ইজিয়ান সাগরের তীরবর্তী তুরস্কের শহর বোদরাম। এই শহরেই ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন সৌদি প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ। বোদরামে এক সপ্তাহের ওই ছুটিতে কখনো তাঁকে সাইকেল চালাতে দেখা গেছে, কখনো ইয়টে সময় কাটিয়েছেন। এই এক সপ্তাহে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ লাখ ৫৮ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড। 111200000 tk
সৌদি আরবের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান কিংডম হোল্ডিং কোম্পানির চেয়ারম্যান প্রিন্স ওয়ালিদ বাদশাহ আবদুল আজিজ আল-সৌদের নাতি এবং বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের ভাতিজা। প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বোদরাম শহরে পৌঁছান একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে চেপে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবারের সদস্য ও নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গে নিয়ে যান ৩০০টি ব্যাগ আর ৩০টি সাইকেল।
তুরস্কের সংবাদপত্র হুরিয়েত এক খবরে জানায়, বোদরামে সৌদি প্রিন্স সমুদ্র তীরবর্তী হোটেল ভাড়া করেন, যার এক রাতের কক্ষের ভাড়া ৩৬ হাজার ৭০০ পাউন্ড। পুরো সপ্তাহে মাঝেমধ্যেই প্রিন্স আল-ওয়ালিদ ৩০ দেহরক্ষী নিয়ে শহরময় সাইকেল চালিয়েছেন। তবে বেশির ভাগ সময় তিনি নিজের ‘কিংডম ফাইভকেআর’ নামের ইয়টে কাটিয়েছেন। এর আগে এই ইয়টটির মালিক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের কাছ থেকে কিনে নেওয়া ইয়টে চেপে এখন ঘুরে বেড়ালেও ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় টুইটারে তাঁর সঙ্গেই বাগ্যুদ্ধে মেতে ওঠেন প্রিন্স আল-ওয়ালিদ। তিনি সে সময় বলেছিলেন, ‘আপনি শুধু রিপাবলিকান পার্টির জন্যই নন, পুরো আমেরিকার জন্যই মর্যাদাহানিকর। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান, আপনি কিছুতেই জিততে পারবেন না।’
আল-ওয়ালিদের এই টুইটের জবাবে ট্রাম্প টুইট করেছিলেন, ‘নির্বোধ প্রিন্স (আল-ওয়ালিদ) বাবার টাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে চান। আমি নির্বাচিত হলে এমনটা আর হবে না।’ ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর অবশ্য সুর পাল্টে এক টুইটে তাঁকে অভিনন্দন । এসব বাদশাহ ও প্রিন্সদের মানবতাবোধ কি লোপ পেয়েছে?
দুই শিষ্যকে ধর্ষণের অপরাধে ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে ১০ বছর করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সরকারের তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) বিশেষ বিচারক জগদীপ সিং গতকাল সোমবার এই রায় দেন। এ ছাড়া তাঁকে দুই মামলায় ১৫ লাখ করে ৩০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।
গত শুক্রবার রাম রহিমকে অপরাধী সাব্যস্ত করেন আদালত। এরপর উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও দিল্লিতে তাণ্ডব চালান তাঁর ভক্তরা। সহিংসতায় প্রাণ হারান ৩৮ ব্যক্তি। আহত কমপক্ষে ২৫০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হয়।
সাধুদের খোজা করে রাখতেন রাম রহিম!
দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া কথিত ধর্মগুরু রাম রহিমের ডেরায় খোজা বাহিনী আছে। ডেরার ৫০০ সাধুর মধ্যে ১৭৫ জনের লিঙ্গচ্ছেদ করে এই খোজা বাহিনী তৈরি করা হয়। খোজা বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে ছিল বাবার আবাসিক সাধ্বীদের পাহারা দেওয়া।
বর্ণবাদ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জাতিসংঘের
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলের সহিংসতার ঘটনায় দেশটির কড়া সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটির বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক কমিটি সার্ড যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে ‘আগাম সতকর্তাও’ দিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতি ‘সুস্পষ্ট ও নিঃশর্তভাবে’ বর্ণবাদ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছে।
দেড় শ বছর আগে সংঘটিত মার্কিন গৃহযুদ্ধে দাসপ্রথার সমর্থক জেনারেল রবার্ট লির একটি মূর্তি অপসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শার্লটসভিলে ১২ আগস্ট বর্ণবিদ্বেষী গ্রুপগুলো সমাবেশের ডাক দেয়। তাদের উপস্থিতির প্রতিবাদে স্থানীয় গির্জা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো পাল্টা বিক্ষোভের আয়োজন করে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ এড়াতে জরুরি অবস্থা জারির পরও ৩০ জনের বেশি আহত হয়। একজন নয়া নাৎসিপন্থী বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হলে হিথার হেয়ার নামের ৩২ বছর বয়সী এক মানবাধিকারকর্মী প্রাণ হারান।
prothom alo 29/08/17
মানব বোমায় শিশুর ব্যবহার বাড়িয়েছে বোকো হারাম
বিবিসি
উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় ‘মানব বোমা’ হিসেবে শিশুদের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন বোকো হারাম। জাতিসংঘ এ কথা জানিয়েছে।
জাতিসংঘ শিশু তহবিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর ৮৩টি শিশুকে এ কাজে ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে, যা গত বছরের চেয়ে চার গুণ বেশি। এই শিশুদের মধ্যে ৫৫টির বয়স ১৫ বছরের কম এবং তারা মেয়েশিশু।
জাতিসংঘের শিশু সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় ২০১৪ সাল থেকে ১২৭টি শিশুকে মানব বোমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। নাইজেরিয়ায় শিশু অপহরণের ঘটনা সম্প্রতি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। যার নেপথ্যে রয়েছে বোকো হারাম।
prothom alo 29/08/17
প্রেসিডেন্টের রূপচর্চায় তিন মাসে ব্যয় ২৪ লাখ টাকা!
ফ্রান্সের রাজনীতিতে তরুণ নেতা হিসেবেই বিবেচিত বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো। আর সেই ‘তরুণ মুখকে’ সজীব রাখতে তিন মাসে রূপচর্চায় খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা দাঁড়ায় প্রায় ২৪ লাখ টাকা।
ম্যাঁখো ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম তিন মাসেই এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ফরাসি ম্যাগাজিন লু পোঁয়া এই খবর প্রকাশ করেছে।
লু পোঁয়ার বরাত দিয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম তিন মাসে ৩৯ বছর বয়সী ম্যাঁখো রূপচর্চার পেছনে প্রতিদিন ৩৩০ ডলার করে খরচ করেছেন। প্রতি মাসে খরচ করেছেন গড়ে ১০ হাজার ডলার। আর পুরো খরচই গেছে ফরাসি জনগণের দেওয়া কর থেকে।
বর্তমানে ম্যাঁখোর প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন মাত্র ৩৬ শতাংশ ফরাসি জনগণ। সেই হিসাবে রূপচর্চার এ নতুন তথ্য জনমতকে বেশ প্রভাবিত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
prothom alo 29/08/17
যে আটজনের কাছে বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সম্পদ
