
এটা একটা ছবি , নাম, রাশিদা তালিব , আমেরিকার প্রতিনিধি পরিশদের সদস্য, লাল বৃত্তের মাঝে চোখ ,
গড়িয়ে পড়ছে পানি, এ পানি দেখে আমার চোখে ও পানি পড়ছিল ; কিন্তু নিজেকে একটু দুর্বল ও অকর্মণ্য
মনে হচ্ছিল। তার চেয়ে বেশী ক্ষোব আর হিংসায় জোলছিলাম ওই আলেমদের উপর ; যারা নিজেদেরকে
শুধু সাধারন মানুষের নেতা বা ইমাম মোনে করেনা এমনকি শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সোঃ এর ওয়ারিস
বা উত্তরাধিকারী মোনে করে , এমনকি নিজেদেরকে আল্লার প্রতিনিধি মনে করে , কারন আল্লাহ বলেছেন ,
স্বরন কর সে সময়ের কথা , যখন তোমার প্রতি পালক ফেরেস্তা দেরকে ডেকে বললেন; নিশ্চয় আমি
পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি তৈরি করব । আমি যানি ওই সমস্ত আলেম এই ছবিটি ভালো ভাবে দেখবেন না,
কারন তারা তাকওয়া বান খোদা ভীরু । আর তাকওয়া বান দের কোন নারীর দিকে চোখ দেয়া যায়েজ
নেই । তিনারা হয়ত ভাবছেন, এভাবেই তারা নিযেদেরকে আল্লার কাছে প্রমান করবেন , হে আল্লা্ আমিই
তোমার একমাত্র বান্দা , যে তোমাকে ভয় করে ,কারন দেখ , আমি বেগানা নারীর থেকে চোখ ফিরিয়ে
নিলাম , কিন্তু নারীর চোখ পর্দার অন্তর্ভুক্ত নয়, এ চোখের দিকে তাকিয়ে অনেকেই কাঁদবে ,
তার সাথে তাকবির ধ্বনি দিবে তাকে নিয়েই এগিয়ে যাবে , সে হবে নেতা আর সাধারন জনতা তাকে
নিয়েই গড়ে তুলবে , নির্যাতিত , শোষিত , বঞ্চিত মানুষের জন্যে নিরাপদ , আবাস যোগ্য পৃথিবী ,
রাষ্ট্র , সরকার , আর এই আলেম রা সেই রাষ্ট্রের ভেতরে থাকবে প্রজা , তখন বলবে , দেখ বেগানা
নারী আমাদের রাষ্ট্রের প্রধান তোমাদের জীবনে যে দুর্দশা তা নারী নেতৃত্বের কারনে , এর পর অনেক
হাদিস বা কোরানের আয়াত বলবে। সাধারন মানুষ তার কথায় উজ্জীবিত হবে , রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রহ করবে,
আর রাষ্ট্র তাদের পাকড়াও করবে , জেলে দিবে , শাস্তি দেবে , তখনও আিবিরা বলবে , দেখুন ভাইয়েরা ,
এই সরকার আলেমদের নির্যাতন কারী খোদাদ্রোহী , এর বীরুধে যুদ্ধ করা ফরজ ।আবার মানুষ উজ্জীবিত হবে ,
আগিয়ে যাবে আলেমের নেতৃত্বে , কোন এক চত্তরে , প্রশাসন তাদের উপর চালাবে নির্যাতন , গুলি , বোমা,
অনেক হতা হতের পর সেখান থেকে সবাই চলে যাবে । কিন্তু আলেম !! সে কি যেতে পারে ??????? আলেম
অজু করবে আর দাঁড়িয়ে যাবে , গভীর রজনিত, আল্লার দরবারে মৃদু উচ্চ স্বরে প্রচন্ড ক্ষোভ -ঘৃণা আর চোখে
পানি নিয়ে , দুহাত উঁচু করে মহান রবকে বলে দিবে ওই দিনের সব কথা …....................................
