত-স
ষ-এ ষাড় স-এ সাত
পালা সাপ ওরে বাপ
ঝোপ বুঝে কোপটা মারব।।

হ-এ হাতি ড়-এ বড়
হাতি দেখ কত বড়
ঢ-এ ফোটা দিলে ঢ়
মধু বড় গাঢ়
-এ কুপোকা
মাৎ করে বাজিমা
অ আ চন্দ্রবিন্দু।।

 

23.  গান: ছোট্ট তাজা প্রাণ
কথা: আবু সালমান মুঃ আম্মার
সুর: গোলাম মাওলা

লা…..লা…..লা….লা……
আমরা শিশু কিশোর যারা
ছোট্ট তাজা প্রাণ
গানে গানে প্রভুর পথে
করবো আহবান ৷
তোমার রহম চাই যে শুধু
আল্লাহ মেহেরবান ৷৷

নিজকে গড়ে যাই এগিয়ে
শুধরে সকল ভুল
অসত্যের ঐ শিকলটার আজ
ভীত করি নির্মূল!
অহংকার আর হিংসা পোষণ
করে যে খানখান ৷৷

জ্ঞানের মহান সেই সে সুধা
করবো আহরণ,
বিনয়ী আর শালীন কোমল
করবো আচরণ ৷
তবেই প্রভুর রহম বারি
ঝরবে অফুরান ৷৷

 

24. গান: মহান রবের বন্দনা
কথা- আমিনুল ইসলাম
সুর- রবিউল ইসলাম ফয়সল

একটি পাখি বসলো ডালে ঘরের চালে
নাম শুনেছি চন্দনা,
দেখতে ভালো নয় তো কালো
গানের গলা মন্দ না,
গানে গানে করতে জানে
মহান রবের বন্দনা।

পাতার ফাঁকে মিষ্টি ডাকে
কী মধু ছড়ায়
সাগর-নদী পাড়ি দেবে
প্রভুর মহিমায়

একটি পাখি সুরে বলে উড়ে চলে
রাস্তা কভু বন্ধ না,
ডাকলে সে নাম আছে এনাম
খোশবু ছড়ায়, গন্ধ না,
গানে গানে করতে জানে
মহান রবের বন্দনা।

 

25. গান: গীবত
কথা ও সুর: আব্দুস সালাম

গীবত করা মানুষগুলো
সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর
ছড়িয়ে যাক ভালোবাসা
প্রাণ থেকে প্রাণ পরস্পর।।

আরেকজনের দোষ খুঁজতেই
ব্যস্ত সে যে সব সময়
নিজের দোষের পাইনা হদিস
মানবে না ভুল তার হয়
আরেকজনের নিন্দা করে
জিন্দা করে পাব যে তার।।

নিজের মতের মিল খুঁজতে
যারা থাকে একরোখা
তাদের চোখে তিনি চালাক
অন্যরা সবাই বোকা
দূর করে দাও মন থেকে সব
হিংসা গীবত অহংকার।।

26. গান: মাগো আমার জানা হলো না
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খাঁন

মাগো আমার অনেক কিছু
জানা হলো না
নীল পরী আর ডাইনি বুড়ি
ভালো লাগে না।।

সত্যি করে বলবে কি মা
রাতের আকাশে
লক্ষ তারা রুপালি চাঁদ
কোত্থেকে আসে?
সাত সকালে যায় লুকিয়ে
কোথায় জানিনা।।

নিত্য ভোরে সূর্যটারে
কোন সে বিজ্ঞানী
পাতালফুড়ের রাজ্য থেকে
আনে গো টানি
তা না হলে লুকিয়ে যেতাম
খুঁজে পেতে না।।

 

27. গান: পর্দা করা ফরজ বন্ধু
কথা ও সুর: আব্দুস সালাম

পর্দা করা ফরজ বন্ধু
পর্দাতে নাই লজ্জা
পর্দা হলো শালীনতা
জান্নাতি সাজসজ্জা।।

পর্দাতো মুমিনের অহংকার
পর্দা করে দেখো তোমায়
লাগবে কি সুন্দর
রবের হুকুম করলে পালন
বেড়ে যাবে ইজ্জাত।।

পর্দা মুসলমানের পরিচয়
পর্দা কর হৃদয় রেখে
আল্লাহ তালার ভয়
পর্দা কর ঘর-বাহিরে
যাওরে যেথায় ইচ্ছা।।

 

28. গান: মন্দ লোকের কাজ
কথা: গাজী নয়ন ইসলাম
সুর: আব্দুল্লাহ আল নোমান

কথায় কথায় গালি গালাজ
মন্দ লোকের কাজ
মন্দ লোকের মেজাজ গরম
কোন কথায় নাই যে শরম
নাই যে তাহার লাজ ।।

কথার সাথে গালি দিলে হয়না সমাধান
বরং তাতে বেড়েই চলে নিছক ব্যবধান
কথাতে যার গালি থাকে
কেউ বাসেনা ভাল তাকে
সবার কাছে হয়না আপন
কোন গালিবাজ ।।

ঝগড়া ফ্যাসাদ মান অভিমান
সবার হতেই পারে
সবাই তোমার আপনজনা
দিচ্ছ গালি কারে।

কাওকে কভু গালি দিয়ে করলে অপমান
হয়না ত লাভ কোন কিছুই বাড়েনা সম্মান
গালি ভরা কথাতে যার
সুন্দরও নয় তার ব্যাবহার
নিন্দিত সে, হোকনা তাহার
মন ভোলানো সাজ ।।

 

29. গান: জন্মভূমি গো
কথা ও সুর: মতিউর রহমান খালেদ

জন্মভূমি গো
তুমি আমার অহংকার
তোমার বুকে জন্ম নিয়ে
ধন্য জীবন আমার।

কাজল দীঘির বুকে
ফোটে পদ্ম রাশি রাশি
মন ভরে যায় রোজ সকালে
সুর্য্যি মামার হাসি
ঘাসের বুকে শিশির কণা
ছড়ায় রূপের বাহার।

মায়ের কোলে যেমন শিশু
ঘুমায় পরম সুখে
তেমনি তোমার শ্যামল ছায়ায়
দিন কাটে সুখে দুঃখে
তোমার বুকে শীতল নদী
ঘুচায় মনের আঁধার।

 

30. গান: আল্লাহ নবীর নাম লাও
কথা ও সুর: আব্দুল লতিফ

এখনো সময় আছে
আল্লাহ নবীর নাম লাও
আল্লাহ নবীর নাম
ভালাই যদি চাওরে বাছা
আখিরাতের কাম করো
আখিরাতের কাম

ছাড়তে হবে এ ঘর বাড়ি
যখন হবে সমন জারি
থাকবে পড়ে বাদশাহী তোর
বালাখানার এই আরাম

তোর বধির ভারি বোঝারে তুই
রাখবি কোথায় ঢাকি
সর্ব অঙ্গ সাক্ষী দেবে
চলবেনা আর ফাঁকি

চলবে নারে ফাঁকিবাজি
খোদে খোদা হবেন কাজী
এই ধান কোন কাজ দেবে না
পাইতে বেহেশতের মাকাম

 

31. গান: ওরে কে বলে আরবে নদী নাই
কথা: কাজী নজরুল ইসলাম
সুর: গীরিণ চক্রবর্তী

ওরে কে বলে আরবে নদী নাই
যথা রহমতের ঢল বহে অবিরল
দেখি প্রেমে-দরিয়ার পানি
যেদিকে চাই।।

যাঁর ক্বাবা ঘরের পাশে আব-এ-জমজম
যথা আল্লা-নামের বাদল ঝরে হরদম,
যার জোয়ার এসে দুনিয়ার দেশে দেশে
(
ওরে) পুণ্যের গুলিস্তান রচিল দেখিতে পাই।।

যার ফোরাতের পানি আজো ধরার পরে
নিখিল নর-নারীর চোখে ঝরে
(
ওরে) শুকায় না যে নদী দুনিয়ায়,
যার শক্তি বন্যার তরঙ্গ-বেগে।।

যত বিষণ্ন-প্রাণ ওরে আনন্দে উঠল জেগে
যাঁর প্রেম-নদীতে, যাঁর পুণ্য-তরীতে
মোরা তরে যাই।।

 

32. গান: ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক
কথা ও সুর: আ. সালাম

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক
আমির ফকির গরিব দুঃখী
নেই ভেদাভেদ সবাই সুখী
শত্রু-মিত্র হওরে সবাই এক।।

আজকের সকল দ্বন্দ্ব ফাসাদ যাও ভুলে
রবের রাহে কোরবানি দাও সব মিলে
মনের ভিতরে যে প্রশুটা
লুকিয়ে থাকে তুমি সেটা
কুরবানী দাও পরম অনুরাগ।।

ঘরে ঘরে সুখ পেল আজ পূর্ণতা
এ যেন বেহেশতি সুখের বার্তা
প্রানের সাথে প্রান মিলিয়ে
ভালোবাসা দাও বিলিয়ে
উঁচু-নিচু দুয়ারে খিল থাক।।

 

 

33. গান: ঈদ আনন্দে মাতো সবাই
কথা: আসাদ বিন হাফিজ
সুর: আবু রায়হান

ঈদ আনন্দে মাতো সবাই করো কুরবানী
ত্যাগের মহান শিক্ষা নিয়ে এলো কুরবানী ।

আল্লাহর রাহে দাও বিলিয়ে
জীবন ও যৌবন
তোমার উপর থাকবেন খুশি
প্রভু চিরন্তন
দুজাহানেই সফল হবে কুরআনেরই বানী।

সবাই মানুষ বান্দা খোদার
পর তো কেহ নাই
ধনী গরীব সাদা কালো
সবাই সবার ভাই
বিশ্বজুড়ে দাও ছড়িয়ে প্রভুর অমিয় বাণী।

হিংসা বিভেদ ঝগড়া ভুলে
নিজের খায়েশ ছাড়ো
পৃথিবীটা ঈদগাহ হবে
খোদার বিধান ধরো
সকল কাজে মানো সবাই বিধান কুরআনই।

আজকে শপথ নেয়ার দিন
ছাড়বো নাফরফানি
আল্লাহর হুকুম মতে শুধু
চলবে জিন্দেগানি
প্রভুর রাহে সকল কিছু করবো কুরবানী

 

 

34. গান: আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু
তুমি ভিতরে বাহিরে
কাছে কিবা দূরে
আছো সব মানুষের অন্তরে ॥

গাও গেরাম আর শহরে
আমির ফকির সব ঘরে
রাখো চোখে চোখে সব বান্দারে ॥

চোখের জলে চায় যারা
সঙ্গে সঙ্গে দাও সাড়া
দিনের আলোয় কি রাতের আন্ধারে ॥

তোমার ছায়া সবখানে
মায়া তোমার সব প্রাণে
তোমার নাই তুলনা এই সংসারে ॥

 

35. গান: তুমি আসলে যখন এই দুনিয়ায়
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

তুমি আসলে যখন এই দুনিয়ায়
এই দুনিয়া বদলে গেলো
মরুভূমির ধুসর বুকে
যেন শ্রাবণ বৃষ্টি এলো ॥

