Header Ads

imran

editorial 1

চেচনিয়ার গ্রোজনিতে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে।আর এটা মায়ানমারের গনহত্যার প্রতিবাদে সংঘটিত সবচেয়ে বড় সমাবেশ।অথচ পৃথিবীর মানচিত্রে চেচনিয়াকে খুজে পাওয়া কষ্টসাধ্য।সমাবেশটা দেখে মনেহলো এটাই মনে হয় একমাত্র মুসলিম সংখাগরিষ্ট রাষ্ট্র। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে যারা হত্যাকাণ্ড দেখতে পারেনা।মানুষের রক্ত দেখলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ।তবে যাদের হার্ট খুব শক্ত তাদের কিছুই হয়না।  অবশ্য মানুশ যদি হয় হৃদপিন্ডহীন তাদেরো কিছু হবার কথা নয়।জাতি হিসেবে মুসলমানদের হৃদপিন্ড নাই এ কথা আপাতত বলতে পারছিনা কারন তারা কিছু নড়াচড়া করছে।তবে এতটুকু নড়াচড়া করলে সম্ভবত মানুষ বলা জায়না,কারন মৃত্যুর আগে প্রত্যেকটি প্রণীই খুব জোরেসরেই নড়াচড়া করে।তবে এই নড়াচড়ার শব্দটা যদি আপনি দূর থেকে শুনেন তাহলে শব্দ শুনে কোন প্রাণী মরছে ,এটা বলতে পারবেননা।কারন নড়াচড়ার শব্দ মৃত্যুর আগে প্রত্যেক প্রণীরি প্রায় একই রকম।তবে প্রণী বড় হলে নড়াচড়ার শব্দটা একটু বেশী হয়। আর মুসলমান যেহেতু মানুষ,আর মানুষ হল বুদ্ধিমান প্রণী,তাই যন্ত্রের বাবহারে নড়াচড়ার শব্দ একটু বেশী শুনা যাচ্ছে।দিনকয়েক পার হলে এ শব্দ বন্দ হয়ে যাবে।
হৃদপিন্ড যেমনই হোক সেটা প্রাণী।তবে মাথার ভেতর যে মগজ থাকে এটা কিন্ত খুবই গুরুত্ব পূর্ণ।মগজ থাকলেই সেটা প্রণী হবে,তবে বুদ্ধিমান প্রাণী হয়ার জন্যে মগজের গঠনটা একটু ভিন্ন হওয়া দরকার,হতাশার বিষয় মগজটা আমরা গঠন করতে পারিনা।এটা স্রষ্টাই নির্ধারণ করে থাকে,কোন প্রণীর মগজের গঠন কেমন হবে। অর্থাৎ যে প্রণীটি পৃথিবীতে সৃষ্টি হয় তা বুদ্ধিমান হবে না নির্বোধ হবে এটা স্রষ্টাই নির্ধারণ করে।আর মানুষ যেহেতু গবেষণা করতে পারে ও তার ফলাফল লিখতে পারে তাই ফলাফলটা মানুষ নিযের পক্ষেই লিখেছে।আর প্রমাণ হিসেবে দেখিয়েছে,যেহেতু মানুষের মগজ পৃথিবীর যে কোন প্রণীর চেয়ে বড় ,তাই মানুষই একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী।যাকে অন্য কোন প্রাণীর সাথে তুলনা করা যাবেনা।
তবে লিখে রাখার কৌশলটি স্রষ্টাই মানুশকে শিখিয়েছে আর লিখার মাধ্যমে মানুষ তাদের জ্ঞানকে বৃদ্ধি করে থাকে।আল-কুরানের প্রথম নাযীলকৃত সুরা আল-আলাকের ৪ ও ৫ নং আয়াতে বলাহয়েছে,কলমের সাহায্যে আমি মানুষকে সেই সমস্ত জিনিস শিক্ষা দিয়েছি যা মানুষ জানত না।
একই ভাবে বলা বা মনের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা পূর্ণাঙ্গ ভাবে শুধু মানুষকেই শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।যেমন সুরা আর-রহমানের ৪ নং আয়াতে বলাহয়েছে,তিনি মানুশকে শিক্ষা দিয়েছেন মনের ভাব প্রকাশ করার শক্তি।
গবেষনা করতে গিয়ে মানুষ বুঝতে পারল পৃথিবীতে প্রনীজ সভ্যতা টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব মানুষেরই ।আর এটা প্রয়োজন মানুষেরই বেচে থাকার জন্যে।তবে দায়িত্বটা মানুষ স্রষ্টার পক্ষথেকেই পেয়েছে।মহান স্রষ্টা তার প্রেরিত সর্বশেষ দূত মুহাম্মদ(দঃ)এর মাধ্যমে জানিয়েছেন,মহাগ্রন্থ আল-কুরানে,স্বরণ কর সেই সময়ের কথা যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেস্তাদেরকে বলেছিলেন,পৃথীবিতে আমি আমার প্রতিনিধি তৈরি করতে চাই,আর ফেরেস্তারা আপত্তি করেছিল এই বলে , আপনি কী তাদের সৃষ্টি করতে চান যারা পৃথীবিতে দাঙ্গা- হাঙ্গামা করবে? । মানুষ স্রষ্টার প্রতিনিধি হয়েছে বটে তবে দায়িত্ব জ্ঞান হীন প্রতিনিধি।
