জীবনের আঁকা বাঁকা পথঃ
জীবনের আঁকা বাঁকা পথঃ
মানব জীবনে চলার পথে কিছু ঘটনা ঘটে যায়, যা কখন রোধ করা যায়নি, এর
প্রত্যেকটি ঘটনা ঘটার পর বেদনা ব্যাথাতুর
হয়, যা ঘটার পূর্বে কখন মাত্রায়িত করা
যায়নি যে কতটা তীব্র হবে তার ব্যাথা , তাই এ সকল ঘটনার কোন কোনটি মানুষ ইচ্ছে করেই
সংঘটিত করে থাকে,তবে ঘটনার পর মানুষ যে পতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে তা অনেক সময় ঘটনার
চেয়েও ভয়াভহ হয়।তাই এই ঘটনা গুলোর সম্পর্কে মানুষের জীবনে পূর্ব প্রস্তুতি আবশ্যক । যেমন
আপনার ছেলে আপনার মুল্যবান কোন ডকুমেন্ট পুড়িয়ে ফেললো , আপনি এতো রেগে গেলেন যে
একটা চড় মেরে দিলেন, কিন্তু চড়ের তীব্রতা এত বেশী হল যে সে মারা গেল,
এখন যদি আমরা ভাবি ঘটনা কি ঘটলো ! একটি ঘটনা আর একটি ঘটনাকে টেনে আনল ,আর
পরেরটি প্রথমটির চেয়েও ভয়ানক হলো, তবে সম সময় এমনটা হয়না , কখনো পরেরটা ভা্লো বা
অনেক ভালো হয়ে থাকে, যেমন আপনি মাফ করে দিলেন আর সে ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইল , আর
আপনি অনেক কষ্ট করে আর একটা নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করলেন,
তাহলে দেখা গেলো একটা ঘটনা পরে মাফ একটা ঘটনা তার সংশোধন একটা ঘটনা আর
ডকুমেন্ট তৈরী করা একটা ঘটনা ,মোট চারটি ঘটনা । অথবা আপনি মাফ করলেন না; প্রথম
ঘটনা তার পর আঘাত একটি ঘটনা সে আহত একটা ঘটনা তার সুস্থ হওয়া একটা ঘটনা সম্পদের
বিনিময় একটা ঘটনা , আপনার ডকুমেন্ট তৈরী একটা ঘটনা , মোট ৫ টি ঘটনা । এখানে ঘটনা
একটা বৃদ্ধি পেল, তবে এমনটা সব সময় হয়না , যেমন আপনার ঘরে চুরি হলো আর আপনি কিছুই
করলেন না ঘটনা বার বার ঘটতে থাকবে । যার সংখ্যা নির্ণয় কঠিন হবে। আবার এমনটাও হতে
পারে ,যে আপনার ছেলে চাকরি পেল যা আপনাকে নিশ্চিত আনন্দ দিবে।আপনি মানুষকে মিস্টি
খাওয়াবেন কি খাওয়াবেন ণা ভেবেই সিধান্ত নিবেন । এ ক্ষেত্রে যা করা হয় সাধারনত ভেবে
চিন্তেই করা হয়।তাই আমরা বলতে পারি ঘটনা ভালো বা মন্দ দুইটিই হতে পারে । এখন
চিন্তার বিষয় কোনটা ঘটনা আর কোনটা দুর্ঘটনা। কোন ঘটনার সাথে কিরুপ আচরন আবশ্যক ।
ঘটনার সাথে ব্যাবহার নির্ভর করে ঘটনার প্রকৃতির উপর। কিন্তু ঘটনার সাথে সঠিক
ব্যাবহার না হলে অনেক ছোট ঘটনা মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলতে পারে। মানুষ হতে
পারে অসহায় এমনকি নিঃস্ব। যেমন দেশে বহিঃ শত্রু আক্রমন করলো আর কেউ এটাকে প্রতিরোধ
কোরলোনা, জাতি হিসেবে ঐ দেশের মানুষ হতে পারে নিঃস্ব ।আবার ভালোও হতে পারে , যেমন
স্বদেশের বিরুদ্ধে শাহজালাল কে সাহায্য করে মুসলিমরা পেয়েছিল গৌর গোবিন্দ থেকে
মুক্তি। আর এগুলো ছোট ছোট উদাহরন।এব্যাপারে আমরা আরো গভীর চিন্ত করতে পারি। মানুষের
শরীরে যৌবন বয়সে আসে আনন্দ আর উম্মাদনার ডেউ এটাকে নিয়ন্ত্রন করে সঠিক পথে চলতে না
পারলে বারধ্যক্য জীবন হয় কষ্টে পরিপূর্ণ। আর পরিনত বয়সে অবসর আর বিশ্রামের বিরুদ্ধে
যুদ্ধ করতে হয় কাজের মাধ্যমে।আর কাজ মানুষের পছন্দ রোগ সারাতে তীক্ত ঔষধের প্রতি
ভালোবাসার মত। আপনি কাজ করবেন না খুদা আর দারিদ্র আপনাকে পৃথিবীর বাস্তবতা ভালোভাবে
বুঝিয়ে দিবে। আর কাজ করবেন ঐ কষ্ট আপনাকে বেচে থাকার আশা জাগাবে।জীবনের স্বাদ
