Header Ads

imran

first editorial

৭-৯-২০১৭, রত্র ১১টা৫৯
বিশ্বে অনেক কিছু দ্রুত ঘটে চলেছে। কম জ্ঞান আর বয়স কম হওয়ার কারনে হয়ত অনেক কিছু জানিনা। তবে সারা বিশ্বের সকল জাতি এ ব্যাপারে একমত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে , মুছলমান জাতির মানবধিকার নেই । যারা মোটা মুটি ভালো তারাও সন্দিহান এ ব্যাপারে। তবে দীর্ঘদিন জারা মানবতার জন্যে কাজ করে যাচ্ছে তাদের এই সিধ্যান্ত হীনতা বা অনেকের জাতি হিসেবে মুছোলমানদের উপর আক্রমনের ইচ্ছা রোধকরা বা হওয়ার মতো সম্ভাবনা আপাতত নেই। আবার রাষ্ট্র হিসেবে মুসলমান রাষ্ট্র গুলো বিভিন্ন পক্ষে ভাগ হয়ে গেছে। আর সৌদিআরবএর গনতান্ত্রিক ইসলামের ভয়ে গায়ের তাপমাত্রা ১০৮ ডীগ্রি । সে নিজের চেয়ারের দিকে তাকিয়ে থাকার জন্যে মুসলমানদের কনো দুরবশ্তা দেখতে পায়না। এ ভাবে চীন,রাশিয়া,আমেরিকা ,মায়ানমার ,ভারত বিশ্বের প্রতিটি প্রন্তে মুসলমান নামক এই জাতিটাকে সমুলে উৎপাটিত করার দায়িত্ত শ্রষ্টার পক্ষ থেকে কাকে দেওয়া হয়েছে বোঝা যাছেনা ।
যারা গরুকে দেবতা বলে তার গরুর জীবন রক্ষা করার জন্যে মুসলমান মারছে। আর যারা জীব হত্যা মহা পাপ বলে তারা মুসলমান মেরে শকুনকে খাইয়ে শকুনের জীবন রক্ষা করছে। তবে ঘটনাটা প্রথম শুরু হয়ে ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্থানে । দায়িত্বটা তারা প্রথমে নিজ হাতে নিয়েছিল। টুইনটাওয়ারে হামলার পর তারা বুঝতে পারলো ,মানুষের জীবন রক্ষার জন্যে মুসলমান হত্যা খুবই প্রয়োজন। বিশেষকরে যারা সরাসরি ইসলামী শাষন ব্যাবস্থার কথা বলে। প্রথমে মানুষের জীবন রক্ষার জন্যে মুসলমান হত্যা শুরু হলেও পরে তা গরু বা যেকো জীবের জীবন রক্ষার জন্যেই প্রয়োজন হল । তারা গবেশনা করে দেখল, মানুষের জীবন রক্ষার জন্যে মুসলমান হত্যা যত প্রয়োজন,যেকন জীবের জীবন রক্ষার জন্যেই তা কম গুরুত্ব পূর্ণ নয় । তবে বিশাল এ জাতিকে হত্যা শুরু করাটা কঠিন হওয়ায় Divide and rule অনুজায়ী বেছেনিল টুপি-দাড়ি ওয়ালাদের , পরে টুপি-দাড়ি ও প্যান্ট-শার্ট ওয়ালাদের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি করা হলো ২০০৩ সালে। ইরাকে হামলার মধ্যমে । এর পর মুসলমান যেখানে সবচেয়ে বেশি সেখানে ভাল একটা খেলা শুরু করা হলো। এখন ওদের আর কষ্ট করতে হচ্ছে না । মুসলমান মারার জন্যে মুসলমানই যথেষ্ট । সেই থেকে আজ অবধি চলছে । কোথায় এর শেষ কেউতা জানেনা । একটি রাষ্ট্রে ইসলামী বিপ্লব ঠেকান সম্ভব হলেও অন্যটিতে সম্ভব হয়নি । তবে বাংলাদেশ আর পাকিস্তানকে দুটি রাষ্ট্রের বগোলের তলে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে অবাধ্য আর খ্যাপা রাষ্ট্রটিকে অর্থনৈতিক অবোরোধ দিয়ে মাথার চুল ফেলে দেওয়া হয়েছে।
Clash of civilization এর তথ্য সঠিক ধরে যদি পুরা মুসলিম জাতি শেষ করতে হয় তবে এই জাতিকে অবিভাবক শূন্য করার প্রাথমিক যে কাজ তা মোটামুটি শেষ হয়েছে।
এখন পুরা বিশ্বকে শান্তিময় করার জন্যে প্রয়োজন সবচেয়ে বড় যেটা ; আরব অঞ্চলটিকে মুসলিম শূন্য করা। সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু হয়েছে। কাজের মাঝে বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন তবে কাজ বন্দ করা যাবেনা। তাই আপাতত মুসলমানদের উপর মুল দায়িত্ব দিয়ে তারা শুধু proxy দিচ্ছে, যাতে কাজ বন্ধ না হয়।
পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে আগুণ জালিয়ে মাঝে মাঝে পেট্রোল ছিটানোর কাজ চলছে। জালানি শেষ হলে আগুণ নিভে যাবে। তবে আপাতত দরকার দুর-দুরান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মুসলমানদের নির্মূল করা।তার জন্যে ভিন্ন- ভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কাজ সুন্দ্রর গতিতে এ গুচ্ছে । মাত্র ১৬ বছরে পুরা বিশ্বের আনুমানিক ১৫% মুসলিম হয় নিহত নয় বাস্তু হারা করা সম্ভব হয়েছে । ভুলে গেলে চলবেনা এ সবই করা হচ্ছে পুরা বিশ্বেকে শান্তিময় আর বাসযোগ্য পৃথিবী হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে ।

কোন মন্তব্য নেই