বিশ্বের অর্ধেক, অর্থাৎ ৩৬০ কোটি মানুষের সম্পদের পরিমাণ আর সবচেয়ে ধনী আট ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ একই, বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা অক্সফাম৷ বিশ্বব্যাপী অসন্তোষের এটি একটি কারণ বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি৷
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অক্সফাম বলেছে, ‘‘ব্রেক্সিট থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া, বর্ণবাদের প্রসার আর মূলধারার রাজনীতির প্রতি নাগরিকদের মোহমুক্তি – এই সব ঘটনা থেকে এটি বলা যায় যে, ধনী দেশের নাগরিকরা আর বর্তমান অবস্থা পছন্দ করছেন না৷''
গত বছরের মার্চে ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সম্পদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফাম৷
অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানিমা বলেন, ‘‘মাত্র গুটি কয়েক মানুষের হাতে এত সম্পদ থাকার বিষয়টি অনুচিত, কারণ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রতি ১০ জনের একজন প্রতিদিন দুই ডলারেরও কম দিয়ে জীবনযাপন করছে৷''
অক্সফামের গত বছরের প্রতিবেদনে ৬২ জন শীর্ষ ধনীর কাছে বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমপরিমাণ সম্পদ থাকার কথা বলা হয়েছিল৷ এবার সেই সংখ্যা আট-এ নেমে আসার অর্থ হচ্ছে ধনী-গরিবের মধ্যে বিভেদ এক বছরে আরও বেড়েছে৷
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অক্সফাম বলেছে, ‘‘ব্রেক্সিট থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া, বর্ণবাদের প্রসার আর মূলধারার রাজনীতির প্রতি নাগরিকদের মোহমুক্তি – এই সব ঘটনা থেকে এটি বলা যায় যে, ধনী দেশের নাগরিকরা আর বর্তমান অবস্থা পছন্দ করছেন না৷''
গত বছরের মার্চে ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সম্পদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফাম৷
অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানিমা বলেন, ‘‘মাত্র গুটি কয়েক মানুষের হাতে এত সম্পদ থাকার বিষয়টি অনুচিত, কারণ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রতি ১০ জনের একজন প্রতিদিন দুই ডলারেরও কম দিয়ে জীবনযাপন করছে৷''
অক্সফামের গত বছরের প্রতিবেদনে ৬২ জন শীর্ষ ধনীর কাছে বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমপরিমাণ সম্পদ থাকার কথা বলা হয়েছিল৷ এবার সেই সংখ্যা আট-এ নেমে আসার অর্থ হচ্ছে ধনী-গরিবের মধ্যে বিভেদ এক বছরে আরও বেড়েছে৷
কারা সেই ধনী?
ফোর্বসের তালিকা বলছে, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি৷ তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৭৫ বিলিয়ন ডলার৷ এরপর আছেন স্প্যানিশ ব্যবসায়ী অ্যামানসিও ওর্তেগা (৬৭ বিলিয়ন ডলার), মার্কিন ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট (৬১ বিলিয়ন ডলার), মেক্সিকান ব্যবসায়ী কার্লোস স্লিম (৫০ বিলিয়ন ডলার), অ্যামাজনের প্রধান জেফ বেজোস (৪৫ বিলিয়ন ডলার), ফেসবুকের মার্ক সাকারবার্গ (৪৪.৬ বিলিয়ন ডলার), সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওরাকলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি অ্যালিসন (৪৪ বিলিয়ন ডলার) ও নিউ ইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ (৪০ বিলিয়ন ডলার)৷
অক্সফামের প্রস্তাব
পরিস্থিতির উন্নয়নে ব্রিটিশ এই চ্যারিটি কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে৷ বড় লোক ও বড় কর্পোরেশনগুলোর উপর করের পরিমাণ আরও বাড়াতে বলছে তারা৷ এছাড়া কর্পোরেট করে হার কমানো নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তা বন্ধে একটি চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব দিয়েছে অক্সফাম৷ সরকারি প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করা এবং কর্মীদের ভালো বেতনের ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোরও প্রস্তাব দিয়েছে অক্সফাম৷