তবে মজার ব্যাপার হলো দায়িত্বের প্রতি মানুষের অনিহা থাকলেও দায়িত্ব পালন থেকে মানুষ কনো দিনই মুক্ত হতে পারেনি।মানব সভ্যতার সর্বশেষ পথ নিরদেশক,মুহাম্মাদ (সাঃ)বলেছেন,তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল আর দায়িত্বের ব্যাপারে প্রত্যেকেই জিজ্ঞাসিত হবে।তাই মানুষ দায়িত্ব পালনে বাধ্য; হয় সুন্দর ভাবে নয় অসুন্দ্র ভাবে।
সুন্দ্র ভাবে দায়িত্ব পালন কারি নিজে সুন্দর হয়।দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পরিবারকে সুন্দর করতে পারে। সুন্দর করতে পারে সমাজকে,রাষ্ট্রকে। পরিবারে যেমন নির্দিষ্ট সময়ে মাত্র একজন অবিভাবক থাকে।অনুরুপ সারা পৃথিবীতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি জাতি অবিভাবক থাকে।
বর্তমান সময়ে যারা দায়িত্ব পালন কোরছে তারা মুসলিম নয়।পৃথিবীর এই বিপর্যয় কর অবস্থা দেখে মনে হছে তারা দায়িত্ব পালনে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।নতুন কোন এক জাতিকে এই দায়িত্বভার বুঝে নিতে হবে।সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে মুসলমান্দের ভাবা যেতে পারে। কিন্ত মুসলিম জাতির আচরণ দেখে মনে হোছেনা তারা দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত । কারন বর্তমান দায়িত্বশীলরা তাদের সাথে যে খেলা করছে তারও তাতে সহযগীতা করছে।মনে রাখতে হবে অস্ত্রের বিনিময়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করা যেতে পারে তবে তা পূর্ণতা পায়না। একাজে যারা লিপ্ত থাকে তারা দায়িত্বশীল হতে পারেনা।দায়িত্বশীল হওয়ার জন্যে প্রয়োজন প্রজ্ঞা আর ধৈর্য । চলমান যুদ্ধের মাঠেও অনেক সময় কৌশল হিসেবে পিছিয়ে আসতে হয়।মানুষ নামক এই কম্পিউটার টির অপারেতিং সিস্তেম(Operating system ) অত্যান্ত জটিল আর আপেক্ষিক । এই আপনাকে মারছে তো একটু পরেই আবার আদর করছে।তাই এই কম্পিউটারকে চালাতে প্রয়োজন অত্যন্ত দক্ষ অপরেটর। তবে মনে রাখতে হবে যে চালাচ্ছে আর যাকে চালাচ্ছে উভয়েই কম্পিউটর। কেউ কারোর চেয়ে কম নয় ।মুসা আর খিজির(আঃ) এর ঘটনা নিশ্চয় আমাদের জানা আছে।আল্লা প্রমান করেছিলেন সৃষ্ট জীবের কেউই জ্ঞানে সয়ং সম্পূর্ণ নয়। তাহলে এই এক কম্পিউটার আর এক কম্পিউটারকে কী ভাবে চালাবে? কী ভাবে একটির উপর আর একটি প্রাধান্য পাবে?
একটির কর্তৃত্ব আর একটির উপরে প্রয়োগ হবে? প্রশ্নটি যত জটিল উত্তর কিন্ত অত জটিল নয় ,তবে কাজটি জটিল। তবে মনে রাখতে হবে এই কম্পিউতারের অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলোপ্ট (Developed)করা যায়না ।তবে এর কোন কোন অংশ দীর্ঘ দীন ব্যাবহার না হয়ার ফলে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।তাই আমরা এটাকে আপডেট (pudate) দিতে  পারি ,যেমন দীর্ঘ দীন নাময না পড়া এক জন ব্যাক্তি হঠাত এক দিন ওয়াজ শুনে নামাযি হয়ে যেতে পারে। 
দায়িত্ব পালনের দ্বিতীয় বিকল্প শক্তি হল ,চীন-রাশিয়া।  তার কোন স্রষ্টায় বিশ্বাসী না হওয়ায় পৃথিবীর চিত্রটা ভিন্ন হতে পারে। তাই একুশ শতকের পৃথিবী কেমন হবে তা দায়িত্বশীল দের জন্যে চিন্তার বিষয় !!!

08/09/2017

কোন মন্তব্য নেই