হে আল্লাহ , ধংস করে দাও ওই জালিম কে , যে তোমার বান্দাদের উপর জুলম করল , কত জন কে শহীদ
করল,!!!!!! আল্লাহ তুমিই আমার রব , আমি অসহায় বান্দা , এই জালিম কে তুমিই পার ধংস করতে , শাস্তি দিতে
,তুমিই রাজাধি রাজ তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দাও তুমি আমাদের এই জুলুম বাজ থেকে রক্ষা কর, ক্ষোদা ভিরু শাসক
দাও, বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে । আবা ফজরের আযান শুনে আলেম জেগে যাবে , ধীরে ধীরে ঘুম থেকে উঠবে
,অযুকরবে মসজিদে যাবে নামায পড়বে দুহাত আকাশের দিকে তুলে সবাইকে নিয়ে উচ্চ স্বরে ( কিন্তু একটু সতর্ক
)বলবে , হে আল্লাহ তুমি বাতিল কে ধ্বংস কর, ইসলামকে বীজয় দাও, কুরানের শাসন দাও , সমাজে ন্যায়বান শাসক
দাও , ( কিন্তু একটু সতর্ক , মসজিদের সভাপতি ক্ষমতাসীন দলের লোক ) এর পর সবাইকে বলবে একটু সতর্ক
হয়ে চলতে , ভাই সাবধান , এই যালিমের বিচার আল্লাহ করবে , এই যালিমের বিচার আল্লাহ করবে , আল্ললাহ ওকে
ধংস করবেই , সবাই হুজুরের সাথে বলবে , অবশ্যই , আল্লাহর রাসুল বলেছে ; তিন জন ব্যাক্তির দোয়া আল্লহ অবশ্যই
কবুল করবেন, তার মধ্যে এক জন মাজলুম যদি দোয়া করে, ভাই দোয়া করুন আল্লাহ যেন ওকে ধংস করে দেন, সবাই
চলে যাবে যার যার কাজে ,আল্লার নামে কজ শুরু করবে , সময় হলে নামায পড়বে , যিকির করবে, দোয়া দুরুদ , বিভিন্ন
মাসনুন দোয়া , বিভিন্ন রকম আমল ,আর শ্রস্টার প্রীয় বান্দা হিসেবে জান্নাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিবে। পৃথিবীর এই ঝামেলা ,
রাজনীতি, ছল-চাতুরী, গীবত-চোগখুরী থেকে বিরত থাকবে,আর বলবে, ভাই এই রাষ্ট্র পাপে ভরে গেছে। এই রাজনীতি-
রাষ্ট্রের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এর থেকে বিরত থাকুন , দাওয়াতী কাজ করুন এটাই ইসলামের মূল নীতি,
আল্লার রাসুল দাওয়াতী কাজ করেছেন গোপনে বা প্রকাশ্যে, বাতিল যদি বাধা দেয়, প্রয়োজন জীবন দিয়ে দিব। শহিদ হব ।
তবুও বাতিলের কাছে মাথা নত করবনা। এভাবেই চলতে থেকে রাষ্ট্র, সমাজ , কেউ ক্ষমতায়, কেউ ক্ষমতার বাইরে কিন্তু
সবাই রাষ্ট্রের জোনগণ ,মানুষের তৈরি আইনের অধিন , খোদার কুরান থাকে আলমারিতে, সবাই পড়ে কেউ নিয়মিত কেউ
অনিয়মিত , কেউ বুঝে কেউ না বুঝে। কিত্নু সবাই মুসলমান !!!! সাবধান কাউকেই কাফের বলা জায়েয নেই, একথা
কোরানে বা হাদিসে আছে প্রথমে ওরা বলে এর পর আলেমরা সায় দেয়। কিন্তু যারা ইসলাম পালন করে তাদের অনেকরই