প্রতিক্রিয়া
সাংবাদিক আয়ান বিরেল টুইটারে লিখেছেন, ‘‘অক্সফাম অসমতা আর কর্পোরেট চাকুরেদের উচ্চ বেতন নিয়ে আজ অভিযোগ করছে৷ তারা (অক্সফাম) একজন মার্কিন নির্বাহীকে বছরে পাঁচ লক্ষ ডলারের বেশি দিয়েছে৷''
এদিকে, তালিকায় বিল গেটসের নাম থাকা পছন্দ করেননি অ্যান্ডি ওয়েলস৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘বিল গেটস এমন এক জিনিস উদ্ভাবন করেছেন যা বিশ্ব প্রতিদিন ব্যবহার করছে৷ এবং সেজন্য তিনি যে অর্থ আয় করছেন তা আবার চ্যারিটিতে দান করছেন৷ আর তার সমালোচনা করছে অক্সফাম৷''
অবশ্য অক্সফামের পলিসি অ্যাডভাইজার ম্যাক্স লসন বিল গেটসের উদাহরণ দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নিয়মিত কর প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন৷
সাংবাদিক আয়ান বিরেল টুইটারে লিখেছেন, ‘‘অক্সফাম অসমতা আর কর্পোরেট চাকুরেদের উচ্চ বেতন নিয়ে আজ অভিযোগ করছে৷ তারা (অক্সফাম) একজন মার্কিন নির্বাহীকে বছরে পাঁচ লক্ষ ডলারের বেশি দিয়েছে৷''
এদিকে, তালিকায় বিল গেটসের নাম থাকা পছন্দ করেননি অ্যান্ডি ওয়েলস৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘বিল গেটস এমন এক জিনিস উদ্ভাবন করেছেন যা বিশ্ব প্রতিদিন ব্যবহার করছে৷ এবং সেজন্য তিনি যে অর্থ আয় করছেন তা আবার চ্যারিটিতে দান করছেন৷ আর তার সমালোচনা করছে অক্সফাম৷''
অবশ্য অক্সফামের পলিসি অ্যাডভাইজার ম্যাক্স লসন বিল গেটসের উদাহরণ দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের নিয়মিত কর প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন৷
সামরিক খাতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করে প্রায় প্রত্যেক দেশই। ২০১৫-র বাজেট অনুসারে নিরাপত্তা খাতে ব্যয় নিরিখে বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ভারত। শক্তিশালী দেশগুলির মধ্যে আমেরিকা তালিকার শীর্ষে। তার পর চিন। আমেরিকা মোট জাতীয় আয়ের ২.৩ শতাংশ ব্যয় করেছিল গত বছর। যার পরিমাণ প্রায় ৫৯ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। সেখানে ভারত ব্যয় করেছে মাত্র ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। শুধু নিজের দেশেই নয়, গোটা বিশ্বে নজরদারি চালাতে খরচের বহর আকাশচুম্বী। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, মার্কিন নিরাপত্তাবাহিনী নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর বেস ক্যাম্প ১৫,৬৫৪ স্কোয়্যার মাইল জুড়ে বিস্তৃত। ওয়াশিংটন ডিসি, ম্যাসাচুসেট এবং নিউ জার্সিকে এক করলেও বড় হবে তাদের বেস ক্যাম্প।
২০৩৩ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর আহত সেনার জন্য ৫৯ হাজার কোটি বিলিয়ন ডলার খরচ করবে হোয়াইট হাউস।
২০০৭ সালে ইরাক যুদ্ধের জন্য আমেরিকা ১১ হাজার কোটি ডলার খরচ করেছিল। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওই অর্থ প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার শিক্ষককে মাইনে দিতে পারত মার্কিন সরকার।
এমনকী ইরাক যুদ্ধে এক জন মার্কিন সেনার পিছনে বছরে যে অর্থ খরচ করা হয়, তাতে ৬০টি মার্কিন পরিবার বছরভর আরামে তাঁদের সংসার চালিয়ে নিতে পারবেন।
২০০৮ সালে ইরাক যুদ্ধের জন্য পেন্টাগন প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে যে অর্থ খরচ করেছিল, সেটা মার্কিন নাগরিকদের বাত্সরিক গড় আয়।
এক জন মার্কিন নাগরিকের আয়করের ৮০ শতাংশ অর্থ সামরিক বাহিনীর কাজে ব্যবহার করা হয়।
রেডিয়েশন এক্সপোজার কমপেনসেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী মার্কিন সরকার ১৯৯৮ সালে ২ হাজার ৭০০ জন রেডিয়েশন আক্রান্ত কর্মীদের দিয়েছিল ২ কোটি ২৫ লক্ষ ডলার।
১৯৪০-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মার্কিন সরকার ৫ লক্ষ ৮০ কোটি (৫.৮ ট্রিলিয়ন) ডলার পারমাণবিক শক্তি খাতে খরচ করেছে।