তোমার নূরের আলো মেখে
জগত আলোময়
সকল গ্লানি ধুয়ে মুছে
জীবন মধুময়
মানবতার জয়গানে
পাপ দুনিয়া মুখর হল ॥

রাহ্মাতুল্লিল আলামিন তুমি উসয়াতুন হাসানা
তোমার শাফায়াত বিনে কেউ
জান্নাতে ঠাঁই পাবে না ॥

তোমার পথে এগিয়ে যাবো
পিছপা হব না
শত বাধা মুসিবতে নিরাশ হব না
অমানিশা কেটে যাবে
হাসবে প্রভাত ঝলমল ॥

 

 

 

 

36. গান: আমাকে করেছো মুমিন মুসলমান
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

আমাকে করেছো মুমিন মুসলমান
এইতো পরম পাওয়া
রাখিও আমায় স্নেহের ছায়ায়
আর কিছু নেই চাওয়া
শুকরিয়া শুকরিয়া হাজারো শুকরিয়া
শুকরিয়া শুকরিয়া আজীবন শুকরিয়া ॥

নিত্য তোমার প্রেম পরশে
কাটুক আমার জিন্দেগী
সকল কাজে আমি যেন
করি তোমার বন্দেগী
রিজিক দিও হালাল পথে
হয় না যেন হারাম খাওয়া ॥

হেরার আলোয় দাও দেখিয়ে
মুস্তাকিমের ঠিকানা
দীন কায়েমের কঠিন পথে
জোগাও প্রাণে সান্তনা
মরণ দিও শাহাদাতের
শোনো গোলামের প্রার্থনা ॥

 

 

37. গান: হাত তুলেছি চোখের জলে
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

হাত তুলেছি চোখের জলে
প্রভু তোমার দরবারে
হেরার আলো দাও বিলিয়ে
অধমের অন্তরে ॥

হেদায়েতের বৃষ্টি ঝরাও
আমার কঠিন বুকে
তোমার নূরের জ্যোতি ছড়াও
আমার দুটি চোখে
চলতে যেন পারি প্রভু
রাসূলের পথ ধরে ॥

মুস্তাকিমের পথেই যেন থাকি জীবন ভর
মুসিবতে ধৈর্য্য দিও স্বস্তিতে শোকর ॥

তোমার দয়ার নাই সীমা নাই
অসীম তোমার মায়া
মাফ করে দাও নাও কাছে নাও
এইটুকু মোর চাওয়া
ফুরালে পথ পৌঁছে দিও
জান্নাতের বন্দরে ॥

 

38. গান: পাহাড় সমান গুনাহ আমার
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

পাহাড় সমান গুনাহ আমার
আকাশ ছোঁয়া ক্ষমা তোমার
ওগো দয়াময়
তোমার প্রেমের ঝর্ণাধারা
বইছে জগৎময়

মাগফিরাতের হাত তুলেছি
ওগো পরওয়ার
শূন্য হাতে কেউ ফেরে না
দরবারে তোমার
নাফরমানির গ্লানি মুছে
করো পুণ্যময় ॥

ঝড় তুফানে অন্ধকারে
তুমি ভরসা
তোমার আলোয় কেটে যাবে
সকল তমশা
পথ হারালে হাত ধরিও
ওগো জ্যোর্তিময় ॥

39. গান: ঐ আকাশ পাহাড় নদী
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

ঐ আকাশ পাহাড় নদী
সাগরের নীল জলধী নিরবধি
গায় তোমারি গান
সবুজ ঐ গাছ গাছালি
হাজারো পাখ পাখালি নিরবধি
গায় তোমারি গান
আমি মুগ্ধ চোখে পরম সুখে
জুড়াই মন ও প্রাণ ॥

যখনই দৃষ্টি ছড়াই বসন্তে
অপরূপ ফুলের হাসির
ঢেউ খেলে যায় দিগন্তে
কোকিলের মিষ্টি কুহুতান
সবি তোমার অবদান ॥

নেয়ামত দমে দমে অগণন
ভাবে না হতভাগা কঠিন মন ॥
যখনি সোনালি ধান প্রান্তরে
বাতাসে ঢেউ খেলে যায়
লাগে দোলা অন্তরে
এভাবেই অন্ন করো দান
তোমার দয়া অফুরান ॥

 

40. গান: ঘর যদি হয় পরিপাটি
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

ঘর যদি হয় পরিপাটি
সুখের ঠিকানা
মিলবে সেথা স্নেহের পরশ
মিলবে সান্তনা ॥

ঘরের বাঁধন অটুট রাখো বিশ্বাসে সম্মানে
বিনিময়ে সফলতা আসবে দোজাহানে
দুজনাতে এক হয়ে যাও
ঘুচবে বঞ্চনা ॥

মেজাজটাকে শীতল রাখো হও কোমল ব্যবহারে
জান্নাতি সুখ অবিরত বইবে তোমার ঘরে
সহজ সরল জীবন গড়
মিটবে যন্ত্রণা ॥

আদর্শ ঘর অকাতরে সুবাস ছড়ায় সবখানে
ভালোবাসার ফল্গুধারা বহায় সকল প্রাণে
তেমনি ঘরের জন্যে সদা
করো প্রার্থনা ॥

 

41. গান: শহর থেকে একটু দূরে
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

শহর থেকে একটু দূরে
যান জটেরই ঘাট পেরিয়ে
সবুজ শ্যামল বন
চোখ জুড়ানো মন ভোলানো
প্রীতি বনভোজন ॥

বনভোজনের মিলন মেলায় ভাবনা চিন্তাহীন
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় আড্ডা দেয়ার দিন
খুশির জোয়ার দিকে দিকে
উথাল পাথাল মন ॥

পাখ পাখালি বন বনানী রূপের সীমা নাই
বটের ছায়ায় রাখালিয়া বাঁশরী বাজায়
পাখির কুহুতানে শুনি
সুরের গুঞ্জরণ ॥

এই দুনিয়ার সরাইখানায় আমরা মুসাফির
রঙ তামাশার নেশায় পড়ে হইও না অধীর
শূন্য হাতে ফিরতে হবে
রাখিও স্মরণ ॥

 

42. গান: আজ আছি কাল হায়
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

আজ আছি কাল হায়
থাকবো না এ ধরায়
যেতে হবে অজানা অচিন ঠিকানায় ॥

ছেড়ে যেতে প্রিয়জন মন কেনো মানে না
সে বিরহে কাঁদে অন্তর
অ্যালবামে শত ছবি
স্মৃতি হয়ে রবে সবি
সেলফির ছবিগুলো অশ্রু ঝরায় ॥

যেতে হয় হবে যেতে নেই যার ব্যত্যয়
এ ধরাতে নেই কিছু অব্যয় অক্ষয় ॥

থেমে যাবে জীবনের সব হাসি কান্না
ভেঙ্গে যাবে এই খেলাঘর
বহুদূরে মঞ্জিল সংশয়ে কাঁপে দীল
প্রভু তুমি থেকো পাশে
অন্তিম এ যাত্রায় ॥

 

43. গান: পড়লে ধরা পাবে না কূল কিনারা
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

পড়লে ধরা পাবে না কূল কিনারা
এ জীবন নয় তো খেলা
নয় তো মেঘের ভেলা
ঘুড়ি উড়ে হাওয়াতে
নাটাই যে তার হাতে
সময় হলে টান মারিবে
পাবে না আর তো ছাড়া ॥

দুনিয়ার রঙ তামাশায় থাকলি রে মশগুল
বিবেকের শত ডাকেও ভাঙল না তোর ভুল রে ॥

কত জনে ল্যাং মারিলা
ক্ষমতার রঙ দেখাইলা
কালের চাকা যায় ঘুরে
কালো কেশে পাক ধরে
তবুও অন্ধ তুমি
তবুও দিশেহারা ॥

 

44. গান: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
তনুমনে জোয়ার জপি নাম যতবার।

যে নামে চোখে জল মনপ্রাণ হয় শীতল
যে নামে যায় চলে যায়, সকল অন্ধকার।

যে নামের ইশারায় আগুন হয় পানি
সবুজ বনে ফোটে ফুল হাসে ধরণী

যে নামে হীনবল পায় অসীম শক্তিবল
সীমাহীন মুসিবতে রহম খোঁজে তার।

 

45. গান: হে প্রিয় রাসূল
কথা ও সুর: আবু রায়হান

হে প্রিয় রাসূল
তুমি আছো মোর জীবনে অনুপ্রেরণা
স্মরে হৃদয়ে আজ তোমায় ভুলতে আমি পারি না।

আমি যদি হতাম মরুর ঐ পথ
জীবনে কী চাওয়ার আর থাকতে পারে
পদধুলি পেতাম হে দয়ার নবী
আহলান সাহলান সালাম তোমারে
সারা মন জুড়ে শুধ তোমারি নাম
তোমারে কখনো ভোলা যায় না।

বোঝেনি তোমারে কত যে মন
চিনেছে পশু-পাখি গাছ গাছালি বন
পরকালে মোরে শাফায়াত করিও
তোমারে সারাক্ষণ জপে এই মন
তোমায় ভেবে উতল তনু মন
আঁকড়ে ধরি যেন কোরআন হাদীস
কখনো আমি তা ছাড়বো না।

 

46. গান: এই সাইমুম হাওয়া এলোমেলো
কথা: আফসার নিজাম
সুর: রবিউল ইসলাম ফয়সাল

এই সাইমুম হাওয়া এলোমেলো
এই মরুভূমি করে ঝলমল
এই দেশ কেন আলোকিত হলো
কেউ জানে না কেউ জানে না
যেন আমেনার বুকে চুমে সে
ঐ চাঁদ দেখা দিল।

এই হুদহুদ পাখি উড়ে যায়
এই পাখি আজ কার কথা কয়
এই মরুবুকে কেন ফুল ফোটে
কেউ জানে না কেউ জানে না
সে যে নবুয়তি রঙ মেখে নিয়ে
সেই ফুল ঢেলে দিল।

এই সুরে ভরা পৃথিবীর গানে
এই কোটি কোটি মানুষের প্রাণে
কে যে কালিমার রং তুলি টানে
কেউ জানে না কেউ জানে না
তুমি তায়েফের মাটি লাল করে
হৃদয়ের আলো জ্বালো।

 

47. গান: এসো সবে স্বাধীনতার
কথা: আসাদ বিন হাফিজ
সুর: মশিউর রহমান

এসো সবে স্বাধীনতার বিজয়ের গান গাই
বনের পশু পাখ-পাখালি কেউ যা ছাড়ে নাই।

আমার কথা আমার মত পরাণ খুলে বলব
আমার পথে আপন মনে স্বাধীনভাবে চলবো
সকল যুগের সব মানুষের এটা চির কামনা
দোহাই তোমার এই কামনায় বাধা দিও না
এতে বাধা দিয়ে কেউ তো রেহাই পায় না।

আমার মনের কথা আমি পরাণ খুলে বলবো
বিশ্বজাহান ঘুরে আমি হাজার পড়া শিখবো
বাসবো ভাল আকাশ নদী পাখির কলরব
বাসবো ভাল সৃষ্টি সকল ছোট বড় সব
তাতে যদি বাধ সাধো হায় বাঁচার উপায় নাই।