আকিদায় গলদ আছে , এব্যাপারে আলেমরা সচেতন!!!! রাষ্ট্র যারা চালায় তারা এক গ্রুপকে প্রশ্রয় দেয় অন্য গ্রুপকে শাস্তি
দেয়। ঠিক যেন আখ খাওয়া গল্পের মত।
সব হারিয়ে তখন আলেমরা গভীর চিন্তায় পড়েযায়!!!! কীভাবে এই ঘুনে ধরা সমাজকে সংশোধন করবে?????? তারাতো
নবীর উত্তরাধীকারি , তাদেরতো অনেক দায়ীতব!!! একটি উপায়ত অবশ্যই খোলা আছে দাওয়াত,দাওয়াত,বাল্লিগু আন্নি
ওলাও আয়াত। কুরান হাদীসের সকল কথা মানুষের কাছে পোউছিয়ে দেয়ার জোর প্রচেস্টায় ঝাপিয়ে পড়ে,মানুস যদি
ভালো হয়ে যায় তো সব খতম। আমরা সফল। মানুষ ভাল তো রাষ্ট্র ভাল , সমাজ ভালো এভাবেই একটা ইসলামী রাষ্ট্রের
স্বপন , এভাবেই শাহাদাতের তামান্না ,কারন শাহাদাতে তামান্না না থাকলে তার মৃত্যু হবে জাহেলিয়াতের মৃত্যু। এভাবে
সকল হাদীস পালন করে জান্নাতে খোলা পাওয়া যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ এমনকি অন্যকে শুপারিশ করে অন্য দরজা দিয়ে
জান্নাতের সুজোগ । সমাজের সবথেকে শান্ত – ভদ্র মানুষ হতে হবে , কারন সবাই যদি ভালো বলে তবে আল্লহ ও তাকে
ভালোবলেন ,এ ভাবে এক জন শান্ত- ভদ্র আলেম মারাগেলে তার যানাযায় অনেক মানুষ শরিক হয় তার জন্যে দোয়া করে
, এগুলো ওই মসজিদের সভাপ্রতিঈ করে, এটা দেখে অন্য আলেমরা আরো উৎসাহী হয় তার মত হতে চায় , চেস্টা করে
,এলাকার চেয়ারম্যান বলে , দেখছেন হুজুর, আহ !!!!কী ভালো মানুষ ছিলেন ইমাম সাবেহ আসলে তারমত লোক আর
পাবনে । হুজুর আমাকে অনেক ভালো বাসতেন , অনেক দোয়া কালাম ওনার কাছথেকে শিখেছি ,কিন্তু খুব ব্যস্ত থাকিতো
নামাযটা ঠিকমত পড়তে পারিনা , দোয়া করবেন হুজুন , আজ জুমার দিন ,আমার মার জন্যে একটু দোয়া করেন ( আশ্তে
করে ১০০০টাকার একটা নোট ইমাম সাভেবের হাতের মধ্যে ভাজ করে অপরাধীর মত কাজু মাজু হয়ে তুলে দেন, যেন
অপরাধী , টাকাটা নিলেই ওনি মাফ পায়) আলেম চিত্না করে এরকম মানুষ কি কাফের হয় !!! যে ইসলামের জন্যে অর্থ
খরচ করে।মসজিদ মাদ্রাসা তৈরি করে । শুধু মাঝে মাঝে একটু মুখ খারাপ করে আরকি , জ্ঞান কমতো , আচতে আচতে
ঠিক হয়ে যাবে হে আল্লাহ আমার সভাপতিকে তুমি সঠিক দ্বীনর বুঝ দাও হেদায়েত দাও এটা মনে মনে বলে আর জোরে
জোরে বলে , আল্লাহ যে বা যারা তোমার ঘর মসজিদের ভালো বাসায় ইট , বালু , সিমেন্ট দান করল তাদেরকে তুমি
তোমার জান্নাতে একটা ঘর বানিয়ে দাও।যারা তোমার ঘর তৈরি করে তাদের জন্যে তুমি জান্নাতে ঘর তৈরী কর।তাদের মা