যদি এই অর্থ আমেরিকার প্রত্যেক নাগরিককে দেওয়া হয় তা হলে জন প্রতি ২১ হাজার ডলার করে পেতেন।
অথবা এ ভাবেও বোঝানো যেতে পারে, প্রতি সেকেন্ডে এক ডলার করে গুনলে ১০ লক্ষ ডলার গুণতে সময় লাগবে ১২ দিন। ৩২ বছর সময় লাগবে ১০০ কোটি ডলার গুণতে। ১ লক্ষ কোটি গুণতে সময় লাগবে ৩১ হাজার ৭০৯ বছর। আর ৫ লক্ষ ৮০ কোটি ডলার গুণতে সময় লাগবে কত? ১,৮৪,৫৭৯ বছর।
সত্য নাদেলা
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সত্য নাদেলা ১৯৬৭ সালের ১৯ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ প্রযুক্তিবিদ হায়দরাবাদ পাবলিক স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পাট চুকিয়ে মনিপাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
১৯৯২ সালে মাইক্রোসফটে যোগ দেন সত্য নাদেলা। বৈশ্বিক বাজারের শীর্ষ সফটওয়্যার কোম্পানিতে যোগদানের আগে সান মাইক্রোসিস্টেমসের হয়ে কাজ করেছেন। বর্তমানে ওই কোম্পানিটি ওরাকল করপোরেশনের মালিকানাধীন। নাদেলা মার্কিন প্রভাবশালী সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানিটির প্রথম নন-আমেরিকান সিইও। বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ২০০ টেক সিইওর তালিকার শীর্ষ চার নম্বরে রয়েছেন সত্য নাদেলা। এ ছাড়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সিইওদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পান নাদেলা। তিনি বার্ষিক সম্মানী হিসেবে পান ৮ কোটি ৪৩ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ ডলার।
১৯৯২ সালে মাইক্রোসফটে যোগ দেন সত্য নাদেলা। বৈশ্বিক বাজারের শীর্ষ সফটওয়্যার কোম্পানিতে যোগদানের আগে সান মাইক্রোসিস্টেমসের হয়ে কাজ করেছেন। বর্তমানে ওই কোম্পানিটি ওরাকল করপোরেশনের মালিকানাধীন। নাদেলা মার্কিন প্রভাবশালী সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানিটির প্রথম নন-আমেরিকান সিইও। বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ২০০ টেক সিইওর তালিকার শীর্ষ চার নম্বরে রয়েছেন সত্য নাদেলা। এ ছাড়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সিইওদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পান নাদেলা। তিনি বার্ষিক সম্মানী হিসেবে পান ৮ কোটি ৪৩ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ ডলার।
মাইকেল ডেল
ডেল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী
ডেল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী
৩০ বছর আগে মাইকেল ডেল নামে এক তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তুলেছিলেন একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। এই দীর্ঘ ৩০ বছরে মাইকেল ডেলের গড়ে তোলা সেই প্রতিষ্ঠানই পরিণত হয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে। নিজের নাম ব্যবহার করেই মাইকেল ডেল তার প্রতিষ্ঠানের নাম রেখেছিলেন ‘ডেল’। মাইকেল সল ডেল একজন মার্কিন শিল্পোদ্যোক্তা যিনি ডেল ব্র্যান্ডের কম্পিউটার কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা। তার আনুষ্ঠানিক পরিচয় তিনি ডেল ইনকরপোরেশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী। ছোটবেলায় জমানো এক হাজার ডলার মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। ১৯৮৪-এ কম্পিউটার উৎপাদনের লাইসেন্স গ্রহণ করেন তিনি। এরপর মাত্র ২৪ বছর বয়সে প্রধান নির্বাহী হিসেবে যোগ দেন নিজের প্রতিষ্ঠানেই। মাত্র ৪৬ বছর বয়সে ২০১১ সালে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার।
২০০১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বাসায় কাজ করতে গিয়ে খুন হয়েছে ৩৯৮ জন। নির্যাতনে আহত ২৯৯ জন। ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০০ জন। গেল দুই বছরে মৃত্যুর ঘটনা ১২৭ বার(য খন প্রতিবেদন দেখি২২/৯/২০১৭)
যৌন নির্যাতনের শিকার ৫০ ওধিক শারিরিক নির্যাতনের হিসাব নেই।




Post a Comment