 

48. গান: সন্ধ্যা তারার মত
কথা: মুহাম্মদ নূরউদ্দিন
সুর: আবু রায়হান

সন্ধ্যা তারার মত জীবনের সাত রঙ
মুছে যাবে ক্ষণিকের এই জীবনে
সোনামাখা স্বপ্ন ফুরিয়ে যাবে।

পূর্ণ চাঁদের আলো কোকিলের কুহু
রয় কি চিরদিন বল
ধরণীর বুক জুড়ে নেমে আসে
আঁধারের আলো
দুদিনের দুনিয়াতে সুখেরি মালা গেঁথে
লাভ কী তবে বল।

গন্ধ ফুলের মালা হাসনাহেনা
ঝরে যায় অবেলায়
নদীর বসন্ত ভাটির টানে
খাঁ খাঁ ঐ বালুকায়
জীবনের খেলাঘরে মরণের তরে
ভেঙে যাবে বল।

 

49. গান: নীল নীল নীলাকাশ
কথা: জসিম উদ্দীন সৌরভ
সুর: শফিক আদনান

নীল নীল নীলাকাশ
সবুজ শ্যামল মাঠ
পাখির কণ্ঠে গান আর
জোসনা ভরা রাত
তোমার নেয়ামত
এসব তোমার নেয়ামত
ওগো প্রভু এসব তোমার নেয়ামত।

বীজ দিয়েছ বৃক্ষ হতে
তার থেকে হয় ফল
মায়ামাখা সকাল দিলে
শিশির টলমল
তাই তো তোমায় ডাকি প্রভু
তুলে দুটি হাত।

আঁধারেতে আলো দিলে
হাঁটতে চলার পথ
পাহাড়েতে ঝর্ণা দিলে
সেও রহমত
তাই তো তোমায় ডাকি প্রভু
আমরা দিবস রাত।

 

50. গান: তুমি ফুল বাগিচার ফুল
কথা ও সুর: মুহাম্মাদ ইলিয়াস

তুমি ফুল বাগিচার ফুল
তুমি মানব জাতির কুল
তোমার পরশে এই ধরা
যেন হলো পাগলপারা
তুমি দোজাহানের নেতা ওগো
নেই যে তোমার তুল।

তুমি এলে ভুবন মাঝে
নিয়ে জ্যোতির আলো
তোমার আগমনে সবাই
দুঃখ ভুলে গেল
মানবের কা-ারী তুমি মদিনার বুলবুল।

তোমার শাফায়াতে সবাই
পার হবে পুলসিরাত
তোমার ভালবাসা পেলে
প্রভু দেবেন নাজাত
সাইয়্যেদুল মুরসালিন তুমি মুহাম্মাদ রাসূল।

 

51. গান: হাজার রঙের দুঃখ ব্যথায়
কথা: বেলাল হোসাইন নূরী
সুর: শফিক আদনান

হাজার রঙের দুঃখ ব্যথায়
কাঁদে যখন মন
মা জননীর একটু ছোঁয়া
আকুল করা একটু দোয়া
আমার ভাঙা বুকে জাগায়
একটু শিহরণ।

যার কলিজার রক্ত চুষে
এলাম পৃথিবীতে
তার মত কেউ পারে না যে
আপন করে নিতে
আদর ভেজা চাদর দিয়ে
জড়ায় সারাক্ষণ।

নিজকে নিয়ে জীবনে যার
নেই ভাবনা কোন
আমায় শুধু ডেকে বলে
স্বপ্ন চোখে বোনো
মন যে তার ভালবাসার
মিষ্টি গোলাপ বন।

 

 

52. গান: হারিয়ে গেছে ছেলেবেলার
কথা: তাওহীদ রহমান
সুর: আবু রায়হান

হারিয়ে গেছে ছেলেবেলার
স্বপ্ন মাখা দিন
লাল সবুজ আর নীল হলুদে
রংধনু রঙিন
ভাল লাগার দিনগুলি আজ
আর ফিরে পাই না যে
মনের ভিতর সে দিনগুলি
ঝুমুর ঝুমুর বাজে।

হারিয়ে গেছে পাঠশালা দিন
রঙিন ছবির বই
লাটাই লাটিম রঙিন ঘুড়ি
হারিয়ে গেলো কই?
এসব খুঁজি তাই তো আমি
নিত্য সকাল সাজে।

দুরন্ত সব বিকেলগুলো
সন্ধ্যা মায়ামাখা
দুপুরগুলো হারিয়ে কেমন
বুকটা করে খাঁ খাঁ
সব হারিয়ে দুঃখ আমার
স্মৃতির ভাঁজে ভাঁজে।

 

 

53. গান: ছায়া ঢাকা পাখি ডাকা
কথা ও সুর: আহমাদ আল-আমিন

ছায়া ঢাকা পাখি ডাকা আমার এই দেশ
সবুজের আবাহনে মিল পরিবেশ
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।

সূর্য রাঙে পূর্ব দিগন্তে
সম্ভাবনা হাসে হৃদয় সীমান্তে
প্রকৃতির সীমাজুড়ে রূপ অনিঃশেষ।

মায়ের আঁচলের পরশ বুলিয়ে
সে যেন আমায় ডাকে দুহাত বাড়িয়ে
হাজার দেশের মাঝে একটি দেশ।

 

54. গান: আমাদের চোখে মুখে সবুজের গান
কথা: মাহফুজুর রহমান আখন্দ
সুর: আবদুল্লাহ আল নোমান

আমাদের চোখে মুখে সবুজের গান
স্বপ্নরা হেসে হেসে আমাদের ভালোবেসে
সাহসের দ্বীপ জ্বেলে জাগায় পরাণ।

আমাদের চোখগুলো দেখে বহুদূর
আমাদের গানে আনে বিশ্বাসী সুর
শিক্ষা ও শক্তিতে গুরুজন ভক্তিতে
সবখানে চেতনার এই অভিযান।

আমাদের মনগুলো খুঁজে ফেরে
আলোর মশাল
বহুদূরে সরে যায় যেখানে ছড়িয়ে আছে
শয়তানী জাল।

আমাদের কানে বাজে সত্যের ডাক
অলসতা পিছুটান থাক পরে থাক
সত্যের সন্ধানে ছুটে চলি প্রাণপণে
শত সুরে গেয়ে যাই বিজয়ের গান।

 

55.গান: খারাপ কথাটা না বলাটাও
কথা: মতিউর রহমান মল্লিক
সুর: মশিউর রহমান

খারাপ কথাটা না বলাটাও
খারাপ কাজটা না করাটাও
বিরাট একটা সফলতা।
মিথ্যার পথে না চলাটাও
অন্যায় পথ না ধরাটাও
বিরাট কথা বিরাট কথা বিরাট কথা।

খারাপ কাজটা করতে দারুণ স্বাদ লাগে
এই কাজে কেউ একটানা দিন রাত জাগে
কিন্তু খারাপ বর্জন করা
শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা।

মন্দ কাজে সঙ্গী হওয়া খুব সহজ
এমনি এমনি এসব কাজে বাড়ে গরজ
কিন্তু মন্দ ছাড়তে পারাটা
শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা।

 

56. গান: খারাপ কথাটা না বলাটাও
কথা: মতিউর রহমান মল্লিক
সুর: মশিউর রহমান

খারাপ কথাটা না বলাটাও
খারাপ কাজটা না করাটাও
বিরাট একটা সফলতা।
মিথ্যার পথে না চলাটাও
অন্যায় পথ না ধরাটাও
বিরাট কথা বিরাট কথা বিরাট কথা।

খারাপ কাজটা করতে দারুণ স্বাদ লাগে
এই কাজে কেউ একটানা দিন রাত জাগে
কিন্তু খারাপ বর্জন করা
শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা।

মন্দ কাজে সঙ্গী হওয়া খুব সহজ
এমনি এমনি এসব কাজে বাড়ে গরজ
কিন্তু মন্দ ছাড়তে পারাটা
শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা শৈল্পিকতা।

 

57. গান: উড়ো মেঘের ঘুড়ি রে তুই
কথা: শফিকুল ইসলাম রুবেল
সুর: রবিউল ইসলাম ফয়সাল

উড়ো মেঘের ঘুড়ি রে তুই
যাস রে কোথায় হেসে
সোনালি রোদ গায়ে মেখে
মিষ্টি হেসে হেসে ॥

কে দিল রে বাউল মনা
পাখির মত ডানা
কার ধ্যানে তুই মগ্ন থাকিস
সকাল সন্ধ্যা বেলা
ইচ্ছে হলে যাস রে উড়ে চাঁদের বুড়ির দেশে ॥

কোথায় পেলি হিমেল পরশ
কোথায় পেলি জল
শ্রাবণ এলে তোরই যে ক্যান
অশ্রু টলমল
কার হুকুমে ঝরিস রে তুই আমার প্রিয় দেশে ॥

 

58. গান: আজান হলো ঐ শোনা যায়
কথা: আমির হামজা
সুর: দিদারুল ইসলাম

আজান হলো ঐ শোনা যায়
আসসালাতু খাইরু মিনান নাউম
ঘুমিয়ে আর থেকো না
এবার তুমি ভাঙ্গাও ঘুম।

অজু করে নামাজ পড়ো এক কাতারে সব
ধনী গরিব নেই ভেদাভেদ আল্লাহ সবার রব।

নামাজ পড়ে কুরআন তুমি মিষ্টি সুরে পড়
আল কুরআনের আলো নিয়ে নিজের জীবন গড়।

ক্লাসে তোমার সবাই বন্ধু নেই সাদা আর কালো
গরিব দুঃখীর করলে সেবা আল্লাহ বাসবে ভাল।

 

59. গান: ঘুম থেকে মা ডেকে দিও
কথা ও সুর: শফিক আদনান

ঘুম থেকে মা ডেকে দিও ফজরের আগে
যেন আমার মুখে আল্লাহ নামে ফুল পাখিরা জাগে।

নামাজ শেষে দুহাত তুলে করব মোনাজাত
খোদার রহম ঝরে যেন সারা দিবস রাত
সব শিশুরাই থাকে যেন পরম সোহাগে।

রোজ সকালে কোরআন পড়ে যার শুরু হয় দিন
তুমি তো মা বলতে সে যে তুলনা বিহীন
খোদার কাছে থাকবে সে যে কোমল ফুলের বাগে।

 

60.গান: চারিদিকে ফূর্তি আনন্দ উল্লাস
কথা: আসাদ বিন হাফিজ
সুর: আবু রায়হান

চারিদিকে ফূর্তি আনন্দ উল্লাস
চারিদিকে আনন্দের শত কলরব
আমরা নবীন আমরা শিশু আমরা তাজা প্রাণ
আমরা গাই অজুত কন্ঠে নতুন দিনের গান
নব জীবনের গান
উৎসব
আজ শিশু কিশোর আনন্দ উৎ

পুরানো দিনের গ্লানি ব্যথা ভয় আর নয়
আমাদের কাছে হার মানে সব ব্যর্থতা পরাজয়
আমরা আনি ঝলমলে ভোর সুখের অনুভব
নতুর ঊষা চোখ মেলে শোনে আমাদের কলরব
উৎসব
আজ শিশু কিশোর আনন্দ উৎ