- বাপ , দাদা- দাদী, নানা - নানী যে যেখানে গহীন কব্রে শুয়ে আছে, তাদের কবরের আজাব তুমি এই সিমেন্ট – বালুর
অছিলায় মাফ করে দাও , হাশরের বিচারে তাদের সবাইকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিও, আল্লহ যারা আজ
মসজিদের জন্যে দান করল,এভাবে তাদের সবাইকে তোমার ঘরের খেদমত করার তাওফিক দাও।হাশরের মাঠে এদেরকে
ওমের সাথে জান্নাতে দিও , রাসুলের সঙ্গী করে দিও , হাউজে কাউসারের পানির ব্যাবস্তা করে দিও ।পরের জুমায় আবার
জ্বালাময়ী ভসন , ভাইয়েরা যারা মসজিদের জন্যে একটা ইট দান করেছেন ,কিয়ামতের দিন এই ইট আপনার রক্ষাকবচ
হবে। কবরে রক্ষা কবচ হবে।যেদিক থেকেই আজাবের ফেরেস্তা আসবে ইট সামনে গিয়ে দাঁড়াবে , কোন দিক থেকেই
আজাবের ফেরেস্তা আপনার কাছেও ঘেষতে পারবেনা।আল্লাহ তুমি আমাদের সবার দান কবুল কর!!!সবাই আল্লাহু আকবর
আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিতে তাকে , মুসল্লীরা আবেগে আপ্লুত , ইমাম সাহেব বলেন থামুন , থামুন ,থামুন । ওয়াজ শেষ
,যারা সিমেন্ট বা বালু দান করেছে তারা একটু দুঃচ্চিন্তা করে ইটতো খুব শক্ত ইটা তো ফেরেস্তা দের আটকাবে কিন্তু বালুতো
নরম !!!! আমি ইট না দিয়ে বালু দিলাম কেন???? বাড়ি ফেরার পতে চুপিসারে ইমাম সাহেবকে জিজ্ঞেস করে , হুজুর
ইটতো ফেরেস্তাদের আটকাবে কিন্তু বালু কী ফেরেস্তাদের আটকাতে পারবে ?? ইমাম সাহেব মুচকি হেসে বলেন পাগোল এই
চিন্তা করছেন ??? বালু কিভাবে আল্লার রাসুল হিজরতের সময় রক্ষা করে ছিল, যানেন না , মুসল্লি বলে , হ্যা , গত
জুমায়তো ওই ওয়াজ কোরলেন, ইমাম সাহেব বললেন, ওই ভাবে বালুও আপনাকে জান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করবে ,
দেখেননা বিসাল আগুনে বালুদিলে কিভাবে নিভে যায় ? ইমাম সাহেবে প্রজ্ঞা পূর্ণ কথায় মুসল্লি নিশ্চিত হয় যে , না তার
দানও তাকে জান্নাতে নিতে সক্ষম , সে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরে তার পারিবারিক কাজে ব্যাস্ত থাকে।এভাবেই দিন যায় দিন
আসে, ইমাম সাহেবের আল্লার রহমতে রিজিকের আর অভাব হয়না । ইমাম সাহেব একথাও কাউকে কাউকে বোঝান ,
ভাই দেখেন আল্লার রাস্তায় থাকলে রিজিকের অভাব হয়না। কয়টাকা বেতন পায় দেখেন আপনার চেয়ে আমার ইনকাম
কম কিন্তু আমার পেরেশানি নাই আল্লাই রিকিকের মালিক ভাই , রিজিকের জন্যে আল্লার উপর ভরসা করুন ভাই। সকাল
বিকাল জিকির করেন রিজিকের অভাব হবেনা।
Post a Comment