Header Ads

imran

relation between husband wife

relation between husband wife 




শারীরিক সংসর্গে স্ত্রীর অনাগ্রহ স্বামীর প্রতি একধরনের ‘মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগীয়’ নির্যাতন বলে মত দিয়েছেন মালয়েশিয়ার একজন আইনপ্রণেতা। ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাশনাল জোটের এই আইনপ্রণেতা চে মোহাম্মদ জুলকিফলাই জুসোহ পার্লামেন্টারি সেশনে পারিবারিক সহিংসতা আইন সংশোধন বিষয়ে এক আলোচনা এ কথা বলেন। তাঁর এ বক্তব্যের পর দেশটির বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
মালয়েশিয়া এ বিষয়ে বিদ্যমান আইনটি সংশোধনের পক্ষে। রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মীরা আশা করছেন, নতুন আইন পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের আরও বেশি সুরক্ষা দেবে।
তিরেনগানু রাজ্যের ৫৮ বছর এই রাজনীতিবিদ গতকাল বুধবার বলেন, ‘শারীরিক কষ্টের চেয়ে পুরুষদের আবেগীয় কষ্টটা বেশি হয়।’
এই পার্লামেন্ট সদস্য বলেন, ‘যদিও বলা হয় পুরুষ শারীরিকভাবে মেয়েদের চেয়ে শক্তিশালী, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীদের চরমভাবে কষ্ট দেন বা নির্যাতন করেন। যেমন স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীদের অভিশাপ দেন, যা মানসিক নির্যাতন। তাঁরা স্বামীদের অপমান করেন এবং শারীরিক সংসর্গ করতে চাইলে প্রত্যাখ্যান করেন। এসব মানসিক ও অনুভূতিতে আঘাত করার মতো নির্যাতন।’
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের মেয়ে নারী অধিকারকর্মী মারিনা মাহাথির এএফপিকে বলেন, একজন নারীকে বিয়ে করা মানে তাঁর শরীরের মালিক স্বামী, এ ধ্যানধারণা পুরোনো। এখন আর এমনটা মনে করা হয় না। যৌন সংসর্গে নারীদের ‘না’ করার অধিকার আছে। এটি খুবই হাস্যকর যে একজন নারী না করলে তাঁর স্বামীকে নির্যাতন করা হয়।
গত এপ্রিলে ক্ষমতাসীন দলের আরেকজন রাজনীতিবিদ বলেছিলেন, ধর্ষক যদি ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিকে বিয়ে করে, তাহলে সব ঠিক আছে।
গতকাল বুধবারের এ ঘটনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। ফেসবুকে অনেকে চে’র ‘আদিম মানসিকতা’র সমালোচনা করেন। লুবুয়ান আইল্যান্ডের এক অধিবাসী সারকাউই লু বলেন, ‘সামাজিক ব্যাধি ও দুর্নীতির মতো সমস্যাগুলো প্রথমে সমাধান করতে হবে। আইনপ্রণেতারা পরবর্তী সময়ে সেক্স থেরাপিস্ট হতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়া দেখি রসিকতায় পরিণত হয়েছে।’
গোপেনাতান মাধাভেন বলেন, ‘নারীরা কোনো যৌন সরঞ্জাম নয়। আপনাকে তাঁদের শ্রদ্ধা করতে হবে এবং তাঁদের অনুভূতিটা বুঝতে হবে। আর চারজন স্ত্রী রাখার বিষয়টি একধরনের অসুস্থ পাগলামি। নারীরা কি এটা করতে পারে।’
অনেকে এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বলেছেন, ‘আমরা কেন এ ধরনের অযোগ্য লোকজনকে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দিচ্ছি?’


কোন মন্তব্য নেই