জয় জয় মানুষের জয় মানবতার
আমাদের আছে প্রাণ উচ্ছল সাহসের সম্ভার
আছে উদ্যম আছে হিম্মত নিষ্ঠার সম্বল
মন্দ মিথ্যা আমাদের কাছে মানে তাই পরাভব
উৎসব
আজ শিশু কিশোর আনন্দ উৎ

 

61.গান: ভাল কাজ করলে ভাল থাকে মন
কথা ও সুর: মাসুদ রানা

ভাল কাজ করলে ভাল থাকে মন
আনন্দ থাকে মনে থাকে সারাক্ষণ।

ভাল কাজ করলে খুশি হন আল্লাহ তায়ালা
আখেরাতে দিবেন তিনি বেহেস্তি ফুলের মালা
মন্দ কাজ তাই আর নয়
ভাল কাজ করব করছি যে পণ।

বাবা মা খুশি হয় করলে ভাল কোন কাজ
সৎ সাহস বাড়ে থাকে নাতো শংকা ও লা
খুশি হয় শিক্ষক পাড়া প্রতিবেশী
খুশি হন যত আত্মীয়-স্বজন।

 

62. গান: ছোট্ট আমার দেশ কত সুন্দর
কথা ও সুর: আবদুস সালাম

ছোট্ট আমার দেশ কত সুন্দর
দেখে যেন ভরে যায় অন্তর
যেখানে ঝিলের বুকে পদ্মফোটে
গান শোনা যায় পাখির ঠোঁটে
পানশি মাঝির পাল তোলা নাও
যায় রে তেপান্তর।

ডাহুক ডাকে ডালে দোলে পাতার ফাঁকে ফাঁকে
বাবুই পাখি স্বপ্ন বোনে কতই কারুকাজে
এত যতন করে গড়লো তারে কোন সে কারিগর।

রুমঝুম রুমঝুম সুরে পরে বর্ষা দিবারাতি
দেশটি আমার ধুয়ে মুছে হয় যে পরিপাটি
যত দেখি তারে তৃষ্ণা বাড়ে তাই দেখি বারবার।

 

63. গান: আমি যুদ্ধ কী বুঝি না
কথা ও সুর: আবদুস সালাম

আমি যুদ্ধ কী বুঝি না
গ্রেনেড কী চিনি না
বুঝি না তো ভাল আর মন্দ
শত্রুতা বুঝি না মিত্রতা বুঝি না
বুঝি না তো ধর্মের দ্বন্দ

রক্তের রং আমি চিনি না
রং তুলিতে আঁকি স্বপ্নগুলো
দামামার সুর আমি জানি না
ফুটতো পাখির গানে ভোরের আলো
ফুলের বাগান থেকে আসে না সুবাস কেন
বারুদের ঘ্রাণ ভাল লাগে না

কান্নার রং কী তা জানি না
দুটি চোখ বেয়ে কেন রক্ত ঝরে
সহপাঠিকে খুঁজে পাই না
ঘুমিয়ে আছে সাগর পাড়ে
বিবেকের রঙ কেন হয় না সবুজ
আমি মানবতার রঙ চিনি না।

 

64. গান: আমার মন ছুটে যায় নবীর মদীনায়
কথা ও সুর: তাফাজ্জল হোসাইন খান

আমার মন ছুটে যায় নবীর মদীনায়
যেথা নবীজী ঘুমায়।

হেরা গুহায় শুনতে পেলেন আল কোরআনের বাণী
দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর হলো সব কাটলো পেরেশানি
বিপ্লবী পয়গামে নবীর জীবন বদলে যায়।

শিশু-কিশোর ছিল ব্যাকুল নবীর দিদার পেতে
মিষ্টি করে মুচকি হেসে সালাম দিতেন আগে
নবীর মধুর সম্ভাষণে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।

লাত-মানাতের দীপ নিভে যায় তৌহীদি আভায়
জাহেলিয়াত যায় হেরে যায় নবীর সাধনায়।

মোর নবীজী অধীর হলেন আসমানি ফরমানে
ঘরে ঘরে সঙ্গী পেলেন দীনের আহ্বানে
পাক কালেমার আসলো বিজয় আঁধার দুনিয়ায়।

গরিব দুঃখী অসহায়ের ছিলেন সদা পাশে
দলে দলে নবীর কাছে তাই তো ছুটে আসে
সাদা কালোর ঘুচলো বিভেদ নবীর ঘোষণায়।

 

65. গান: হারযাগা হারঘাড়ি হারকাদাম আল্লাহ
কথা ও সুর: সংগৃহীত

মালিকুল মুলক লা শারিকাল্লাহু
ওয়াহদাহু লা ইলাহা ইল্লাহু
সামশেত তাররেগ গার খুদা তালাবি
খুশবু খা লা ইলাহা ইল্লাহু
আল্লাহু (৮)

হারযাগা হারঘাড়ি হারকাদাম আল্লাহ
হারযাগা হারঘাড়ি হারকাদাম আল্লাহ
হারযাগা হারঘাড়ি হারকাদাম আল্লাহ
হারকাদাম আল্লাহ

লামহা লামহা বাছর হো তেরে যিকরে মে
জিন্দেগীকা সাফার হো তেরে যিকরে মে
বাছজাবা নাগমাগা হো তেরে যিকরে মে
দিলমে রওশোন হো শাম ও হেরাম অল্লাহু

ইয়ে জামি যাবনাথি এ যাহা যাবনাথা
চান্দ সুরাজ নাথি আসমা যাবনাথা
রাজহাকভি কিসি পার আয়্যা যাবনাথা
যাবনাথা কুচ ইয়া হা থামাগার তুহি তু

লা ইলাহা তেরি শানে ইয়া ওয়াহদাহু
তু খেয়ালু তাজাস্সুস তুমহি আরজু
আখকি রাওশনি দিলকি আওয়াজ তু
খাবি তু খাবি তু তু রবি তুহি তু

 

66. গান: হে আমার প্রাণের প্রিয় মুহাম্মাদ রাসূল
কথা ও সুর: চৌধুরী আবদুল হালিম

হে আমার প্রাণের প্রিয় মুহাম্মাদ রাসূল
তুমি আমার দোজাহানের সব ভাবনার মূল।

হে আমার প্রাণের প্রিয় মুহাম্মাদ রাসূল
তুমি আমার ইহকালে
তুমি আমার পরকালে
সব ভাবনার মূল।

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ তুমি
মানুষের বন্ধু তুমি
ধরণী খুঁজে ফেরে তোমার ছোঁয়া চায়।
হেরার ঐ আলো ফুটুক
মানবতার ফুল।

আল্লাহর শোকর হাজার
হয়েছি এই গুনাহগার
উম্মাতি মুহাম্মাদি নেই কিছু চাওয়ার।
তারি পথে চলতে চলতে
ভাঙ্গুক সকল ভুল।
মুহাম্মাদ রাসূল (সা.)

 

67. গান: বিসমিল্লাহ
কথা ও সুর: ইরফান সিদ্দিকী

বারকতকা পায়গাম মিলে
কেহনে সে লা ইলাহা ইল্লাহ
রেহমাতো কা সালাম মিলে
বাস কেহনে সে বিসমিল্লাহ্
বিসমিল্লাহ্ বিসমিল্লাহ্ বিসমিল্লাহ্

তেরে নাম সে শুরু হুয়া
তেরে নামপে খাতাম লিল্লাহ
বিসমিল্লাহ্ বিসমিল্লাহ্ বিসমিল্লাহ্

মুশকিলে আসান হুয়ি সারি আফাত
টালগায়ি ও আল্লাহ্ আল্লাহ্

রেহমেতে নাযিল হুয়ি
মারতি খাইশ পালগায়ি
তেরি মিল যা এ পানা
মেরে কেহনে সে বাস বিসমিল্লাহ্

দোয়া জিস চিজ কী কী যে
তো বাস আল্লাহ্ সে কি যে
শুরু জিস কাম কো কি যে
তো বিসমিল্লাহ্ সে কি যে

কুছ হিদায়াত কুছ কারাম
কুছ ইনায়াত কুছ রাহাম
ও আল্লাহু

থোরি হি ফরমাইশ হ্যাঁয়
জোহো যারা গুনযাইস হ্যাঁয়
নাকোই মাযবুরি হ্যো
বার সাত যাত নুরতো
ইসলিফাপে পে লেখা হে
দিলসে মেনে বিসমিল্লাহ্

 

68. গান: কোইতো হে য নিজামে হাস্তি
কথা ও সুর: ইরফান সিদ্দিকী

কোইতো হে য নিজামে হাস্তি
চালারাহা হে ওহি খোদা হে
দিখাই ভিযো নাদে নাজার ভি
জোয়ারাহা হে ওহি খোদা হে

নাজার ভি রাখে সামাতে ভি
ও জান লেতা হে নিয়তে ভি
যো খানা এলা শাওর মে
জাগ মাগারাহা হে
ওহি খোদা হে

তালাস উসকো নাকার বুতুমে
ওহি বাদলতি হুয়ি রুতুমে
যো দিনকো রাত অর রাতকো দিন
বানারাহা হে
ওহি খোদা হে

 

69. গান: গাহিল আল্লাহু বলে
কথা ও সুর: আবু তৈয়ব মেসবাহ

গাহিল আল্লাহু বলে
পিউ পিউ পাপিয়া
যে গান শুনে বনে বনে
হাসিল ফুল ফুটিয়া।

গেয়ে ঝর্ণা কলতানে
ছোটে সে আপন মনে
গাহে কোকিল গহীন বনে
দূরে গায় ও নীলিমা।

ভ্রমরা গায় গুনগুনিয়ে
বাতাসে যায় সুর শুনিয়ে
গাহে অলি মধু পিয়ে
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।

 

70 গান: শয়নে স্বপনে মননে চেতনে
কথা ও সুর: আবদুশ শাকুর তুহিন

শয়নে স্বপনে মননে চেতনে
শয়নে স্বপনে মননে অবচেতনে
তোমারি গান যেন গাই প্রভু
আল্লাহু

পাখি ডাকা ভোর মেলি আঁখি ডোর
শিশির ভেজা রাত শেষে এই প্রভাত
দিন যেন হয় শুরু তোমার নামে হায়
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে যেন প্রভু তোমায় স্মরে যায়
আল্লাহু

আল্লাহ্ আল্লাহ্ জপি যেন সকাল সন্ধ্যা রাতে
ঐ নামের সুর উঠে যেন এই মন বীনাতে
অমানিশা ভোর চাঁদিমা চাদর
ঘুম ঘুম স্বপ্নালোক জেগে থাকা চোখ
রাত যেন তোমারি স্মরণে কেটে যায়
তোমারি দরবারে দুহাত তুলে দাঁড়াই
আল্লাহু

 

71. গান: কামলিওয়ালা পেয়ারা নবী
কথা: খালিদ সাইফ
সুর: আবু রায়হান

কামলিওয়ালা পেয়ারা নবী সাল্লি আলা মোস্তফা
তোমারি আগমনে হাসলো মরু সাহারা
তোমার নামে বুলবুলিরা গাইলো প্রথম গান
সেই সুরেতে ব্যাকুল হল সারাটা জাহান।

তুমি যে নূরের নবী ধ্যানের ছবি
তোমার রূপে পাগলপারা হাজারো কবি
সুরকার সুর বাঁধলো শিল্পী তোলে গান
সেই গানেতে মাতলো ভুবন ভরলো মন প্রাণ।

এলে তুমি অন্ধকারে আলো ফুটিয়ে
জাহিলি দ্বন্দ্ব যত দিলে মিটিয়ে
অমানিশা ঘোর আঁধারে পুর্ণিমারি চান
রাসূল নামের পরশ পেয়ে ছুটলো আলোর বান।

 

72. গান: আল্লাহ্ সুবহান তুমি মেহেরবান
কথা: গোলাম মোহাম্মদ
সুর: গোলাম মাওলা

আল্লাহ্ সুবহান তুমি মেহেরবান রাহীম
তোমার দয়ায় আকাশ জমিন
তুমি আলিউল আজিম।

তোমার রহম পেয়ে হলো ধরা পুস্পময়
মাঠে মাঠে ফসল ফলে
জীবন মধুর হয়
কী বলবো সেই গুণের কথা
তুমি অনন্ত অসীম।

নদীর পানি ছলাৎ ছলা
তোমার নামে বয়
তুমি স্নেহের হাতে রাঙিয়ে দিলে এই বিশ্বময়
চাঁদ তারকা তোমার নামে
হলো আলোক রঙ্গিন।

73. কেন- কেন কেন ?

