এই বেয়াদবরাই পারবে বাতিলের দুর্গ ভেঙ্গে ইসলামী ইমারাত প্রতিষ্ঠা করতে, আর জগত বিখ্যাত আলেমদের কাজ হল ঐ বাতিলের কাছে দ্বীন কে বিক্রি করে পেট পুজা করা । সুরা বাকারা পড়ে দেখ। ইহুদি আলেমদের কাজ । কী ভাবে তারা দ্বীনকে বিক্রি করত ! বর্তমান আলেম সমাজ মসজিদে কুরআন পড়তে ভয় পায়! আহ ইমানদার !!! কুরআন খতমের সাওয়াব বর্ননা করে । কিন্তু কুরানে বর্ণিত মুনাফেকের সাথে বর্তমান মুসলমানের মিল খুজে পায়না করন , মুনাফেকের যার সাথে মিল আছে সে আলেমের বেতন দাতা মসজিদ কমিটির সভাপতি। পাচ ওয়াক্ত নামায পড়েনা পারিবারি আচার অনুষ্ঠান ইসলাম বিরধি, ঘুস খোর ফাসেকের চাকর ইমামের পেছনে ইকতিদা কী সহিহ? শাপলা চত্তরের শিক্ষা যার চোখ খুলতে পারে না তারা ঐ ইহুদি আলেমদের মতই । কখন ভেবে দেখেছেন একজন ইহুদি যে তার দ্বীন কে মেনে চলে , আল্লাহকে ডাকে , তার কাছে কাদা-কাটি করে আল্লার জন্যে দান করে , আল্লার জন্যে যুদ্ধ করে সে কেন জাহান্নামে যাবে ? আপনার এলেম আছে তাই আপনি বলবেন তারা রাসুলের আনা দ্বীন কে মেনে নেই নি তার জন্যে । কথা সত্য, কিন্তু ভাবেন তো, এখন যদি কোন নবি আসে ঘোসনা করে আজ থেকে নামাজ ৭ ওয়াক্ত , রোজা ২ মাস রমজান ও জিল হজ্জ মাস , বিবাহ ৭ টা বৈধ, তাতে যারা এক ওয়াক্ত নামাযও পড়েনা তারা কি এর বিরধিতা করবে ?প্রথমে তারাই বিরধিতা করবে যারা ৫ ওয়াক্ত পড়ে।নামায যারা পড়েনা তাদের ৫ ওয়াক্তই কি আর ৭ ওয়াক্তই বা কী। তার আল্লার নেক্বাকার বান্দা হওয়ার সত্ত্বেও ইহুদী আলেমরাই প্রথমে বিরধিতা করে । তবে না বিষয়টা এমন নয় । নাময ৫ বা ৭ ওয়াক্ত কোন সমস্যা নয় সমস্যা যারা বে নামাযি সভাপতির আন্ডারে ইমাম নবি এসে তাদের কিছু দিক নির্দেশনা দিবেন যেমন , ইমাম সাহেব , আপনি যদি বিশ্বাস করেন আল্লাহই রিযিক দাতা, তবে ইমামতি হারানর ভয়ে বে নামাযি সভাপতির আন্ডারে চাকুরি করতে পারবেন না । মসজিদে হতে হবে আপনিই ইমাম আপনিই সভাপতি। সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব নিজ হাতে নিতে হবে । সুদ খোর ঘুস খোরের কাছে হাত পেতে বেতন নিতে পারবেন না। তখতি শুরু হবে ইমাম আর মসজিদের সভাপতি মিলে ঐ নবির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র । তাই রাসুলের আগমনে প্রথমে আলেমরাই বরধিতা করেছে। এ জন্যে আল্লাহ কুরআনে বলে তারা রাসুলকে নিজেদের সন্তানের চেয়েও বেশি চিনে , কিন্তু স্বার্থের কারনে বিরধিতা করে । ধর্মের ভেতরের যে পরিবর্তন তার জন্যে তারা দ্বীনের বিরধিতা করেনি, আজ যারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারে তারা যদি আল্লাহকে ভয় পায় ৭ অয়াক্ত তাদের কোন সমস্যা নয়। সমস্যা শুধু তাদেরই যারা আর ইমামতিকে একটা আয়ের উৎস বানিয়েছে । আবার ৪ বিবাহ কে বৃদ্ধি করে যদি ৭ বা ৯ করে তাও কোন সমস্যা না কারন জগতে ৯৮ শতাংশ লোকই ১ বউয়ের জালায় অতিস্ট দ্বিতীয় বিবাহ সপ্নেও দেখেনা। সমস্যা হল, পরদা করা । পারি বারিক সেপারেশন বজায় রাখা । পিতামাতার সেবা করা ।এমন আলেম ভুরি ভুরি দেখেছে বউয়ের পর্দার জন্যে পিতা মাতা থেকে আলাদা থাকে , অর্থ কস্টের অভাবে অধিক সন্তান নেয়া থেকে বিরত থাকা । ছেলে ও মেয়ের সম্পদে অধিকার দেয়া। কোন ইমাম যদি বনের সম্পদ দিতে রাজি না হয় তবে কি সে আল্লাহকে ভয় করে ? আপনি ভাবছে যারা জামাত করে তারা দাড়ি রাখেনা কারন তারা আল্লাকে ভয় করেনা , আর যারা আল্লাহকে ভয় করে না তারা ইমান হারা , আর যার ইমান নেই সে কাফের । আহ ! কি যুক্তি আমার চোখে এরকম আলেমই পায় সে তার মা - বাবার সাথে হয় সম্পর্ক ছিন্ন না হয় দূরে থাকে ।যে ছেলেটা নামায পড়েনা মা-বাবা তার মধ্যেই খায়। আর বলে , আহ ! আমার ছেলে ইমামতি তে যে বেতন পায় তাতে তার নিজের সংসারই চলে না , আমাকে কি করে খাওয়াবে? আবার ২ মাস হলেই কি আর ৪ মাস হলেই কি যারা ১ মাস রাখেনে তারা ২ মাসও রাখবে না । তাদের তো নবির বিরধিতার কোন কারন নেই ! একটাই কারন , যদি বলা হয়। রোজার দিনে, দিনের বেলা খাবার বিক্রি হারাম। এরকম ব্যাক্তির বাড়ি খেতে পারব না ইমামতি শেষ !!!! যারা রোজার দিনে চা ও বিড়ির দোকান চালু রাখবে এমন মুসল্লি মসজিদ কমিটিতে থাকতে পারবে না , ইমামতি শেষ ।আপনি শুধু জামাতের ইমানের ঘাটতি দেখতে পান? জন্ম নিয়ন্ত্রন করেনা, মা-বাবাকে সাথে রাখে ,মসজিদের সভাপতি প্রকাশ্য কবিরা গোনা করে না এমন ইমাম দেখতে চায়। ۞ أَتَأْمُرُونَ ٱلنَّاسَ بِٱلْبِرِّ وَتَنسَوْنَ أَنفُسَكُمْ وَأَنتُمْ تَتْلُونَ ٱلْكِتَـٰبَ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

Post a Comment