আপনাকে স্পর্শ করবে । সফলতা আপনাকে আলিঙ্গন করবে।জীবন আর মৃত্যুর মাঝে অনেক
ব্যাবধান আপনার মনের আকাংখা হবে।এ ভাবে ‘সম্পর্ক’ একটা অস্পর্শনীয় অনুভুতির বিষয়
যা একটা ঘটনায় রুপ নিতে পারে। যেমন কারো সাথে আপনার সম্পর্ক ভালো বা খারাপ হলো। এটা
একটা ঘটনা।এটা কখন সাভাবিক আবার কখন ভালো ফলা ফল বয়ে আনতে পারে।আবার এই সম্পর্কের
আর একটা অকল্পনীয় প্রভাব আছে যা আপনাকে আকাশ থেকে জমিনে বা জমিন থেকে আকাশে উঠিয়ে
দিতে পারে। যেমন অফিসে আপনার বসের সাথে খারাপ সম্পর্কে আপনি চাকরি হারালেন।অথবা
ভালো সম্পর্কে প্রমশন পেলেন ।অথবা ভালো সম্পর্ক আছে কিন্তু বস আপনাকে অন্যায় কাজে
ব্যাবহার করলো আর আপনি চাকরি হারালেন। অথবা খারাপ সম্পর্ক থাকার কারনে আপনাকে দিয়ে
কন অন্যায় কাজ করাতে পারলোনা আপনি নিরাপদ। এভাবে ‘সম্পর্ক’ নামক বিষয়টির রয়েছে
দিমুখি গুন।তাই ‘সম্পর্ক’ কি ভাবে গড়তে হয়
আবার কি ভাবে ভাংতে হয় দুটিই জানা আবশ্যক। তেমনি কি কারনে ‘সম্পর্ক’ গড়বো আর কি কারনে ভংবো ভালো ভাবে জানা আবশ্যক। এ
ক্ষেত্রে মুখের আর শরীরে ভাষা দুইটা ভাষাই ব্যাবহার করতে হয়।
এই সম্পর্ক গড়া আর ভাংগার জন্যে যে উপাদান গুলো দায়ী সেগুলো সম্পর্কে সচেতন না থাকলে মনের অজান্তেই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা , তাই জীবনে বাঁচার জন্যে ‘সম্পর্ক’ হওয়াচায় নিরাপদ আর সংবেদনশীল, সর্ব অবস্থায় হতে হবে সচেতন, যেমন ক্রোধ , হিংসা, হাসি , কান্না এ গুলো মুখের বা শরীরের ভাষায় আপনার অজান্তেই প্রকাশ পেয়ে আপনাকে করতে পারে বিপদের মুখমুখি। আবার মুখের ভাসা অনেক সময় নিয়ন্ত্রন করা গেলেও শরীর ও যে এটা প্রকাশ করে, সে ব্যাপারে সবাই সচেতন হতে পারেনা । তাই সব বেদনা সয়েও বেদনা থেকে মুক্তি মেলেনা ।
এই সম্পর্ক গড়া আর ভাংগার জন্যে যে উপাদান গুলো দায়ী সেগুলো সম্পর্কে সচেতন না থাকলে মনের অজান্তেই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা , তাই জীবনে বাঁচার জন্যে ‘সম্পর্ক’ হওয়াচায় নিরাপদ আর সংবেদনশীল, সর্ব অবস্থায় হতে হবে সচেতন, যেমন ক্রোধ , হিংসা, হাসি , কান্না এ গুলো মুখের বা শরীরের ভাষায় আপনার অজান্তেই প্রকাশ পেয়ে আপনাকে করতে পারে বিপদের মুখমুখি। আবার মুখের ভাসা অনেক সময় নিয়ন্ত্রন করা গেলেও শরীর ও যে এটা প্রকাশ করে, সে ব্যাপারে সবাই সচেতন হতে পারেনা । তাই সব বেদনা সয়েও বেদনা থেকে মুক্তি মেলেনা ।
জীবনে সুখি হয়ার জন্যে মুখ হতে হবে হাসি খুসি, হৃদয় কে
করতে হবে সচেতন।বুদ্ধিকে রাখতে হবে বিকল্প ক্ষমতা সম্পন্ন।যে কোন পরিবেশের সাথে
মেশার ক্ষমতা যেমন থাকবে আবার কোন পরিবেশ আমি মানিনা তার কাছেও না যাওয়া । ছোটকে
স্নেহ আর বড়কে সম্মান এটা কমন ব্যাবহার। বিচার বিশ্লেশন ছাড়া প্রথমেই একে ব্যাবহার
করা যায়, ভুল হলে সংশধন করা যায়। অসৎ, ভিতু, মিথ্যা বাদি, আর অপরাধ প্রবন
ব্যাক্তিকে বিশ্লেশন ছাড়াই পরিহার করা উচিৎ ।সময় মতো ঘুম আর খাওয়া রোগ মুক্ত জীবন
দান করে। অন্ধ ভালোবাসা নয়।ভালোগুনকে ভালো বাসা আবার খারাপ গুনকে ঘৃনা করা তা যেই
হোকনা কেন।এ ভাবে ধীরে ধীরে নিজেকে পরিনত করতে হবে।


Post a Comment