 মুহিব খান

কেন রাজার ছেলে রাজা

হয়ে যায় পীরের ছেলে পীর,

 কেন সার্থান্বেষী এন জিও গুলি এদেশে জমায় ভীর

কেন বিদেশী প্রভূর ইঙ্গিতে চলে এদেশের সরকার,

 কেন দাদারা গোপনে ওপারে পাঠায় এপারের রোজগার

কেন কেন কেন

কেন নারী নেত্রীর কাজের মেয়েটি হচ্ছে নির্যাতিতা,

 কেন অচিকিৎসায় ধুকে মরে ডাক্তার পুত্রের পিতা।

কেন সারা মাস খেটে স্কুল শিক্ষক বেতন পায়না তার,

কেন ছয় চার মেরে লাখ টাকা পায় সামান্য খেলোয়ার।

কেন ছমাস যেতেই মহাসড়কের আস্তর যায় ফেঠে,

 কেন মিছে মামলার ফাদে বে-খসুর মরবে হাযত খেটে।

কেন রাজার ছেলে রাজা হয়ে যায় পীরের ছেলে পীর,

 কেন সার্থান্বেষী এন জিও গুলি এদেশে জমায় ভীর।

কেন বিদেশী প্রভূর ইঙ্গিতে চলে এদেশের সরকার,

 কেন দাদারা গোপনে ওপারে পাঠায় এপারের রোজগার।

কেন কৃষকের ছেলে মন্ত্রি হয়ে বানাবে অট্রালিকা,

আমার দেশের ইমাম নিয়োগ দেবে কেন আমেরিকা।

কেন? কেন? কেন?…………………কেন?
কেন মসজিদ কমিটির নেতা ঘুষখোর বেনামাজি,

কেন এলাকার ত্রাস, খুনি, লম্পট টাকার গরমে হাজী।

কেন মিছে নবুয়ত দাবীদারদের মুসলিম হবে বলা

, কেন ভি আই পি দের বহর থামাবে জনতার পথ চলা।

কেন মহা পণ্ডিত রাজনীতিকরা পায়না ঘরের ভোট,

আবার সাড়ে দশজন নেতা মিলে হয় এগার দলের জোট।

কেন নাস্তিক দুচ্ছোরদের ঘরে মদের আড্ডা বসে,

কেন কলকাতা গিয়ে ইহাদের (তাওহীদ) গালে তাসলিমা চর কষে।

কেন ধর্মের সাথে গাদ্দারী করে মুরতাদ পাবে ছাড়,

কেন টকশোতে চলে জ্ঞান পাপীদের অবাধ মিথ্যাচার।

কেন জোর পূর্বক স্বীকারোক্তির জন্য অত্যাচার,

কেন সূদি মহাজন শান্তিতে পাবে নোবেল পূরস্কার।
কেন? কেন? কেন?…………………কেন?

কেন বাংলা ভাষার দিনটাকে বলি একুশ ইংরেজীতে,

 কেন শিল্পের নামে মন্দ চর্চা চলছে এফডিসিতে।

কেন মিনার মাজার কবরেতে দিবসের ফুল গোজা,

কেন চেতনার নামে মানব মূর্তি ভাস্কর্যের পূজা।

কেন বৃটিশ আইনে করছে বিচার বাংলাদেশের কাজী,

 কেন পাবলিক প্যাচে কেউবা করছে অযথাই বোমাবাজি।

কেন বাংলাদেশের স্থপতি হবেন বাঙ্গালী জাতীর পিতা,

কেন সংখ্যা বাড়িয়ে বলতে হবে ৩০ লক্ষ বৃথা।

কেন জাতীয়তা নিয়ে চলে বিতর্ক বাঙ্গালী. বাংলাদেশী,

 কেন বন্ধু না হয়ে প্রভূ হতে চায় সীমানার প্রতিবেশী।

কেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি থাকতে মুসলমান,

রাষ্ট্রিয় সঙ্গিত হয়ে যায় অন্য কবির গান।
কেন? কেন? কেন? ………………….কেন?

কেন ডিসকালচার উপহার দেবে অসভ্য এক জাতি,

 কেন বিদ্যার ব্যাগ হাটুতে ঝুলিয়ে ছাত্ররা মারে লাথি।

কেন মদীনা. সখীনা. কারীমার গায়ে কারিনা কাপুর জামা,

 কেন ঋত্বিক সেজে রফিক বাধায় অযথাই হাঙ্গামা।

কেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার নামে নারীকে পন্য করা

, কেন ফ্যাশনের নামে উগ্র নারীর উদভট নরাচরা।

কেন টিভি পর্দায় বিজ্ঞাপনের বাড়তি তেলেসমাত,

 কেন পত্রিকাজুড়ে ফালতু মডেল নায়িকার উৎপাত।

কেন বৈশাখ এলেই পান্জাবী আর ইলিশ পান্তা ভাত,

 আবার নারী মদ নিয়ে কাটে ইংরেজী নববর্ষের রাত।

যদি মর্ডান যুগে তাসবিহ খতম তাবিজ কবজ বাদ,

কেন মঙ্গল প্রদিপ তিলক ঢোলক রাশির আশির্বাদ।
কেন? কেন? কেন? ………………………..কেন?

যে প্রজাতন্ত্রের মুসলিম হল ৯০ ভাগ প্রজা,

 তাকে সেকুলার বলে পরিচয় দিতে লাগে কেন এত মজা।

যদি ধর্মের সাথে আধুনিকতার এতটাই সংঘাত,

 তবে থিয়েটার উদ্ভোধনের আগে কেন কুরআন তেলাওয়াত।

কেন ভার্সিটি আর কলেজ গুলুতে অস্ত্র গোদাম রেখে

, সরকার কাপে মাদ্রাসায় পড়া মাওলানাদের দেখে।

কেন মৌলবাদের অপবাদ সয়ে বাচবে মুসলমান,

কেন সন্ত্রাস নামে অভিহিত হবে জিহাদের আহবান।

যদি এদেশেই চলে পুজিবাদ আর কোমিও নিজম প্রীতি,

 তবে তাহাদের কেন এত বিষ লাগে ধর্মীয় রাজনীতি।

যদি এদেশেই মিটে দিল্লি মসকো ওয়াসিংটনের স্বাদ

, তবে মক্কার জ্যোতি মুহাম্মদের (সাঃ) ইসলাম কেন বাদ।
কেন? কেন? কেন?………………………………………………………কেন?

74 . মুহিব খান

 

হে আরাকান!
মরবে যখন লড়েই মর,
হে আরাকান! বন্ধু প্রাণের!
আসবে বিজয়, খুব দূরে নয়,
সুর শোনো ওই বিজয়গানের।

অনন্তকাল জ্বলবে না আর
অত্যাচারীর লাল কড়াইয়ে।
রক্ত-ছাইয়ের হিসাব রাখো,
সব চুকাবো শেষ লড়াইয়ে।

বাংলাদেশের অজস্র হাত
হাত মেলাবে তোমার হাতে।
জাগবে ঈমান বঙ্গসেনার
ছুটবে তারাও প্রত্যাঘাতে।

হয়- আরাকান মুক্ত হবে,
স্বাধীন দেশের শক্তি বলে।
নয়- আরাকান যুক্ত হবে
বাংলাদেশের ঝাণ্ডাতলে।

হে আরাকান! তোমার নিশান
আঁকছি আমি নতুন করে।
যে গান তোমায় প্রাণ যোগাবে
লিখছি সে গান তোমার তরে।

ইলহাম : বাদ মাগরিব,
১৯/১১/২০১৬ শনিবার।

৭৫.mxgvন্ত  Ly‡j `vI

DËi n‡Z দক্ষিন মেরু mxgvন্ত  Ly‡j `vI

mviv `ywbqvi gymjgv‡bi eÜb wQu‡o `vI|

Avie AvRg wg‡j wg‡k hw` n‡q hvq GKvKvi

gnvm‡Z¨i G gnvweRq †ivwa‡e mva¨ Kvi

K‡iv-civaxbZvi wkKj fv½vi `„ß A½xKvi

Avwac‡Z¨i AvMÖvm‡bi wel`uvZ †f‡½ `vI|

DËi n‡Z `wÿY †giæ mxgvšÍ Ly‡j `vI

mviv `ywbqvi gymjgv‡bi eÜb wQu‡o `vI|

Gcvi Icvi mviv `ywbqvi mKj gymjgvb

GKB ZiYxi hvÎx mevB GK †`n GK cÖvY

cÖvP¨ wKsev cvðv‡Z¨i †bB †bB e¨eavb

mv`v Kv‡jv Avi abx Mwi‡ei †f`v‡f` fz‡j hvI|

DËi n‡Z `wÿY †giæ mxgvšÍ Ly‡j `vI

mviv `ywbqvi gymjgv‡bi eÜb wQu‡o `vI|

R¡‡j †M‡Q AvR wRnvw` Av¸b w`‡K w`‡K `ywbqvi

†Lv`v‡`ªvnx‡`i ZLZ ZvDm cy‡o n‡e QviLvi

| I‡i-nvZ †c‡Z bq †Rvi K‡i AvR †K‡o bvI

 AwaKvi gvRjygv‡bi cÖv‡Y cÖv‡Y AvR †m Av¸b †R¡‡j `vI|

DËi n‡Z `wÿY †giæ mxgvšÍ Ly‡j `vI

 mviv `ywbqvi gymjgv‡bi eÜb wQu‡o `vI|

†Lv`vi Rwgb gywg‡biv AvR Ki‡e wbqš¿Y

 wZ‡j wZ‡j hw` g‡i hvq Zey j‡o hv‡e AvgiY

AvR-wRnv‡`i c‡_ †Kvievb n‡Z WvwK‡Q iYv½b

 †m iYv½‡b knx‡`i Ly‡b Rxeb‡K †i‡O `vI|

 DËi n‡Z `wÿY †giæ mxgvšÍ Ly‡j `vI

 mviv `ywbqvi gymjgv‡bi eÜb wQu‡o `vI|

৭৬.  G †`‡k Avjvû AvKev‡ii my‡i

G †`‡k Avjøvû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

G †`‡k Avjøvû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

 G †`‡ki gvল্লা-gvwS wKlvY gRyi mevi †Vuv‡U

†kv‡bv‡i jv Bjvnv Bল্লাল্লাni whwKi I‡V

Cgv‡bi Zß Av¸b R¡j‡Q mevi ey‡K ey‡K

†m Av¸b †`k n‡Z †`k-†`kvšÍ‡iI R¡vj‡Z n‡e|

G †`‡k Avjvû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

G †`‡k Avjvû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

G †`‡ki c‡_-Nv‡U.... G †`‡ki evRvi nv‡U...

 G †`‡ki M‡Ä MÖv‡g †Lv`vi bv‡gi Zvmex nv‡Z

K‡Zv cxi AvIwjqv‡`i Aশ্রু S‡i Mfxi iv‡Z

†h †`‡ki mšÍv‡biv g³‡e hvq †Kvivb ey‡K

 †m †`‡k Avj-†Kviv‡bi kvmb Kv‡qg Ki‡Z n‡e|

G †`‡k Avjvû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

G †`‡k Avjøvû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

G †`‡ki cwi‡e‡k.... Avhv‡bi aŸwb †g‡k....

 G †`‡ki wgbvi n‡Z gyqvw¾‡bi AvRvb ï‡b

 †KvwU cÖvY a~jvi c‡i †mR`v K‡i †Lv`vi m‡b

†h †`‡ki Rwgb fiv knx`-MvRxi †Mvi¯Ív‡b

 †m Rwgb PvB wPiw`b gy³-¯^vaxb AvRv` i‡e|

 G †`‡k Avjøvû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

 G †`‡k Avjøvû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

G †`‡ki AvKvk Ry‡o... AvRv`xi wbkvb D‡o...

 G †`‡k knx` wZZzi fv½v euv‡ki †Kল্লা n‡Z K‡Zv

exi bI‡Rvqv‡bi Lyb S‡i‡Q †Lv`vi c‡_

 wRnv‡`i R‡b¨ AvRI i³ hv‡`i M‡R© I‡V

†m RvwZi MvdjwZ Nyg fvO‡e Avevi RvM‡e m‡e|

G †`‡k Avল্লাvû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

G †`‡k Avল্লাû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

G †`‡ki Rj-¯’‡j... G †`‡ki dzj-dm‡j..

. G †`‡ki meyR gvwU meyR Nv‡m,

 meyR e‡b gw`bvi meyR wgbvi Sj‡m D‡V `yB bq‡b

G †`‡ki wkKo †Zv bq w`wjø‡Z ev IqvwksU‡b

G †`‡ki wkKo Rvwb Qwo‡q Av‡Q `~i Avi‡e|

G †`‡k Avল্লাû AvKev‡ii my‡i m~h© I‡V|

G †`‡k Avল্লাû AvKev‡ii my‡i m~h© †Wv‡e|

 

 

৭৭ .আবার যুদ্ধ হবে...

( মুহিব খান)

------------------

যদি আমার দেশের সীমানা বন্ধু মুছে

দিতে কেউ চায়,

যদি আমার মাটির ধন-সম্পদ লুটে নিতে

কেউ চায়,

যদি আমার সাগরে আমার পাহাড়ে

ভেড়ায় লোভের চোখ,

আমি প্রতিবাদে জ্বলে উঠবোই তবে

যা হবার তাই হোক,

এই শান্ত সবুজ পতাকায় যদি পড়ে শকুনের

থাবা,

এই সুপ্ত বারুদ জাতি নিয়ে ফের খেলে

যদি কেউ দাবা,

কোটি মানুষের প্রাণের কুটিরে

আগ্রাসনের হাত যদি কেউ বাড়ায় তবে

............

আবার যুদ্ধ হবে... আবার যুদ্ধ হবে...

আবার যুদ্ধ হবে... আবার যুদ্ধ হবে... (২)

চল চল চল!
উর্ধগগনে  বাজে মাদল
নিম্নে উতালা ধরনী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।

যদি ষড়যন্ত্রের জাল ফেলে কেউ আমার

দেশকে ঘিরে,

রেসকোর্সের তপ্ত ভাষণ আবার আসবে

ফিরে।

দুশমন যদি খর্গ চালায় নকল বন্ধু সেজে,

কালুরঘাটের দৃপ্ত ঘোষণা আবার উঠবে

বেজে।

সেই স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র

আবার গর্জে উঠবে।

আর বাংলা মাটির সূর্যসেনারা

রাইফেল হাতে ছুটবে।

হোক নমস কিংবা নভোচর, জাতি জীবন

মরণ লড়াই করে

মুক্ত রবে....

আবার যুদ্ধ হবেআবার যুদ্ধ হবে

আবার যুদ্ধ হবেআবার যুদ্ধ হবে...(২)

যদি ইটপাথরের দুর্গ দেয়াল ভেঙ্গে

ভেঙ্গে যায় পড়ে

শহীদ তিতুর বাঁশের কেল্লা আবার

তুলবো গড়ে

যদি রক্তের নদী পেরিয়ে আবার নতুন

রক্ত ঝরে,

সেই ভাঙ্গা কেল্লায় উড়াবো নিশাণ

আবার নতুন করে।

এই মুসলমানের অভয়ারন্যে কাউকে

দিবোনা ঢুকতে,

মোরা পাথরের নয় পাজরের বাঁধ গড়বো

তাদের রুখতে

কোন তাবেদার কোন গাদ্দার যদি মীর

জাফরের সেই কালোপথ মাড়ায় তবে....

আবার যুদ্ধ হবে...আবার যুদ্ধ হবে

আবার যুদ্ধ হবে...আবার যুদ্ধ হবে… (২)

বাজিছে দামামা বাঁধ রে আমামা
শির উঁচু করি মুসলমান
দাওয়াত এসেছে নয়া জামানার
ভাঙা কেল্লায় উড়ে নিশান ॥

মোরা পৃথিবীর কোন পরাশক্তির

মানিনা খবরদারী

কোন শৃঙ্খল , কোন অবরোধ , কোন হুমকি

বা হুশিয়ারী

এই পৃথিবীর বুকে বন্ধু সবাই , প্রভু নয় কেউ

কারো

দখল শোষণ উৎপীড়নের সব পাঁয়তারা

ছাড়ো

মোদের ইতিহাস আছে সম্মান আছে, না

থাক বস্ত্র অন্ন

এই দেশের জন্য লড়েছি আমরা, মরেছি

ভাষার জন্য

যদি জলস্থল কিবা অন্তরিক্ষে কেউ

আমাদের বাঁধার শিকল পড়ায় তবে.......

আবার যুদ্ধ হবে... আবার যুদ্ধ হবে...

আবার যুদ্ধ হবে... আবার যুদ্ধ হবে...(২)

কারার ঐ লৌহ কপাট
ভেঙে ফেল কর রে লোপাট
রক্ত জমাট শিকল পুজোর পাষাণ বেদী
ওরে ও তরুণ ঈষাণ
বাজা তোর প্রলয় বিষাণ
ধ্বংস নিশান উক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি ॥

কথা ও সুরঃ মুহিব খান

এলবামঃ "আবার যুদ্ধ হবে"

সমাপ্ত

 

৭৮. ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি

(কবি মুহিব খান)

ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি, সোনার চাইতে খাটি, নগদ রক্ত দিয়ে কেনা।

শত্রু বা হানাদার, একটি কনাও তার, কেড়ে নিতে কেউ পারবে না।।

রঙ্গের তুলিতে আঁকা, সবুজের ছায়া ঢাকা, সুজলা সুফলা পরিপাটি।

লক্ষ শহী* দ গাজী, রেখেছে জীবন বাজী, করেছে স্বাধীন এই মাটি।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ সবার প্রাণ।

ধন্য ধন্য আমি, সবার চাইতে দামি, বাংলা মাটির সন্তান।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ খোদার দান।

সোনার জন্মভূমি, তোমার জন্যে আমি, জীবন দিয়েছি কোরবান।।

চারিদিকে দুশমন, ভেঙ্গোনা ভেঙ্গোনা মন, সাহস জমিয়ে রাখো বুকে।

ঈমা* ন জিন্দা করে, জিহা* দের হুংকারে, পরাজিত করো শত্রুকে।।

চারিদিকে গাদ্দার, ভিনদেশি তাবে*দার, সজাগ দৃষ্টি রাখো সবে।

সকল মীরজাফর, বিদেশি গোলাম চর, রুখতে তাদের আজ হবে।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ সবার প্রাণ।

ধন্য ধন্য আমি, সবার চাইতে দামী, বাংলা মাটির সন্তান।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ খোদার দান।

সোনার জন্মভূমি, তোমার জন্যে আমি, জীবন দিয়েছি কোরবান।।

শান্ত মাটির নিচে, এখনো ঘুমিয়ে আছে, অগণিত সাধু আউ* লিয়া।

সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা, ভাসানী, আছে মুজিব, ওসমানী ও জিয়া।।

শহীদ তিতুর দেশে, মুক্ত স্বাধীন বেসে, সবুজ লাল পতাকা ওড়ে।

সময়ে ঝড়ের বেগে, চেতনায় উঠবে জেগে,জাগ্রত কোটি অন্তরে।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ অম্লান।

বুকের র* ক্ত ঢেলে, রেখেছি সবাই মিলে, মাতৃভাষার সম্মান।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ চিরমহান।

এ মাটির বুক হতে, বাজবে সারা জগতে, বিশ্ব মানবতার গান।।

অনেক দামের দেশ, রক্ত ঘামের দেশ, মায়ার বাধন বড় বেশি।

হিন্দু মুসলমান, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান, বাঙালি পাহাড়ি এক দেশি।।

কেন তবে সংঘাত, কেন কীসের বিবাদ, ভাই ভাই রাখো হাত হাতে।

সমরে বক্ষ পাতি, হয়েছি শ্রেষ্ঠ জাতি, নজির দেখাও দুনিয়াতে।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ সবার প্রাণ।

ধন্য ধন্য আমি, সবার চাইতে দামী, বাংলা মাটির সন্তান।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ খোদার দান।

সোনার জন্মভূমি, তোমার জন্যে আমি, জীবন দিয়েছি কোরবান।।

ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি, সোনার চাইতে খাঁটি, নগদ র* ক্ত দিয়ে কেনা।

কসম সেই খোদার, একটি কনাও তার, কেড়ে নিতে কেউ পারবে না।।

রঙ্গের তুলিতে আঁকা, সবুজের ছায়া ঢাকা, সুজলা সুফলা পরিপাটি।

লক্ষ শহীদ গাজী, রেখেছে জীবন বাজী, করেছে স্বাধীন এই মাটি।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ সবার প্রাণ।

ধন্য ধন্য আমি, সবার চাইতে দামী, বাংলা মাটির সন্তান।।

বাংলাদেশ আমার, বাংলাদেশ তোমার, বাংলাদেশ খোদার দান।

সোনার জন্মভূমি, তোমার জন্য আমি, জীবন দিয়েছি কোরবান।।

 

৭৯. ইরাক আমার ভাই

 মুহিব খান

 

ইরাক আমার ভাই, ইরান আমার বোন
আফগান, ফিলিস্তিন আমার বন্ধুজন
প্রতিবেশী আরাকান, কাশ্মীরও আপন
বসনিয়া চেচনিয়া ফিলিপাইন সোমালিয়া লেবানন
দিকে দিকে সাম্রাজ্যবাদের কালো থাবা দেখোঔ
করতে তো কিছু পারিনা বন্ধু, তাই চোখ বুজেঁসই
আমি তো ঘরে বসে থাকার লোক নই।

দেখো দেখো! চেয়ে দেখো! চারিদিকে তাজালাশ
আবু গারিবের বন্দিখানায় পিশাচের উল্লাস
শোনো শোনো! ঐ শোনো! দানবের হুংকার
হাসপাতালের বেডে পড়ে ছাই শিশুদের চিৎকার
রক্তের দরিয়ায় কত ফুল ভেসে যায়
কত মা বোনের ক্রন্দনরোল ধুলিঝড়ে মিশে হায়!

আমি তো স্বাধীন, তবু পরাধীন- কাঁটাতারে বাঁধা রই
ব্যথা জাগে প্রাণে, তাই গানে গানে হৃদয়ের কথা কই
আমি তো ঘরে বসে থাকার লোক নই।

কত সংগ্রাম কত বিপ্লব কত জেহাদের শুনি ডাক
তবু ছলছল আঁখি ডানাভাঙা পাখি হয়ে থাকি নির্বাক
কবে যে সেই আসবে দিন? ছিঁড়ে শিকলের টান-
মুসলমানের দুর্দিনে ছুটে আসবে মুসলমান।
প্রতিবাদে প্রতিরোধে মুখরিত উত্তাল
মাজলুমানের মুক্তি পতাকা উড়বে রক্ত লাল।

নেই নেই আর ভয়, সেই দিন দূরে নয়
শহীদের খুন জ্বালাবে আগুন তামাম দুনিয়াময়।
সে আগুনে পুড়ে হবে ছারখার জালিমেরা নিশ্চয়ই,
মানে না তো মন, তাই দুনয়নে স্বপ্নের বোঝা বই
আমি তো ঘরে বসে থাকার লোক নই।

 

 

80 এক হও লিরিক্সঃ

মুহিব খান

বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন
নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ

বল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আজ হয়ে গেছি মোরা সকলে এক
ওরে দেশ জাতি দ্বীন ঈমানের শত্রুরা সবে তাকিয়ে দেখ
আমাদের বুকে গেঁথে নেব গুলি বাঁচাবো এদেশ, বাঁচাবো দ্বীন

তোরা পারবি না রুখতে মোদের জাগরণী এই কুচকাওয়াজ [)
বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন
নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ

ফিরকা তরিকা মাযহাব আর রাজনীতি নিয়ে কেন লড়াই
মুসলিম নামে এক হও সবে, চেয়ে দেখ আর সময় নাই
তুমি বড় আমি ছোট হতে পারি এ নিয়ে করো না কোন বড়াই
বিপদে আমার পাশে থাকো তুমি, আমিও তোমার লাগবো কাজ ( )

বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন
নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ

দেখ নাস্তিক বে দ্বীনেরা সব করে রাজপথে আস্ফালন
তোমরা নিজের মত পথ ধরে বসে রবে ঘরে কতক্ষণ
ভাগে ভাগে দেখো তারা তোমাদের সবারে করবে ধ্বংস লীন
নিজেরা লড়াই করে যাবে আর পেয়ে যাবে পার জুলুমবাজ ()

বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন
নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ

যদি এক হও, যদি এক রও, তোমরাই হবে শক্তিবান
তোমাদের ঝড়ে উড়ে যাবে সব গুলি বন্ধুক তোপ কামান
ইসলাম আর স্বাধীনতা বুকে জেগে যাবে কোটি মুসলমান
থর থর করে ভেঙ্গে যাবে ওই জালিম শাহীর তখত তাজ

বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন
নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ

ওরা ঘরে বসে কথা বলে আর লাফায় চত্বরে
মোরা কথা বলি ময়দানে, থাকি কোটি মানুষের অন্তরে

আমাদের লাঠি ছড়িয়ে রয়েছে সারাবাংলার ঘরে ঘরে
এসো সবে এসো, রাজপথে মেশো দেখাও শক্তি রুদ্র সাজ

বাংলার সব পীর মাশায়েখ ওলামা জনতা জাগোরে আজ
হাতে হাত ধরে এক হও ওরে, বজ্রকন্ঠে তোল আওয়াজ
ওলী আউলিয়া মুজাহিদীনের মেহনতে গড়া এই জমিন

নাপাক বানাতে দেবো না কাউকে মুমিনের এই জায়নামাজ (৩ বার)

 

৮১ . এটা বাংলাদেশ"

কবি মুহিব খান

আমার বাংলাদেশ হয়ে যাবে আফগান ভেবে থাকো যদি তবে ভুল হবে,

আমার বাংলাদেশ বানাবে ভিয়েতনাম ভেবে থাকো যদি তবে ভুল হবে,

আমার বাংলাদেশ আবার পাকিস্তানে ফিরে যাবে ভাবো যদি ভুল হবে,

আমার বাংলাদেশ ভারতের সেবাদাস হয়ে যাবে ভাবো যদি ভুল হবে।

এটা বাংলাদেশ,

এটা সিকীম নয়!

এটা বাংলাদেশ,

এটা ভূটান নয়!

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

সীনেমেঁ বাংলাদেশ, জীনেমেঁ বাংলাদেশ,

বাংলাদেশ কে কওয়ী রাম নেহী,

সারী দুনিয়াকো দেখলায়েগা বাংলাদেশ,

হামভী কিছিছে কম নেহি।

জনম দুঃখিনী এক জননীর কোল জুড়ে ষোল কোটি আছে সন্তান,

কিছু খৃস্টান কিছু হিন্দু বৌদ্ধ আর অগণিত মুসলমান।

যদি ধর্মের নামে কোন সন্ত্রাসবাদ জাগে এখানে হবেনা তার ঠাই,

যদি নিরপেক্ষতারুপে ধর্মহীনতা আসে তাকেও ফিরাব আমরাই।

এটা বাংলাদেশ,

এটা ক্রিমিয়া নয়!

এটা বাংলাদেশ,

ইস্ট তিমুর নয়!

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

সীনেমেঁ বাংলাদেশ, জীনেমেঁ বাংলাদেশ,

বাংলাদেশ কে কওয়ী রাম নেহী,

সারী দুনিয়াকো দেখলায়েগা বাংলাদেশ,

হামভী কিছিছে কম নেহি।

ওগো দুশমন জানি তুমি তাক করে বসে আছ ওপারে তোমার বন্ধুক,

দেখ এপার তাকিয়ে দেখ আমরাও জেগে আছি পেতে রেখে ষোল কোটি বুক।

তুমি পারবেনা কেড়ে নিতে আমার সে স্বাধীনতা রক্তে দিয়েছি যার দাম,

এখানে আছে আমার জীবন-মরণ আর এখানে আমার ইসলাম।

এটা বাংলাদেশ,

এটা ইরাক নয়!

এটা বাংলাদেশ,

এটা কাশ্মীর নয়!

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

সীনেমেঁ বাংলাদেশ, জীনেমেঁ বাংলাদেশ,

বাংলাদেশ কে কওয়ী রাম নেহী,

সারী দুনিয়াকো দেখলায়েগা বাংলাদেশ,

হামভী কিছিছে কম নেহি।

জানি ঘরেও শত্রু আছে ওরা প্রভুদের কাছে দেশ আমার বেচে দিতে চায়,

ওরা হবেনা সফল আর প্রজন্ম সোচ্চার লাল-সবুজের পতাকায়।

মোরা খাই বা না খাই কিছু পাই বা না পাই তবু রক্ত বিলাতে নির্ভয়,

শ্রেণী ধর্ম নির্বিশেষে থাকবনা ঘরে বসে স্বদেশের কিছু যদি হয়।

এটা বাংলাদেশ,

সিংকিয়াং নয়!

এটা বাংলাদেশ,

মিন্দানাও নয়!

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

সীনেমেঁ বাংলাদেশ, জীনেমেঁ বাংলাদেশ,

বাংলাদেশ কে কওয়ী রাম নেহী,

সারী দুনিয়াকো দেখলায়েগা বাংলাদেশ,

হামভী কিছিছে কম নেহি।

এত সবুজ-শ্যামল এত সুন্দর-মনোহর দেশ জানি পৃথিবীতে নাই,

একে বিশ্বাসে ভক্তিতে জ্ঞানে আর শক্তিতে পূর্ণতা দেব আমরাই।

কারো করুণা ভিক্ষা নয় গোলামী চুক্তি নয় দাঁড়াব নিজেরা নিজ পায়,

সেই কালোহাত কেটে দেব বিষদাঁত ভেংগে দেব কেড়ে নিতে কেউ যদি চায়।

এটা বাংলাদেশ,

এটা সিরিয়া নয়!

এটা বাংলাদেশ,

এটা লিবিয়া নয়!

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

গানেও বাংলাদেশ প্রাণেও বাংলাদেশ সাবাস বাংলাদেশ বিশ্বময়,

সুখেও বাংলাদেশ দুঃখেও বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ নিঃস্ব নয়।

সীনেমেঁ বাংলাদেশ, জীনেমেঁ বাংলাদেশ,

বাংলাদেশ কে কওয়ী রাম নেহী,

সারী দুনিয়াকো দেখলায়েগা বাংলাদেশ,

হামভী কিছিছে কম নেহি।

 

৮২. বাঙ্গালী মুসলমান –

মুহিব খাঁন

ইসলাম যেথা জন্মেছে সে আরব থেকে বহু দূরে,

সবুজের বুকে লাল সূর্যটা উঠে আযানের সুরে।

রাসুলের যুগ হতে পনেরশ বছর পরেও এসে,

ঈমানের দ্বীপ জ্বলে ঘরে ঘরে আমার বাংলাদেশে।

এ যে রাসূলের দোয়ার ফসল এ যে আল্লাহর দান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি দূর মক্কার ইসলাম থেকে কিছুতেই নহি ভিন্ন।

ঐ সুন্দরবনে পড়েছে আমার সাহাবার পদচিহ্ন।

আমি ওলী দরবেশ পীর থেকে পাই আল্লাহর প্রেমভক্তি,

আর শত সংগ্রামী বীর থেকে পাই সত্যের মহাশক্তি।

এ আমার শুধু নহে পরিচয় এ আমার সম্মান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি শিখি একসাথে জিকির জিহাদ শাহ জালালের কাছে।

তাই কি করে তাগুত হয় পরাভূত সে আমার জানা আছে।

আমি শিখেছি লড়াই দরবেশ, সাঈ ফকির মজনু শাহর।

আমি মানুষের চির কল্যাণকামী অনুসারী আল্লাহর।

আমি শক্তি ভক্তি যুক্তিতে খুঁজি মুক্তির সন্ধান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি চিনি সেই পথ হাজী শরীয়ত যে পথের সংগ্রামী।

আমি জেনেছি আমার ঈমানের দাবী জীবনের চেয়ে দামী।

এই স্বদেশ ধর্ম স্বজাতিকে দেখি সংকটে যতবার।

আমি শহীদ তীতুর ভাঙ্গা সে কেল্লা গড়ে তুলি ততোবার।

আমি ন্যায়ের যুদ্ধে বারে বারে তাই জীবন করেছি দান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি স্বাধীন সূর্য খুঁজে ফিরি সেই পলাশির রাত হতে,

আর বারে বারে পরি শত্রু শিকল রাজাদের দাসখতে।

তবু পরাজয় আমি মানি নাকো জানি আমারি বিজয় হবে।

আজ হোক কিবা কাল হোক কিবা জানিনা সেদিন কবে?

জানি পতনের শেষে বিজয়ের বেশে আসে মহা উত্থান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

করি মুসলিম হয়ে সহাবস্থান অমুসলিমের সাথে।

আমার ধর্ম আমায় শেখায় শান্তি, সন্দেহ নেই তাতে।

আমি নীতি আদর্শে মানবতাবাদী, উদার, সত্য পন্থী।

আমি মননে মুক্ত, আশায় পূর্ণ, ভাষায় কিংবদন্তি।

করি ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণী ও কর্মে সাম্যের আহ্বান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি গড়ি আদর্শ ঘরে,পরিবারে, সময়ে, সমাজে, রাষ্ট্রে।

আমি মজলুম হয়ে বারে বারে উঠি জালিমের ফাঁসিকাষ্ঠে।

আমি বিপ্লবী, আমি বিদ্রোহী, আমি চেতনায় দূর্দান্ত।

আমায় করিত সালাম কি আমার দাম জালিমেরা যদি জানত?

আমি দেশ জাতি আর ধর্মের লাগি চির নিবেদিত প্রাণ।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি নিজ দেশে হই পরবাসী, হই নিজ কারাগারে বন্দী।

আজ মীর জাফরের আত্মারা করে শত্রুর সাথে সন্ধি।

আমি বংশানুক্রমে দ্বীপ জ্বেলে যাই হাজার মশাল জ্বালতে।

আমি জাতিকে শেখাই মুক্তির তরে রক্তের নদী ঢালতে।

আমি স্বাধীনতাকামী চির সংগ্রামী আমি চির অম্লান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি খাঁন জাহানের কুম্ভির, আমি শাহ মাখদুমের বাঘিনী।

আমি হাজার বছর আগেই জেগেছি আজ নয়া করে জাগিনি।

আমি বখতিয়ারের তরবারী লয়ে জাগি নির্ভয়ে আজিও।

ওরে দুশমন যদি চায় এমন তবে যুদ্ধ দামামা বাজিও।

আমি মৃত্যুর মুখে গেয়ে যাই সুখে সত্যের জয়ও গান।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

আমি সাগরে মিশেছি,পাহাড়ে মিশেছি, জমিনে হয়েছি চূর্ণ।

আমি আকাশে বাতাশে স্বাসে নিঃস্বাসে মিশে গেছি সম্পূর্ণ।

আমি এই বাংলার সবুজের ভীরে ষোল কোটি হয়ে ছড়ানো।

জানি যতদিন রবে চন্দ্র সূর্য যাবেনা আমায় সরানো।

আমার এক হাতে রবে সবুজ পতাকা এক হাতে কোরআন।

বাংলাদেশের মুসলিম আমি বাঙ্গালী মুসলমান।

 

৮৩. বাংলার ইতিহাসে

মুহিব খান

বাংলার ইতিহাসে যখনই শত্রু আসে পালাবার পথ খুঁজে পায় না
ইংরেজ বেনিয়ারা এখানে খেয়েছে তারা পালিয়ে গিয়েছে পাক হায়েনা

বুঝে নিক আমেরিকা, বুঝে নিক ইন্ডিয়া, বুঝে নিক রাশিয়া ও চায়না
মুমিনের এই মাটি ইমানের এই ঘাটি কিছুতেই কেড়ে নেয়া যায় না

সাহাবায়ে কেরামের আগমনে এই দেশ হাজারো বছর আগে ধন্য
গরীবের মেহনতে গড়ে ওঠা এই জমিন কোটি কোটি মুমিনের জন্য

এ মাটির ফাঁকে ফাঁকে শহীদের খুন আছেে এ জমিন কখনো শুকায় না
মুমিনের এই মাটি, ইমানের এই ঘাটি কিছুতেই কেড়ে নেয়া যায় না

এখানে বখতিয়ার সতেরো ঘোর সোয়ার নিয়ে তোলে কলেমার পতাকা
এখানে শাহজালাল, শাহ মাকদুম, খান জাহানের দূর্গ গড়ে রাখা

এখানে উচ্চ শীর শরীয়ত, তিতুমীর মরে তবু মাথাতো ঝুকায় না
মুমিনের এই মাটি, ইমানের এই ঘাটি কিছুতেই কেড়ে নেয়া যায় না

এখানে লক্ষ প্রাণ আকাশে দেয় আযান জমিনে লুটায় কোটি কোটি শীর
এখানে হাওয়ার আগে হাজারো কণ্ঠে জাগে দিকে দিকে নারায়ে তাকবীর

এখানে গ্রাম শহরে প্রস্তুত ঘরে ঘরে আল্লাহর সেনারা ঘুমায় না
মুমিনের এই মাটি, ইমানের এই ঘাটি কিছুতেই কেড়ে নেয়া যায় না

 

 

৮৪. "ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর"

মুহিব খান

"ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর"

বিধ্বস্ত চৌচির, ভূ-স্বর্গ কাশ্মীর

তিলে তিলে জ্বলে পুড়ে হল ছাই।

প্রতিবেশি বাংলায় কোথাও আজো কি হায়

রুখে দাঁড়াবার মতো কেউ নাই, কেউ নাই?

জিহাদে যাবার মতো কেউ নাই?

জেগে ওঠো জেগে ওঠো ঘুমন্ত তিতুমীর

ভারতে আঘাত হানো সীমান্ত মহাবীর

তোমাদের হাতে কেন গোলামীর জিঞ্জির

ইতিহাসে কেন আজ জয় নাই, জয় নাই ?

রুখে দাঁড়াবার মতো কেউ নাই, কেউ নাই?

জিহাদে যাবার মতো কেউ নাই?

শোননা কি অসহায় শিশুদের চিৎকার?

দেখনা কি মা-বোনের ওড়নাতে হাত কার?

শহীদি মিছিলে চলো, উন্নত মম শির

শ্লোগানে শ্লোগানে জাগো 'নারায়ে তাকবীর'

বজ্র শপথে নাও খালিদের শমশীর

সমুখে চলার পথে ভয় নাই।

রুখে দাঁড়াবার মতো কেউ নাই, কেউ নাই?

জিহাদে যাবার মতো কেউ নাই?

জুলুমের দাবদাহে জ্বলে পুড় অঙ্গার

নিপীড়িত জাতি আজ ছাড়বেই হুংকার।

তুমিও গর্জে ওঠো ত্রাস হয়ে দিল্লীর

মুক্তি রণাঙ্গনে ছুটে চলো কাশ্মীর

রক্তে আগুন জ্বালো দূরন্ত জঙ্গির (যোদ্ধার)

মহাসত্যের জেনো ক্ষয় নাই।

রুখে দাঁড়াবার মতো কেউ নাই, কেউ নাই?

জিহাদে যাবার মতো কেউ নাই?

____জাগ্রত কবি মুহিব খান

 

৮৫ "দেশটাকে ভালবাসি"

_____ জাগ্রত কবি মুহিব খান

 

যদি দেশদ্রোহী বলে কভু মোর গলে

রাষ্ট্র পরায় ফাঁসি

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

কতো শহীদান দিয়ে গেছে প্রাণ

স্বদেশেরে অকাতরে

দেশটাকে ভালোবেসে নজরুল

গিয়েছিল কারাগারে

আমি দেশটাকে বড় ভালবাসি তাই

মানি না দেশের নীতি

আমি করি নাকো ভয়-ভীতি

আমি জীবনের পথে কেঁদে কেঁদে ফিরি

মরণের পথে হাসি।

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

অন্যায় আর অবিচারে ভরা

যে দেশের ঘরে ঘরে

সে দেশের কবি হয়ে বিপ্লবী

স্বজাতির সাথে লড়ে

আমি নিয়মের গান গেয়ে গেয়ে তাই

অনিয়ম ভেঙ্গে চলি

আমি মুক্তির কথা বলি

আমি সর্বনাশের রক্ত ঝরাতে

হয়েছি সর্বনাশী

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

সত্য বলার আছে অধিকার

যা কিছু হোক না কেন

মিথ্যার সাথে করিনি আপোস

করবো না কোনোদিনও

যদি হুংকার ছাড়ি হবে বাড়াবাড়ি

তাই বলি গানে গানে

বলি মানুষের কানে কানে

আমি মানার সাধনা ছেড়ে হতে চাই

না মানার সন্যাসী।

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

 

 

৮৬  "দেশটাকে ভালবাসি"

_____ জাগ্রত কবি মুহিব খান

যদি দেশদ্রোহী বলে কভু মোর গলে

রাষ্ট্র পরায় ফাঁসি

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

কতো শহীদান দিয়ে গেছে প্রাণ

স্বদেশেরে অকাতরে

দেশটাকে ভালোবেসে নজরুল

গিয়েছিল কারাগারে

আমি দেশটাকে বড় ভালবাসি তাই

মানি না দেশের নীতি

আমি করি নাকো ভয়-ভীতি

আমি জীবনের পথে কেঁদে কেঁদে ফিরি

মরণের পথে হাসি।

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

অন্যায় আর অবিচারে ভরা

যে দেশের ঘরে ঘরে

সে দেশের কবি হয়ে বিপ্লবী

স্বজাতির সাথে লড়ে

আমি নিয়মের গান গেয়ে গেয়ে তাই

অনিয়ম ভেঙ্গে চলি

আমি মুক্তির কথা বলি

আমি সর্বনাশের রক্ত ঝরাতে

হয়েছি সর্বনাশী

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

সত্য বলার আছে অধিকার

যা কিছু হোক না কেন

মিথ্যার সাথে করিনি আপোস

করবো না কোনোদিনও

যদি হুংকার ছাড়ি হবে বাড়াবাড়ি

তাই বলি গানে গানে

বলি মানুষের কানে কানে

আমি মানার সাধনা ছেড়ে হতে চাই

না মানার সন্যাসী।

আমি ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে যাবো গান

দেশটাকে ভালবাসি।

 


কোন মন্তব্য নেই